শনিবার, আগস্ট ২৪

কাশ্মীরে বিক্ষোভে ২০ জনের বেশি লোক জোটেনি, রয়টার্স মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছে, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে শ্রীনগরে নাকি ১০ হাজার লোক পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিছুদিন আগে এমনই রিপোর্ট দিয়েছিল বিদেশি সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ওই রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হল শনিবার।

এর আগে বালাকোটে বায়ুসেনার আক্রমণ নিয়েও বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট দিয়েছিল রয়টার্স। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলার জবাবে ভারতের বায়ুসেনা বালাকোটে জঙ্গি শিবিরে বোমাবর্ষণ করে। সেখানে জৈশ ই মহম্মদের সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি ছিল। কিন্তু রয়টার্সের রিপোর্টার বলেন, বালাকোটে কারও ঘাঁটি ছিল না। কেউ বোমাবর্ষণও করেনি। তা নিয়ে বিরোধীরা লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিকে চেপে ধরতে চেষ্টা করে। এবার কাশ্মীরে তথাকথিত বিক্ষোভ নিয়েও রয়টার্স যে রিপোর্ট দিয়েছে, তাও সরকারের বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেছেন, একটি সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, ১০ হাজার মানুষ নাকি পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। একথা মিথ্যা। শ্রীনগর ও বারামুলায় বিক্ষিপ্ত কয়েকটি বিক্ষোভ হয়েছে বটে কিন্তু কোথাও ২০ জনের বেশি তাতে অংশ নেয়নি।

রয়টার্সের খবর, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিপুল সংখ্যক মানুষ শ্রীনগরের সউরা অঞ্চলে জড়ো হন। পুলিশ আইওয়া ব্রিজের কাছে সেই ভিড় হটিয়ে দেয়। জনতার বিরুদ্ধে কাঁদানে গ্যাস ও ছররা বন্দুক ব্যবহার করা হয়। ভয়ে নারী ও শিশুরা জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছররায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁরা এখন শের-ই-কাশ্মীর হাসপাতালে ভর্তি।

কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বিলোপ করার আগে থেকেই সেখানে কড়াকড়ি শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাশ্মীরে উড়িয়ে আনা হয় ৩৮ হাজার সেনা। কাশ্মীর উপত্যকার নানা জায়গায় কার্ফু জারি হয়। তবে গত শুক্রবার মসজিদে প্রার্থনার জন্য নিষেধাজ্ঞায় কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছিল।

Comments are closed.