এখনও দাপুটে ব্যাটিং করে চলেছে হাওয়াই মিঠাই

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: না,খাবারটির সঙ্গে হাওয়াই দ্বীপের কোনও সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক আছে হাওয়ার সঙ্গে। এ হাওয়া মানে বাতাস নয়, উধাও হয়ে যাওয়া। এই আছে, এই নেই। খেলাম কি খেলাম না বোঝা যাবে না। চোখ বলছে খেয়েছি, জিভ বলছে খেয়েছি, কিন্তু পেট বলছে, কই খেলে?


হ্যাঁ, আমি বলছি হাওয়াই মিঠাই ওরফে বুড়ির চুল ইয়ানি কটন বলের কথা। রঙিন মেঘের মিষ্টি মিষ্টি টুকরোর মতো দেখতে। মুখে দিলেই যেন মিলিয়ে যায় হাওয়ায়। তাই বুঝি এই বস্তুটির নাম হাওয়াই মিঠাই। ছোট-বড় সবারই কম-বেশি পছন্দের একটা খাবার। গ্রাম বাংলা থেকে ঝাঁ চকচকে শহর, বাংলার হেন মেলা-মোচ্ছব নেই যেখানে হাওয়া মিঠাই মিলবে না। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে কত্ত খাবার হারিয়ে গিয়েছে। কেউ কেউ টুপ করে একদিন হারিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। কিন্তু শত্তুরের মুখে ছাই না দিয়ে হাসি ফুটিয়ে ব্যাটিং করে যাচ্ছে হাওয়া মিঠাই।
কী এই হাওয়াই মিঠাই? কেনই বা এটা হাওয়ায় মিলিয়ে যায়? কে প্রথম বানালো এই অদ্ভুত খাবারটি ?

হাওয়াই মিঠাইয়ের প্রচলন নিয়ে নানা মুনির নানা মত। তবে সম্ভবত ১৫০০ সাল নাগাদ ইতালিতে খাবারটির প্রচলন হয়। প্রথমদিকে বাড়িতে চিনির রস ঘন করে বিশেষ পদ্ধতিতে ঘরোয়াভাবে হাওয়াই মিঠাই তৈরি করা হতো। তারপর ব্যবসায়িক দিক থেকে হাওয়া মিঠাই-এর সফল হওয়ার বিপুল সম্ভাবনা আঁচ করে ১৮৯৭ সালে উইলিয়াম মরিসন ও জন সি ওয়ারটন হাওয়াই মিঠাই তৈরির মেশিন আবিষ্কার করেন। ১৯০৪ সালে মরিসন ও ওয়ারটন তাঁদের আবিস্কৃত মেশিন নিয়ে যান সেন্ট লুইসের বিশ্ব মেলায়। মেলায়, প্রথম দিনেই ৬৮ হাজার ৬৫৫ বাক্স হাওয়াই মিঠাই বিক্রি হয়ে যায়। এর পর আর হাওয়া মিঠাইকে ফিরে তাকাতে হয়নি। কয়েক বছরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে।
আমরা ভারতে বা বাংলাদেশে সাধারণত গোলাপি বা সাদা রঙের হাওয়াই মিঠাই দেখি। এটা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রঙের হয়।যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যত পরিবর্তনই আসুক না কেন রসনায়, বিশ্বের রসনায় মিলিয়ে যাওয়া সোনার হরিণ হয়েই থাকবে হাওয়া মিঠাই। তাই, হাওয়া মিঠাই যুগ যুগ জিও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More