মুম্বইয়ে ফের মুষলধারে বৃষ্টি, বিমান চলাচল বিপর্যস্ত

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : ফের প্রবল বৃষ্টির কবলে পড়েছে বাণিজ্যনগরী মুম্বই। শহরের আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, সোমবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৯০ মিলিমিটার। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় শহরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টিতে বেশি দূরে দেখা যাচ্ছে না। সকালে বেশ কয়েকটি বিমান মুম্বই ছেড়ে উড়তে পারেনি। তিনটি বিমান নামতেও পারেনি মুম্বইয়ে। তাদের অন্য এয়ারপোর্টে নামানো হয়েছে।

    মুম্বই থেকে স্বাভাবিক বিমান চলাচল শুরু হয় সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ। বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আবহাওয়ার কারণে বিমান চলাচলে দেরি হচ্ছে। বিমানবন্দরের জন সংযোগ অধিকর্তা টুইট করে জানিয়েছেন, প্রতি মিনিটে দৃশ্যমানতা পালটে যাচ্ছে। কখনও কিছুটা পরিষ্কার হচ্ছে, পরের মুহূর্তে ফের ঝাপসা। সকাল সোয়া ন’টা পর্যন্ত এইরকম হয়েছে। এই আবহাওয়ায় বিমান চলাচলে দেরি হচ্ছে। তবে কোনও ফ্লাইট এখনও বাতিল করা হয়নি। তিনটি বিমানকে মুম্বইয়ের বদলে অন্য বিমানবন্দরে নামানো হয়েছে।

    এর আগে জন সংযোগ অধিকর্তা টুইট করেছিলেন, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ছত্রপতি শিবাজি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে কোনও বিমান ওঠানামা করতে পারছে না।

    বিভিন্ন বিমান সংস্থা যাত্রীদের জানিয়েছে, আবহাওয়া খারাপ হলে প্লেন উড়তে আরও দেরি হতে পারে। এয়ার বিস্তারা ও স্পাইস জেট টুইট করে যাত্রীদের বলেছে, আপনাদের ফ্লাইটের সময় বদলাচ্ছে কিনা সেদিকে নজর রাখুন।

    https://twitter.com/airvistara/status/1148081692453720065

    ট্রেন চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। সেন্ট্রাল রেলওয়ে টুইট করে জানিয়েছে, তাদের চারটি লাইন দিয়েই ট্রেন চলাচল করছে স্বাভাবিকভাবে। ওয়েস্টার্ন রেলওয়েও জানিয়েছে, মুম্বইয়ের শহরতলিতে কোনও কোনও জায়গায় প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। জল জমে গিয়েছে। কিন্তু সেজন্য ট্রেন চলাচলে এখনও বিঘ্ন ঘটেনি।

    গত সপ্তাহে মুম্বইতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়। ১ জুন থেকে শহরে বৃষ্টি হয়েছে ১৮০০ মিলিমিটার। গত সপ্তাহেও বৃষ্টিতে ছত্রপতি শিবাজি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের প্রধান রানওয়ে ৯০ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। ১৬৭ জন যাত্রী নিয়ে জয়পুর-মুম্বই স্পাইসজেটের একটি বিমান প্রবল বৃষ্টির মধ্যে নামার সময় রানওয়ে ছেড়ে বেরিয়ে যায়। তারপরেই রানওয়ে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ২ জুলাই প্রবল বর্ষণে মুম্বইতে ২৩ জন মারা যান। মালাড ইস্টে দেওয়াল ধসে পড়ে মারা যান ২০ জন। থানের কল্যাণ অঞ্চলে দেওয়াল ধসে মারা যান আরও তিনজন। মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলায় প্রবল বৃষ্টিতে তিওয়ারে বাঁধ ভেঙে পড়ে। জলের তোড়ে ভেসে যান ১৯ জন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More