Latest News

এখানে বোমা-বুলেট চলে না, এ দেশের মুসলিমদের রেহাই দিন, তালিবানকে পাল্টা ভারত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাশ্মীরের মুসলিমদের (muslims of kashmir) নিয়ে কথা বলার ‘অধিকার’ তাদের আছে বলে তালিবানের (taliban) মুখপাত্রের দাবির পাল্টা নরেন্দ্র মোদী সরকারের সংখ্যালঘু বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রী মুখতার আব্বাস (mukhtar abbas naqvi) নকভি জানিয়ে দিলেন, এদেশের মুসলিমদের কথা তালিবানের না ভাবলেও চলবে। ভারতে ধর্মের নামে মৌলবাদী, কট্টরপন্থীদের অত্যাচার, হিংসার কোনও নজির নেই বলে সওয়াল করে এদেশের মুসলিমদের রেহাই দিতে বলেন তিনি। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে নকভি বলেন, ভারতে একমাত্র সংবিধানের (indian constitution) বাণীই মেনে চলা হয়। এখানে মসজিদে প্রার্থনারত লোকজনকে বোমা, বুলেটে (bombs, bullets) প্রাণ হারাতে হয় না, মেয়েদেরও স্কুলে যেতে বাধা দেওয়া হয় না। তাদের মাথা, পা কেটে নেওয়া  হয় না।

আরও পড়ুন—কলকাতায় রোবোটিক সার্জারিতে বড় সাফল্য, হাঁটু প্রতিস্থাপনে বিপ্লব ঘটাচ্ছে সিএমআরআই

ভারত ও আফগানিস্তানের শাসন ব্যবস্থাই আলাদা বলে উল্লেখ করেন নকভি, বলেন, তালিবান এ দেশের মুসলিমদের কথা না বললেই ভাল। ভারতের মুসলিমদের রেহাই দিতে হাত জোড় করে ওদের আবেদন করছি।

কয়েকদিন আগেই বিবিসিকে   দেওয়া সাক্ষাত্কারে তালিবান মুখপাত্র সুহেইল শাহিন বলেন, মুসলিম হিসাবে কাশ্মীরের, ভারত বা অন্য যে কোনও দেশের মুসলিমদের ব্যাপারে কথা বলার অধিকারও আমাদের আছে। যদিও শাহিনের উল্টো সুরে এক সাক্ষাত্কারে আরেক তালিবান নেতা আনাস হাক্কানিকে বলতে শোনা যায়, কাশ্মীর আমাদের এক্তিয়ারে নেই। সেখানে হস্তক্ষেপ করা আমাদের নীতির পরিপন্থী। জবিউল্লাহ মুজাহিদ নামে আরেক তালিবান মুখপাত্রও সরাসরি কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের কোনও উল্লেখ না করে পাকিস্তানের একটি চ্যানেলকে বলেন, সব বকেয়া বিরোধ মিটিয়ে নিতে  আলোচনায় বসা উচিত ভারত, পাকিস্তানের।

কিন্তু শাহিনের মন্তব্যে ভারতের নানা মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তালিবান কাশ্মীরে অশান্তিতে নয়া মাত্রা যোগ করতে পারে, আশঙ্কা রয়েছে। যদিও বিদেশসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা শুক্রবারই জানান, তালিবানের সঙ্গে যে সামান্য যোগাযোগটুকু নয়াদিল্লির হয়েছে, তাতে নয়া  আফগান শাসকরা ইঙ্গিত দিয়েছে, ভারতের উদ্বেগ তারা যুক্তিসঙ্গত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার করবে। ওয়াশিংটন  ডিসিতে তিনদিনের সরকারি সফরে সাংবাদিকদের শ্রিংলা বলেন, স্পষ্টতঃই আমাদের মতো ওরাও পরিস্থিতির ওপর সাবধান হয়ে নজর রাখছে। পাকিস্তানের দিকেও কঠোর নজর রাখতে হবে আমাদের। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি কোনদিকে এগয়, ভারতের সেই অপেক্ষায় থেকে খেয়াল রাখার পলিসি নিয়ে চলবে, সেটাই বুঝিয়ে দেন তিনি।

 

 

You might also like