কলকাতাকে পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে ৭ দিন সময় লাগবে, জানালেন ফিরহাদ হাকিম

গোটা শহরে হাজার হাজার উপড়ে পড়েছে বা তার ডাল ভেঙে পড়েছে। ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ভেঙে পড়া গাছের সংখ্যা কমপক্ষে সাড়ে পাঁচ হাজার। সেই সব গাছ সরানোর কাজ করছেন পুরসভার কর্মীরা। হাত লাগিয়েছে দমকল বিভাগও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: উমফানের ঝাপটায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কলকাতা মহানগর। কলকাতা পুরসভা ও রাজ্য সরকার পুরোদমে শহরকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু তাতেও শহর পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সাত দিন সময় লাগবে। এখনও পর্যন্ত সেই লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে পুরসভা। এমনটাই জানালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তবে দু’দিনের মধ্যে শহরের বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবারেই মধ্যেই বিদ্যুৎ সংযোগ অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। পুরসভা ও সিইএসসি একসঙ্গে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম।

    গোটা শহরে হাজার হাজার উপড়ে পড়েছে বা তার ডাল ভেঙে পড়েছে। ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ভেঙে পড়া গাছের সংখ্যা কমপক্ষে সাড়ে পাঁচ হাজার। সেই সব গাছ সরানোর কাজ করছেন পুরসভার কর্মীরা। হাত লাগিয়েছে দমকল বিভাগও। গাছ ভেঙে পড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের তারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু জায়গায় এখনও টেলি সংযোগ বিচ্ছিন্ন। এদিন সকাল থেকে এনিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়ে পুরসভায়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকেই সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে দ্রুত কাজ করার জন্য আর্জি জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি আরও জানিয়েছেন, কলকাতা শহরে প্রায় আড়াই হাজার ইলেকট্রিক পোস্ট পড়ে গেছে।

    এর আগে, আয়লা, বুলবুল, ফণীর মতো ঝড় কলকাতাকে ধাক্কা দিলেও এমনটা কখনও হয়নি। উমফানের দাপটে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ কার্যত বিপর্যস্ত। বহু জায়গায় রাস্তাজুড়ে গাছ পড়ে রয়েছে। কাশীপুর, বেলগাছিয়া, পাইকপাড়া, হাতিবাগান থেকে যাদবপুর, গলফগ্রিন, রাসবিহারী, চেতলা, বাঁশদ্রোনী– সর্বত্রই ধ্বংসের ছবি। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ও রাজ্যের পুরমন্ত্রী ববি হাকিম বলেছেন, অভাবনীয় বিপর্যয় হয়েছে কলকাতায়। পুরসভার কর্মীরা প্রাণপাত পরিশ্রম করছেন। যত দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করা যায় তার চেষ্টা চলছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More