তথ্যের অধিকারের ওপর চূড়ান্ত আঘাত করছে মোদী সরকার, মন্তব্য সনিয়া গান্ধীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : এক সপ্তাহ আগেই নরেন্দ্র মোদী সরকার ঘোষণা করেছে, ইনফরমেশন কমিশনারদের কাজের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হবে। তার পরে আরটিআই অ্যাকটিভিস্টরা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, তথ্য কমিশনের স্বাধিকার খর্ব করা হচ্ছে। এবার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীও বললেন, ঐতিহাসিক রাইট টু ইনফরমেশন আইনকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। কারণ তারা মনে করে, সংখ্যাগুরুর শাসন চাপিয়ে দিতে গেলে ওই আইন বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

সনিয়ার কথায়, “সরকার ইনফরমেশন কমিশনারের অফিসের গুরুত্ব কমাতে চায়। এখন থেকে তথ্য কমিশনাররা সরকারের ওপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন। যে সরকারের কাছে তাঁদের কৈফিয়ৎ চাইবার কথা, তার ওপরেই তথ্য কমিশনারদের নির্ভর করতে হবে।”

সনিয়া এদিন সকালে আরটিআই নিয়ে বিবৃতি দেন। সেই বিবৃতি টুইট করে কংগ্রেস। তাতে বলা হয়েছে, এখন থেকে যে অফিসার সরকারের বিরুদ্ধে কোনও তথ্যপ্রকাশে অনুমতি দেবেন, তাঁকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হবে। নতুন নিয়মে কেন্দ্র ও রাজ্য, সর্বত্র তথ্য কমিশনাররা ভয় পাবেন।

তথ্য জানার অধিকার আইনে সংশোধন করা হয় গত জুলাই মাসে। তাতে তথ্য কমিশনারদের বেতন কাঠামো এবং কার্যকালের মেয়াদ পরিবর্তন করা হয়। নতুন আইনে বলে হয়েছে, ইনফরমেশন কমিশনারদের কার্যকালের মেয়াদ সরকার স্থির করবে। আগে তথ্য কমিশনাররা নির্বাচন কমিশনারদের সমান বেতন পেতেন। এখন তাঁদের বেতনের পরিমাণও কেন্দ্রীয় সরকার স্থির করে।

বিরোধীরা অভিযোগ করেন, সরকার যদি তথ্য কমিশনারদের চাকরির মেয়াদ ও বেতন স্থির করে তবে তাঁরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। সনিয়া গান্ধীও একই সুরে বলেছেন, তথ্য কমিশনারদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্যই তাঁদের কার্যকালের মেয়াদ ও বেতন নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। কংগ্রেস সভানেত্রীর অভিযোগ, কোনও প্রবীণ ও আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন অফিসার আর তথ্য কমিশনে কাজ করতে রাজি হবেন না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More