Latest News

বাড়ছে কোভিড, ১৬ এপ্রিল সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিদিন রেকর্ড ভাঙছে কোভিড সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১৬ এপ্রিল সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, বাংলার ভোটের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

১৭ এপ্রিল পঞ্চম দফার ভোট। তারপর আরও তিন দফার ভোট বাকি থাকবে বাংলায়। হতে পারে সেই তিন দফায় রাজনৈতিক দলগুলির জমায়েতের ক্ষেত্রে বিধি ঠিক করার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। কারণ প্রতিটি রাজনৈতিক দলের রোড-শো, সভা, মিছিলে যে ভাবে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে মানুষ কর্মসূচিতে অংসঘ নিচ্ছেন তা বিপজ্জনক।

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় সর্বস্তরে সতর্কতা চালু হয়েছে। সিবিএসই-র দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করে দিয়েছে কেন্দ্র। পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে দ্বাদশের পরীক্ষা। অন্যদিকে আদালতে সশরীরে হাজিরার বদলে ভার্চুয়াল শুনানির পথেই হাঁটতে চলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। করোনা নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেল। সেখানে বলা হয়েছে, আদালতে হাজিরা কমিয়ে ৬০ শতাংশ করতে হবে। মামলার যাবতীয় শুনানি হবে ভিডিও কনফারেন্সেই।

রেজিস্টার জেনারেল জানিয়েছেন, আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে কলকাতা হাইকোর্টে যাবতীয় মামলার শুনানি হবে অনলাইনে। বিচারপতিরা বাড়িতে বসেই মামলার রায় দেবেন। আইনজীবী ও অন্যান্য কর্মচারীদের হাজিরা কমিয়ে ৬০ শতাংশে আনা হবে। কোনও আইনজীবীর সর্দি-কাশি বা জ্বরের উপসর্গ দেখা গেলে তিনি আদালত চত্বরে ঢুকতে পারবেন না। অনেক সময়েই মামলা সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য সরকারি কৌঁসুলিদের বিচারপতির চেম্বারে আসতে হয়। কিন্তু কোনওরকম উপসর্গ থাকলে আদালতে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। যে কর্মীরা কাজ করবেন, তাঁদের শিফট প্রয়োজনে বদলে দিতে হবে। আদালতের কক্ষে ও আদালত চত্বরে মাস্ক বাধ্যতামূলক, সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মানতে হবে কর্মীদের এবং স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে হবে।

ইতিমধ্যেই দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামফ্রন্ট। বুধবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক সম্মেলন করে মহম্মদ সেলিম বলেছেন, “‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, চার দফায় ভোট হয়ে গিয়েছে। পঞ্চম দফার ভোট প্রচার শেষ লগ্নে, আগামী দফার নির্বাচনের প্রচারে বড়সড় ভিড় না করার। হইচই পাকানোর মতো কিছুই করা হবে না। বরং বড় প্রচারে না গিয়ে মানুষকে সচেতন করার উপর জোর দেব আমরা।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যেখানে ভোট হয়েছে, বা যেখানে ভোট হবে সেইসব জায়গায় একই ভাবে গত এক বছর ধরে আমরা যে পরিষেবা দিয়েছি, তা আমরা করব। আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাস্তব পরিস্থিতি মেনে সবাইকে সচেতন করা এবং অসহায় মানুষের কাছে যাওয়া, মানুষের হক নিয়ে লড়াই করা। রেশন ও খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার মতো কাজ করব।’’

 

You might also like