মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭

ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্য্য, রণাঙ্গন কার্গিলের এক বিস্মৃত শহিদ

রূপাঞ্জন গোস্বামী

১৯৯৯ সালের মে মাস।  ভারতীয় সেনাদের গত শীতে প্রবল তুষারপাতের জন্য ছেড়ে আসা কার্গিলের পাহাড়চূড়ার পোস্টগুলি দখল করে নিয়েছিল পাক সেনা ও সন্ত্রাসবাদীরা। পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য ছিল ১ডি জাতীয় সড়ককে দখল করে লাদাখকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। এবং নির্বিঘ্নে ভারতের সিয়াচেন গ্লেসিয়ার দখল করে নেওয়া।

ফলে শ্রীনগর থেকে ২০৫ কিলোমিটার দূরে, লাদাখের লেহ যাওয়ার পথে, আপাত শান্ত গ্রাম কার্গিল হয়ে উঠল এক রক্তক্ষয়ী রণাঙ্গণ। পাক হানাদারদের গুঁড়িয়ে দিতে শুরু হল ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন বিজয়’।

অপারেশন বিজয়

বরাহনগরের ‘বাবু’

প্রায় ছ’ফুট লম্বা, ফর্সা ছিপছিপে চেহারার বাবু বরাহনগরের ছেলে। ভালো নাম কণাদ ভট্টাচার্য্য। আয়কর বিভাগের অফিসার  কমলাকান্ত ভট্টাচার্য্যের ছেলে। ছোট বেলা কেটেছিল শ্যামবাজারের কাছে টালা ট্যাঙ্ক এলাকাতে। পড়াশুনো করেছেন  সেন্ট জেমস স্কুল ও পরে জয়পুরিয়া কলেজে।

ছাত্র জীবনে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলতেন। কলকাতার ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের প্রথম ডিভিশনে খেলেছেন। একই সঙ্গে ক্যারাটেতে ব্ল্যাক বেল্ট। পাড়ায় কেউ সমস্যায় পড়েছেন শুনলে, সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়তেন বাবু।

ছোট বেলা থেকেই ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। একদিন সত্যিই তাঁর স্বপ্নকে ছুঁয়েছিলেন কণাদ । সেনাবাহিনীর অফিসার ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে সেনাবাহিনীর অন্যতম পুরোনো ও ঐতিহ্যশালী  ৮ শিখ রেজিমেন্টে যোগ দিলেন ১৯৯৯ সালের শুরুতে। সার্ভিস নাম্বার এসএস-৩৭৮১৮, কণাদের বয়েস তখন মাত্র ২৩।

ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্য্য

সে বছর মার্চ মাসে পাঠানকোটে যাওয়ার আগে কলকাতার বাড়িতে ফিরেছিলেন কণাদ। আনন্দের ঢেউ লেগেছিল বাড়িতে এবং পাড়ায়। বাবা কমলাকান্ত, মা পূর্ণিমা, দুই বোন জবা আর পূর্বা ও অন্যান্য আত্মীয়দের নিয়ে দারুণ কেটেছিল কয়েকটা দিন। প্রিয় বন্ধুদের বালিগঞ্জের রেস্তোরাঁয় নিয়ে গিয়ে ট্রিটও দিয়েছিলেন কণাদ। 

তারপর একদিন, সকলের থেকে বিদায় নিয়ে রেজিমেন্টে ফিরলেন কণাদ, প্রথম পোস্টিং হল কাশ্মীরে। যেখানে মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বেজে উঠেছিল রণদামামা। মিষ্টি চেহারার কণাদ জাতীয় পতাকাকে স্যালুট করে হাতে তুলে নিয়েছিলেন রাইফেল আর গ্রেনেড।

টাইগার হিলের শিখর দখল করেছে পাকিস্তানি সেনা

কার্গিলের বিভিন্ন ফ্রন্টে শুরু হয়ে গিয়েছিল অপারেশন বিজয়। কণাদের ইউনিটকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েহিল লাইন অফ কন্ট্রোল এলাকায়। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে জানা গিয়েছিল পাকিস্তানি সেনা ও সন্ত্রাসবাদীরা দখল করে নিয়েছে ১৬,৬০৮ ফুট উঁচু টাইগার হিল।

কারণ, কৌশলগত দিক থেকে টাইগার হিলের অসীম গুরুত্ব ছিল পাকিস্তানের কাছে। কার্গিল এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর গতিবিধি বোঝার আদর্শ জায়গা হল টাইগার হিল বা পয়েন্ট-৪৬৬০। তাই, ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই, পাকিস্তান তাদের নর্দার্ন লাইট ইনফ্যান্ট্রির ক্যাপ্টেন শের খানকে পাঠিয়ে দেয় টাইগার হিল আধিপত্য কায়েম রাখতে।

ক্যাপ্টেন শের খানের নেতৃত্বে পাক সেনা ত্রিস্তরীয় রক্ষণব্যবস্থা গড়ে তুলছিল টাইগার হিলে। তিনটে স্তরের সাংকেতিক নাম ছিল 129 A, B এবং C।  টাইগার হিলের পাঁচ জায়গায় নিজেদের বাঙ্কার পর্যন্ত বানিয়ে নিয়েছিল পাকিস্তান।

টাইগার হিল

টাইগার হিল দখলমুক্ত করতে আসে ৮ নং শিখ রেজিমেন্ট

১৪ই মে, টাইগার হিল পুনরায় দখলের দায়িত্ব দেওয়া হলো ৮ নং শিখ রেজিমেন্টকে। শত্রুর সেনা ও সন্ত্রাসবাদীদের সংখ্যা, তাদের অস্ত্র ভাণ্ডার ও রসদের পরিমাণ সম্পর্কে কোনও তথ্যই ছিল না ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে।

৮ নং শিখ রেজিমেন্ট প্রথমে মনে করেছিল, কয়েকজন পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী টাইগার হিলের চূড়া কব্জা করে বসে আছে। এবং সেখান থেকে মাঝে মাঝে হেভি মেশিনগান থেকে গুলি ছুঁড়ছে নীচে ভারতীয় সেনার ওপর।

শত্রুর পোজিশন দেখতে ৮ শিখ রেজিমেন্টের একটি প্ল্যাটুন তাদের বেসক্যাম্প ছেড়ে টাইগার হিলের দিকে এগোতে শুরু করেছিল। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন সুবেদার যোগীন্দর সিং। টাইগার হিলের নীচে পৌঁছনোর আগেই ওপর থেকে ছুটে আসতে লাগলো ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি। আচমকা গুলিবৃষ্টিতে সে দিন শহিদ হয়েছিলেন হলেন যোগীন্দর আর ল্যান্স নায়েক রণজিৎ সিং।

পাকসেনারা ঘাঁটি গেড়েছিল সুবিধাজনক উচ্চতায়

ভারতীয় সেনা বুঝতে পারলো, রীতিমতো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। নিয়ে এসেছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ভেতর দিয়ে লাইন অফ কন্ট্রোল পর্যন্ত তৈরি করে ফেলেছে সাপ্লাই লাইন।

টাইগার হিলের পূর্ব দিকে একটি খাড়া পাহাড় আছে, তার নাম ইস্টার্ণ স্পার, পশ্চিমেও আছে আরেকটি একটা খাড়া পাহাড় যার নাম ওয়েস্টার্ন স্পার। এছাড়াও টাইগার হিলকে ঘিরে আছে আরও কিছু পাহাড় চূড়া যেমন ইন্ডিয়া গেট, রকি নব ও হেলমেট। যার সবগুলির চূড়া কব্জা করে আছে পাকিস্তানি সেনা। এই সব পাহাড়গুলিকে হানাদারদের দখলমুক্ত করতে গেলে আগে দখল করতে হবে টাইগার হিল।

কিন্তু টাইগার হিল দখল করতে গেলে, অন্যান্য পাকিস্তানি পোস্ট থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে টাইগার হিলের চূড়াকে। তার জন্য ওই সব পাকিস্তানি পোস্ট গুলোর মধ্যের যোগাযোগের রাস্তা দখল করতে হবে ৮ শিখ রেজিমেন্টকে। যাতে টাইগার হিলে রসদের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়।

বলিদানের আগে এই হাসি হাসতে পারেন ভারত মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তানরাই

২১ মে ১৯৯৯

২১ মে, ৮ শিখের কম্যান্ডোরা ছোট ছোট কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে, বিভিন্ন  দিক থেকে টাইগার হিলের শিখরে ওঠার অভিযান শুরু করেছিল। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে শত্রুকে নিকেশ করতে করতে এগোবে ঘাতক বাহিনী। টাইগার হিলকে অন্যান্য পাহাড় থেকে বিচ্ছিন্ন করার মরণপণ চেষ্টা করবে।

প্রবল ঠাণ্ডা ও অবিরাম তুষারপাতের মধ্যে আট জনের দল নিয়ে শিখরের দিকে এগিয়ে চলেছিলেন ৮ নং শিখ রেজিমেন্টের অকুতোভয় তরুন বাঙালি ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্য্য। প্রকৃতির অদ্ভুত খেয়ালে একই সঙ্গে শুরু হয়েছে বৃষ্টিও। গিরিশিরাটি বরফে ঢাকা। একটু পা পিছলে গেলেই পড়ে যেতে হবে কয়েকশো ফুট নিচে। নিশ্চিত মৃত্যু।

কিন্তু তবুও পর্বতারোহীদের মত কোমরে রোপ বেঁধে আরোহণ করার উপায় নেই। কারণ এটা রণাঙ্গন। পর্বত শৃঙ্গে আরোহণ করার আনন্দ পেতে ওঁরা আসেননি। নিজের দেশের পর্বত শৃঙ্গে ওঁৎ পেতে বসে থাকা শত্রু সেনাকে গুঁড়িয়ে দিয়ে দেশকে হানাদারদের কবল মুক্ত করার গুরুদায়িত্ব আজ কণাদদের কাঁধে।

অত্যন্ত সংকীর্ণ এই গিরিশিরাটি পার হলেই কৌশলগত দিক থেকে বাঙ্কারের পক্ষে আদর্শ একটি চ্যাটালো ও সুরক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারবেন কণাদ। সেখান থেকে টাইগার হিলের শিখরে অতর্কিতে আক্রমণ শানানো অনেক সুবিধা হবে। খারাপ আবহাওয়ার সুবিধা নিয়ে, ঘন কুয়াশা আর তুষারপাতের মধ্যে দিয়ে চিতাবাঘের ক্ষিপ্রতায় এগিয়ে চলেন কণাদ, তাঁর টিম নিয়ে।

টিমের সিপাহী মেজর সিং এগিয়ে গিয়ে দেখে আসেন শত্রু সেনা ভারী অস্ত্রশত্র নিয়ে তাদের দিকেই নেমে আসছে। অপরদিকে পাক সেনার বাইনোকুলারের ভিউ ফাইন্ডারে ধরা পড়েছিল, উত্তর-পূর্ব গিরিশিরায় বুকে হেঁটে নিঃশব্দে উঠে আসছে একদল ভারতীয় চিতা।

কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে গর্জে উঠেছিল অজস্র পাক হানাদারের হাতের একে-৪৭ থেকে শুরু করে লাইট মেশিনগান। গুলির আঘাতে ঠিকরে ওঠে বরফের তলায় টুকরো হয়ে যাওয়া পাথর। গুলির বেগেই ছুটে আসতে থাকে কণাদদের দিকে। অতর্কিত আক্রমণে টিম নিয়ে কিছুটা পিছিয়ে আসেন কণাদ।

ক্যাপ্টেন কণাদ বুঝতে পারেন এভাবে সকলে একসঙ্গে এগো্তে থাকলে সকলের মৃত্যু নিশ্চিত। টাইগার হিলের চূড়া কব্জা করার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে। তাই শত্রুকে মরণকামড় দেওয়ার জন্যই নিজের দলকে দুই ভাগে ভাগ করলেন কণাদ। একটির  নেতৃত্ব দেবেন কণাদ নিজে। অন্যটির নেতৃত্বে থাকবেন সিপাহী মেজর সিং।

ছুটছে গুলি, চলছে মাতৃভূমি রক্ষার লড়াই

নিজেদের দল নিয়ে  বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন ক্যাপ্টেন কণাদ আর সিপাহী মেজর সিং। দু’দিক থেকে দুটি দল এগোতে লাগল টাইগার হিল শিখরের দিকে। প্রচুর পরিশ্রম করে, অনেকটা ঘুরপথে, কিন্তু অবিচল লক্ষ্য নিয়ে।

গুলিবৃষ্টি করতে করতে এগিয়ে চলেছিলেন রুদ্র্মূর্তি ধারণ করা ক্যাপ্টেন কণাদ। নিচে নেমে আসতে আসতে থমকে গিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদারেরা। শত্রুপক্ষকে এক পা এগোতে দেয়নি ক্যাপ্টেন কণাদের সেলফ-লোডিং রাইফেল। অবিশ্বাস্যভাবে নিজের অবস্থান কয়েকঘণ্টার জন্য ধরে রেখেছিলেন ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্য্য

কিন্তু ভাগ্যদেবতা ছিলেন বিরুপ, ক্রমশ পাতলা হয়ে যাচ্ছিল কুয়াশা, থেমে গিয়েছিল তুষারপাত। আশপাশের পাহাড় চূড়াতে বসে থাকা পাকিস্তানি  স্নাইপারদের রাইফেলের পাল্লায় চলে আসছিল কণাদদের টিম। এরই মধ্যে আবার নতুন ভাবে আক্রমণ শুরু করেছিল পাক হানাদারেরা। বিভিন্ন পাহাড় থেকে ছুটে আসতে থাকে মৃত্যুর ঠিকানা লেখা বুলেট।

বরানগরের বাবুর শরীরে একে একে বিঁধতে থাকে অগুন্তি বুলেট। বুলেটের ক্ষতগুলি থেকে টাইগার হিলের সাদা বরফে নিঃসাড়ে ঝরে চলে অপরাজেয় এক বাঙালির রক্ত। বিনয় বাদল দিনেশ বাঘাযতীনের যোগ্য উত্তরসূরীর রক্ত। একসময় টাইগার হিল শিখরের দিকে চেয়ে বরফের ওপর লুটিয়ে পড়েন ২৩ বছরের  শহিদ, কাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্য্য।

তখন বরাহনগরে

২০ মে শেষবারের মতো কথা বলেছিলেন বাবা মায়ের সঙ্গে, খোঁজ নিয়েছিলেন বোনদের। ২১ মে বিকেলের পর থেকে কণাদের আর কোনও খবর পায়নি পরিবার। যুদ্ধে জিতে মা পূর্ণিমাদেবীর হাতে মেডেল তুলে দেবেন বলেছিলেন কণাদ। কিন্তু ২১ মে সেনাবাহিনীর তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল শিখ রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন কণাদ নিখোঁজ। একরাশ উদ্বেগ নিয়ে রাতের পর রাত কাটিয়েছে ভট্টাচার্য্য পরিবার। 

১৫মে কাকসার সেক্টর থেকে পাকিস্তানিরা ধরে নিয়ে যায় ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়া আর পাঁচ ভারতীয় সেনাকে। শোনা গেছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের স্কার্দুতে তাঁদের ওপর নৃশংস অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিস্তান। ক্যাপ্টেন কণাদ ও তাঁর দুই সঙ্গীকেও কি ধরে নিয়ে গেল পাকিস্তান? আশঙ্কার মেঘ জমছিল পরিবার ও পরিজনদের মনে।

ভারতীয় সেনা টাইগার হিল দখল করেছিল ১৫ই জুলাই। শুরু হয়েছিল সার্চ অপারেশন। বরফের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের নিষ্প্রাণ দেহ। ১৭ জুলাই, কফিন বন্দী হয়ে ঘরে ফিরেছিলেন ‘বাবু’৷ জন্মদিনের ঠিক ১৯ দিন আগে। তেরঙ্গায় মোড়া দেহটা সেদিন ঢেকে গিয়েছিল তাজা ফুলে। থেকে থেকেই কেঁদে উঠছিল কলকাতার আকাশ।

অমর শহিদকে নতুন প্রজন্মের কুর্নিশ

পাথর হয়ে গিয়েছিলেন মা পূর্ণিমাদেবী। ছেলের কফিনকে আঁকড়ে ধরে অস্ফুটে বলেছিলেন “তুই যে বাবা কথা দিয়েছিলি, যুদ্ধ জিতে আমায় মেডেল এনে দিবি।” উপস্থিত সকলের চোখে তখন বইছিল শ্রাবণের ধারা। স্থানুর মতো ছেলের কফিন ধরে বসেছিলেন বাবা কমলাকান্ত, শুন্য দৃষ্টিতে বলেছিলেন, “কাঁদবেন না কেউ, ও দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে, এ মৃত্যু গর্বের ।”

 সত্যিই কি মৃত্যু হয় কণাদদের মত মৃত্যুঞ্জয়ী বীরদের! মৃত্যু হয় আমাদের মতো সাধারণ মানুষের। যাদেরকে রক্ষা করতে গিয়ে কণাদরা আকাশের তারা হয়ে যান।

Comments are closed.