কীসের আকর্ষণে শয়ে শয়ে পাখি উড়ে এসে আত্মহত্যা করে আসামের জাটিঙ্গা গ্রামে!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    রূপাঞ্জন গোস্বামী

    আসামের ডিমা হাসাও জেলার হাফলং থেকে ২০ কিমি দূরে আছে জাটিঙ্গা নামে এক রহস্যময় গ্রাম। প্রতিবছর অগস্ট থেকে অক্টোবর মাসের কোনও কোনও রাতে এই গ্রামে ঘটে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা, বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা মেলে না। নিশ্ছিদ্র অন্ধকার রাতে শয়ে শয়ে পাখি উড়ে আসে জাটিঙ্গা গ্রামের দিকে। যেমন আগুন দেখে মরবার জন্য ছুটে আসে পতঙ্গের দল।

    পাখিগুলি উড়তে উড়তে গ্রামের আকাশে এসে হতচকিত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। অনেক পাখি এলোমেলো ভাবে গ্রামের ওপর পাক খায়। মাটিতে পড়ে যাওয়া পাখিগুলিকে সহজেই ধরে ফেলে গ্রামবাসীরা। খুব নীচে দিয়ে উড়তে থাকা পাখিগুলিকে গ্রামবাসীরা বাঁশ দিয়ে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে মারে। সারা বিশ্ব আজ ‘Bird Mystery of Jatinga’ নামে চেনে এই মর্মান্তিক ঘটনাটিকে।

    রহস্যময় জাটিঙ্গা উপত্যকা

    ঘটনার শুরু ১৯০৫ সালে

    ১৯০৫ সাল নাগাদ জাটিঙ্গা গ্রামটিতে বাস করতেন একদল নাগা। সে বছর বর্ষার শেষে এক অমাবস্যার রাতে হারিয়ে যাওয়া  একটা মোষ খুঁজতে বেরিয়েছিল নাগারা। মশাল জ্বালিয়ে বরাইল পর্বতশ্রেণীর জাটিঙ্গা গিরিশিরার একটি অংশে নাগারা পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মিশকালো আকাশ থেকে নাগাদের ওপর শুরু হয়েছিল পাখি বৃষ্টি।

    ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি ঝাঁপিয়ে পড়ছিল তাদের ওপর। কুসংস্কারছন্ন নাগারা ভেবেছিল এটা কোনও অশুভ আত্মার কারসাজি। মোষের মায়া ত্যাগ করে তারা ছুটেছিল গ্রামের দিকে। কয়েক মাসের মধ্যে গ্রাম ছেড়ে নাগারা পালিয়েছিল নতুন ঠিকানার খোঁজে।

    যে পথ ধরে নাগারা এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছিল, সেই একই পথে বসতির জন্য উপযুক্ত জায়গার খোঁজে আসছিল  মেঘালয়ের একদল ‘নার’ আদিবাসী। মাঝপথে মেঘালয়ের আদিবাসীদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল নাগাদের। নাগারাই জাটিঙ্গা গিরিশিরায় তাদের ফেলে আসা গ্রামের খবর দেয় নার আদিবাসীদের। বলে অশুভ ঘটনাটিও।

    নার আদিবাসীরা তখন সবে খ্রিস্টান হয়েছিল, কিছুটা মুক্ত হয়েছিল কুসংস্কার থেকে। তাই তারা নাগাদের কাছ থেকে কাহিনিটি শুনেও বিশ্বাস করেনি বরং নাগাদের ফেলে আসা গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।

    ১৯১০ সাল নাগাদ এই আদিবাসীরা আবিষ্কার করে, এই রহস্যময় ঘটনাটি প্রতিবছরে কেবলমাত্র আগস্ট থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে দেখা যায়। তাও আবার নির্দিষ্ট কিছু আবহাওয়ায়। এবং পাখিদের চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে গ্রামবাসীদের জ্বালানো আগুন।

    তারপর থেকে প্রত্যেক বছর এই তিনমাস চাঁদহীন রাতে গ্রামবাসীরা লন্ঠন ঝুলিয়ে রাখত পাখি ধরার জন্য। গ্রামে যেন উৎসব লেগে যেত এই মাসগুলিতে। পাখি ধরা ও পাখিদের মাংস খাওয়া চলত জমিয়ে।

     পৃথিবীর কাছে  ঘটনাটি লুকিয়েছিল ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত

    ব্রিটিশ চা ব্যবসায়ী ও পক্ষীবিশারদ E.P.Gee ঘটনাটি জানতে পেরে এসেছিলেন জাটিঙ্গাতে। সেখানে তিনি বেশ কিছু মাস থাকেন, পাখিদের আত্মহত্যা নিজের চোখে দেখেন এবং নোটবুকে লিখে রাখেন বিভিন্ন তথ্য। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত গি সাহেবের বই The Wildlife of India থেকে পৃথিবী জানতে পারে জাটিঙ্গা রহস্যের কথা। ।

    গি সাহেব লিখেছিলেন, বছরের নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট কিছু ধরণের আবহাওয়া ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য একসাথে গ্রামে দেখা গেলে তবেই গ্রামের আকাশে উড়ে আসে পাখিরা। তিনি জানিয়েছিলেন,

    ●পাখিরা মরবার জন্য উড়ে আসে আগস্টের ১৫ তারিখ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বর মাস ঘটনাটি ঘটার  পক্ষে সবচেয়ে আদর্শ।

    ● রাতটিকে হতে হবে নিশ্ছিদ্র অন্ধকারযুক্ত ও চাঁদহীন। পরিবেশ কুয়াশাচ্ছন্ন বা আকাশ মেঘলা হতে হবে। অল্প বৃষ্টি হলে ভাল হয়।

    ● সেই রাতে বাতাসের অভিমুখ হতে হবে দক্ষিণ থেকে উত্তরে।

    ● পাখি ধরার জন্য সেই রাতে জ্বালানো আলোগুলি উজ্বল ও গোলাকার হতে হবে। গাড়ির আলো বা টর্চের মতো নির্দিষ্ট দিকে সরল রেখায় যাওয়া আলো হলে চলবে না।

    ● পাখিদের আসার জায়গাটি খোলা মেলা হতে হবে।

    ●পাখিদের আসার আদর্শ সময় সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত দশটা।

    গি সাহেব লিখেছেন, এমন আদর্শ পরিস্থিতিতে পাখিরা গ্রামবাসীদের বাড়িতেও ঢুকে পড়ে। এক গ্রামবাসী নাকি এক রাতে ২০০টি পাখি মেরেছিলেন। গিয়ের বই প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

    এই সেই জাটিঙ্গা গ্রাম

     জাটিঙ্গা রহস্য নিয়ে গবেষণা শুরু করেন ডঃ সুধীন সেনগুপ্ত

    জাটিঙ্গাতে ১৯৭৭ সালে আসেন জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পক্ষীবিশেষজ্ঞ ডঃ সুধীন সেনগুপ্ত। জাটিঙ্গা গ্রামে তিনি আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ছিলেন। তিনি তাঁর পর্যবেক্ষণ শেষে লিখেছিলেন “শয়ে শয়ে পাখি আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে।  পাখিগুলিকে দেখে উদভ্রান্ত, হতবুদ্ধি, হতচকিত, কিংকর্তব্যবিমূঢ় লাগছিল। ধরা পড়ার পর খুব কম পাখিই পালাবার চেষ্টা করেছিল। এমনকি সেগুলিকে ছেড়ে দেওয়ার পরেও তারা পালাচ্ছিল না, দেওয়া খাবার তারা খাবার খাচ্ছিল না।”

    সব তথ্য একত্রিত করে সেনগুপ্ত সাহেব আমেরিকা, ইউরোপ ও জাপানের পক্ষীবিশারদদের সঙ্গে চিঠি চালাচালি করেন। কিন্তু কেউই কেন এই রহস্যময় ঘটনাটি ঘটে তার সপক্ষে কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। কিন্তু নাছোড়বান্দা সেনগুপ্ত সাহেব তারপর থেকে প্রতিবছর ফিরে গিয়েছিলেন জাটিঙ্গাতে। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছিলেন।

    ডঃ সুধীন সেনগুপ্ত

    ডঃ সুধীন সেনগুপ্তর অনুমান

    জাটিঙ্গা রহস্যের পিছনে লুকিয়ে আছে আবহাওয়া ও বায়ুচাপের আকস্মিক পরিবর্তন, ভূ-চুম্বক, মাধ্যাকর্ষণ টান ও উপত্যকার বায়ুমণ্ডলের বৈদ্যুতিক গোলযোগ।

    তাঁর মতে, জাটিঙ্গা গিরিশিরার পাথরে থাকা উচ্চ চুম্বকশক্তিযুক্ত খনিজ পদার্থ, উপত্যকার নীচে থাকা  Halflong-Disang fault নামের ভৌগলিক ফাটল এবং বর্ষার পর মাটিতে বেড়ে যাওয়া জলের স্তর, এই তিনটি বৈশিষ্ট্য একত্রিত হয়ে এলাকাটির মাধ্যাকর্ষণ ও চুম্বকশক্তির অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় গিরিশিরার অত্যন্ত খামখেয়ালি আবহাওয়া।

    এ সবের প্রভাব পড়ে পাখিদের স্নায়ুতন্ত্রর ওপর। ওই রাতগুলিতে পাখিদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তারা চঞ্চল হয়ে ওঠে, ভয় পেয়ে রাতের আঁধারে উড়তে শুরু করে। একে রাতে উড়তে তারা অভ্যস্ত নয় তার ওপর জাটিঙ্গা গিরিশিরার চৌম্বকত্বের পরিবর্তন পাখিদের ভেতরে থাকা বায়ো-কম্পাসকে বিকল করে দেয়। এলোমেলো ভাবে উড়তে উড়তে পাখিরা গ্রামবাসীদের জ্বালানো আলো দেখে আকৃষ্ট হয়ে উড়ে যায় জাটিঙ্গা গ্রামের দিকে।

    পাখিদের বাঁচাতে জাটিঙ্গায় আসেন ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার এইচ.পি. ফুকন

    তিনি গ্রামের প্রান্তে দাঁড় করিয়ে দেন একটি উঁচু ইস্পাতের টাওয়ার , যার নীচে লাগানো হয় শক্তিশালী ইলেকট্রিক লাইট। তিনি ভেবেছিলেন পাখিরা আলো দেখে আকর্ষিত হয়ে গ্রামকে এড়িয়ে টাওয়ারের দিকে আসবে। বেঁচে যাবে গ্রামবাসীদের হাত থেকে।
    সামান্যই সাফল্য পেয়েছিল ফুকন সাহেবের এই পরীক্ষা। সামান্য কিছু পাখি টাওয়ারের আলোতে আকর্ষিত হলেও বেশির ভাগ পাখিই গ্রামেই নামছিল। ফুকন সাহেব দেখেছিলেন আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা। যেসব পাখি টাওয়ারের আশেপাশে ধরা পড়ছিল কোনও রহস্যময় শক্তির প্রভাবে তারাও বাঁচছিল না। খাবার না খেয়ে স্বেচ্ছায় তারা মারা যাচ্ছিল ।

    ডঃ সেনগুপ্ত ও ফুকনের দেওয়া কিছু তথ্য রহস্যের কুয়াশা আরও ঘন করে দিয়েছিল

    ● পাখিরা পুরো জাটিঙ্গা গিরিশিরার প্রতি আকৃষ্ট হয় না। মাত্র দেড় কিলোমিটার লম্বা ও ২০০ মিটার চওড়া একটি নির্দিষ্ট এলাকাতেই তারা সম্মোহিতের মতো উড়ে আসে। এখানেই প্রশ্ন ওঠে, এই সংকীর্ণ এলাকার বাইরে এই আশ্চর্যজনক ঘটনা দেখা যায় না কেন? মাত্র দু’ কিমি দূরে থাকা একটি গ্রামের বাসিন্দারা বহুবছর ধরে আলোর ফাঁদ পেতে পাখি ধরার চেষ্টা করে আসছিল। সেই গ্রামকে পাখিরা উপেক্ষা করে কেন?

    ● জাটিঙ্গা গিরিশিরার উত্তর ও দক্ষিণের পরিবেশ, জঙ্গল ও গাছে থাকা পাখির সংখ্যা প্রায় এক। কিন্তু মরবার জন্য জাটিঙ্গা গ্রামে উড়ে আসে কেবলমাত্র গিরিশিরার উত্তরে বসবাসকারী পাখিরা। দক্ষিণের পাখিরা গ্রামে উড়ে আসেনা কেন?

    ●ডঃ সেনগুপ্ত ও ফুকন সাহেব  গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়া প্রায় ৩৮ টি প্রজাতির পাখির নাম লিপিবদ্ধ করেন। গ্রামে  ধরা পড়া সবকটি প্রজাতির পাখিই স্থানীয়। গ্রামটির ১০~১৫ কিমির মধ্যে পাখিগুলি বাস করে।

    এদের মধ্যে আছে hill partridge,  green pigeon, bitterns, emerald dove, tiger bittern, black bittern, little egret, pond heron, Indian pitta, kingfisher, necklaced laughingthrush, black drongo,  moorhen ও আরও অনেক পাখি।

    এখানেই লুকিয়ে আছে এক চাঞ্চল্যকর ও অমীমাংসিত ধাঁধা।  কিছু পাখি, যেমন grouse, hornbill  imperial pigeon আশেপাশের জঙ্গলে থাকলেও কোনওদিন এরা ওই সব ভয়ঙ্কর রাতে জাটিঙ্গা গ্রামে উড়ে এসে ধরা পড়েনি। এমনকি গ্রামে ধরা পড়েনি ময়না চড়াইয়ের মতো সহজলভ্য স্থানীয় পাখিও।

    প্রশ্ন হল, কিছু স্থানীয় পাখি মরবার জন্য উড়ে আসছে, কিন্তু কিছু পাখি একই জায়গায় থেকেও গ্রামের দিকে উড়ে আসছে না কেন ? ভূ-চুম্বক, মাধ্যাকর্ষণ টান ও উপত্যকার বায়ুমণ্ডলের বৈদ্যুতিক গোলযোগ ও আবহাওয়ার প্রভাব তো সব পাখির ওপরই সমানভাবে পড়ার কথা। এর কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি।

    ● বিজ্ঞানীদের অবাক করেছে আরেকটি তথ্য, ধরা পড়া সব প্রজাতির পাখিই দিনের বেলায় ওড়ে। রাতে বাসায় থাকে। নিশাচর পাখিরা জাটিঙ্গায় ধরা পড়ে না কেন?

    বিভিন্ন পক্ষী বিশেষজ্ঞ দিয়েছিলেন তাঁদের মতামত

    পৃথিবী বিখ্যাত পক্ষী বিশেষজ্ঞ ডঃ সেলিম আলি বলেছিলেন, ” দিনের বেলায় সক্রিয় থাকা স্থানীয় পাখি, যারা সন্ধ্যাবেলাতেই  ঘুমিয়ে পড়ে। তারা কীভাবে ঘুম থেকে উঠে একসঙ্গে উড়ে যায়, এটাই সবথেকে বড় ধাঁধাঁ। বিভিন্ন দিক থেকে গভীরতর গবেষণা প্রয়োজন। তবে বাইরে থেকে জাটিঙ্গায় গিয়ে রহস্য উদঘাটন করা কঠিন। গবেষণা করতে হলে ওখানেই বছরের পর বছর থেকে গবেষণা করতে হবে।”

    আসামের সুপরিচিত পক্ষীবিশারদ আনোয়ারউদ্দিন চৌধুরী  তাঁর বই The Birds of Assam এ লিখেছেন পাখিগুলি মূলত কমবয়সী এবং ওড়ার ব্যপারে অনভিজ্ঞ। গিরিশিরার ওপর দিয়ে বয়ে চলা বাতাসে উড়তে না পেরে হতভম্ব হয়ে পড়ে। আলো দেখে গ্রামে উড়ে আসে ও ধরা পড়ে।

    দামী কথাটা বলেছিলেন ডঃ সুধীন সেনগুপ্তই

    তিনি বলেছিলেন, জাটিঙ্গা রহস্য উন্মোচনের পথে তিনি সামান্য এগিয়েছিলেন, এখনও অনেক পথ চলা বাকি, তার জন্য দরকার ornithologists, geologists, geophysicists, weather experts দের একত্রিত ও নিরবিচ্ছিন্ন গবেষণা। তবে হবে রহস্যের যবনিকা পতন।

    অন্যদিকে পাখিদের মৃত্যু রুখতে গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াবার চেষ্টা করেছিলেন ফুকন সাহেব। ‘বার্ড ওয়াচার’ ক্লাব তৈরি করেছিলেন জাটিঙ্গা গ্রামের তরুণদের  নিয়ে। তাদের জঙ্গলে ক্যাম্পিং-এ নিয়ে গিয়ে পাখি চিনিয়েছিলেন। পরিবেশে পাখির প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়েছিলেন। ফলে পাখি মারার হার কমে এসেছে।

    তবে জাটিঙ্গা গ্রামে পাখির আসার হার কমেছে গত কয়েক বছরে। কিন্তু তা নিছকই বৃক্ষনিধন ও পরিবেশ দূষণ জন্য। কিন্তু আজও জাটিঙ্গা গ্রামটির দূর্গম অবস্থানের সুযোগ নিয়ে গ্রামবাসীরা পাখি মেরে চলেছেন।

    সবশেষে বলা যায়, জাটিঙ্গা রহস্য যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই আছে। কীসের আকর্ষণে প্রায় এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে পাখিরা আত্মাহুতি দিয়ে চলেছে মানুষের লোভের আগুনে, তার সন্ধান মেলেনি। জাটিঙ্গা রহস্য উন্মোচনে উদাসীনতা কার, মেলেনি তার উত্তরও।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More