রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫

কে এই বৈশাখী, শোভন-বান্ধবী আগে কেমন ছিলেন, দেখুন ছবিতে ছবিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সরাসরি রাজনীতিতে এই প্রথম। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৈশাখী এর আগে রাজনীতির অঙ্গনে পা রাখেননি। তবে তাঁকে নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে কম হইচই হয়নি।

মিলি আল আমিন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করলেও তা এখনও গৃহীত হয়নি। এক সময়ে কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন ওয়েবকুটার সদস্য থাকলেও ২০১৪-তে তিনি যোগ দেন তৃণমূল প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপায়।

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য এক পরিচয়ও আছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক মনোজিত মণ্ডলের স্ত্রী তিনি। মনোজিত মণ্ডল প্রথম থেকেই বাম বিরোধী এবং তিনি ওয়েবকুপার সদস্য। কিন্তু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে ছিলেন ওয়েবকুটায়। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর মিল্লি আমিন কলেজের পরিচালন কমিটির তৎকালীন সভাপতি সুলতান আহমেদের সঙ্গে গণ্ডগোলের জেরে কলেজে ঢুকতে বাধা পান বৈশাখী। সেই সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ব্রাত্য বসু। ওয়েবকুটার পদাধিকারীরা অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ তুলেছেন যে, সেই সময় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাকরি বাঁচাতে পাশে দাঁড়িয়েছিল ওয়েরকুটা। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানো ছাড়াও, মানবাধিকার কমিশন এমন কী রাজ্যপালের কাছেও বৈশাখীর জন্য দরবার করেছিল ওয়েবকুটা।

২০১৪ সালে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ওয়েবকুটার সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে ওয়েবকুপার যোগ দেন।

ওয়েবকুপায় থাকার সময়েই তৃণমূল কংগ্রেসের পদাধিকারী মহলে তাঁর পরিচিতি বাড়তে থাকে। যোগাযোগ গড়ে ওঠে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক পদস্থ আমলা এবং মন্ত্রীর সঙ্গে।

বেশ কিছুদিন আগে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ডিলিট দিয়ে সম্মানিত করে আমেরিকার ডেলওয়ারের কেইআইএসআইই ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। সেই অনুষ্ঠানে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পাশে ছবি ছিল বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই গুঞ্জন ছড়ায় বিভিন্ন মহলে।

Comments are closed.