বৃহস্পতিবার, জুন ২০

Exclusive সুচিত্রা সেনকে আমি স্যার বলতাম: গুলজ়ার

মুম্বাইয়ের বাংলো ‘বসকিয়ানা’তে বসে গুলজ়ারের সঙ্গে তুমুল আড্ডা মেরে এলেন অর্ঘ্য দত্ত। এবারের বিষয় সুচিত্রা সেন, মেঘনা গুলজ়ার, অ্যাওয়ার্ড। কথায় কথায় উঠে এল রাখি গুলজ়ারের প্রসঙ্গও।  আজ দ্বিতীয় ও শেষ  কিস্তি।  

অর্ঘ দত্ত

“সুচিত্রা সেনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল?”

জানলার পুরু কাচ ভেদ করে ঘরের ভেতর সামান্য আলো । হাতের ঘড়ি বলছে বাইরে বিকেল। এই ঘরের ভেতর শুধু টেবিল ল্যাম্পের আলো। গুলজ়ারকে সোজাসাপটা প্রশ্ন করে দিলাম আমি।

“খুব ছিল। যখন কারও সঙ্গে দেখা করতেন না, তখনও আমি কলকাতা গেলেই কথা হত। এমনিতে কারও ফোন ধরতেন না। কিন্তু আমারটা ধরতেন। মুনমুন (সেন) বলেছিল, শুধু বলতে হয় স্যার ফোন করেছেন। তা হলেই এসে ধরতেন। কলকাতায় ওদের বাড়িতে দেখেছি সকালে কাক এসে ওঁর হাত থেকে আঙুর খাচ্ছে। আমি জানতাম যে কাক নাকি মানুষের কাছে আসে না। ওঁর কাছে আসত। আমি খুব অবাক হতাম। আমি সকালের দিকে গেলেই কাউকে বলতেন এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ নিয়ে আসতে। আঁধির এত দিনের পরও ওঁর মনে ছিল আমি সকালে কী ব্রেকফাস্ট করি।”

“আজকাল অনেকে বলেন ওঁর অভিনয়ে বড্ড কৃত্রিমতা। বড় ম্যানারিজম।” কথাটা শেষ করতে দিলেন না গুলজ়ার।

“কারা বলে এসব? তারা নিজেরা অভিনয় করে? আমি এখনও ‘আঁধি’ করলে সুচিত্রা সেনকেই কাস্ট করতাম। উনি ওই চরিত্রটার জন্য পার্ফেক্ট ফিট। পারফেক্ট। আর কী সুন্দরী! অসম্ভব বুদ্ধিদীপ্ত সৌন্দর্য! কোনও মেক আপ দিয়ে কোনও অভিনয় দিয়ে ওই সৌন্দর্যকে ধরা যাবে না। কী স্ক্রিন প্রেজেন্স! কী পারসোনা! কী ব্যক্তিত্ব! তুলনাহীন। আজও।” গুলজারের চোখে মুখে যেন একরাশ মুগ্ধতা লেগে আছে। “দেখ ওইটাই আমার লাগত ‘আঁধি’র চরিত্রটার জন্য। সেইজন্যই ওঁকে নেওয়া। শুধু সুন্দরী বা বাংলার সুপারস্টার বলে নয়। ‘পলাতক’এর অনুপ কুমারের কথা ভাবো। ওই চরিত্রে অনুপের কোনো বিকল্প হয়? ‘আঁধি’র সুচিত্রা সেনের কোনো বিকল্প হয় না। ওঁর কথা ভেবেই তো স্ক্রিপটা লেখা।”

“আঁধিতে ওঁর অনেকগুলো কান্না দৃশ্য ছিল। একটার জন্যও কিন্তু গ্লিসারিন নেননি।”

আরও পড়ুন প্রথম কিস্তি মুখ খোলেন বলেই খুন হন কালবুর্গি, দাভোলকর, পানসরে: গুলজ়ার

“তবে? এমনিই পারতেন কাঁদতে?”

“নাঃ, আমাকে বলতেন একটা গান বাজাতে। পুরো গান নয় দু’টো কলি। ‘তুম যো কহ দো তো আজ কী রাত ডুবেগা নেহি, রাত কো রোক লো’।”

“ ‘তেরে বিনা জিন্দেগি সে’এর লিরিক।”

“হ্যাঁ! ওই জন্য আমাকে একটা টু ইন ওয়ান আর ক্যাসেট বয়ে বেড়াতে হয়েছে গোটা শুটিংয়ে।” হাসলেন গুলজ়ার।

“আঁধির আগে থেকেই চিনতেন?”

“সেই অভিজ্ঞতা খুব খারাপ। সোহনলাল বলে এক প্রযোজক ছিলেন। সুচিত্রাকে নিয়ে সিনেমা করবেন বলে আমাকে দিয়ে স্ক্রিপ্ট করালেন। সেই স্ক্রিপ্ট শোনাতে আমি গেলাম মিসেস সেনের বাড়ি। বালিগঞ্জ প্লেসে। স্ক্রিপ্ট শুনলেন। তার পরেই দেখি নানা উপদেশ দিচ্ছেন। এটা বদলান। ওই চরিত্রটা ওরকম করুন। আমি মুখের ওপর বলে দিলাম, পারব না। আপনি কি নিজেকে খুব বড় লেখক ভাবেন নাকি? চলে এলাম। সোহনলালকে বললাম, আপনি সুচিত্রাকে দিয়েই লেখান স্ক্রিপ্ট।”

“তার পরেও আঁধি হল?”

“হলো তো।” গুলজারের মুখে আবার হাসি। “প্রযোজক জে ওমপ্রকাশ আমাকে বললেন সুচিত্রাকে নিয়ে করা যায় এমন স্ক্রিপ্ট ভাবতে। আমি ‘আঁধি’ লিখলাম। আবার গেলাম সুচিত্রাকে শোনাতে। উনি আমাকে দেখে প্রথমেই বললেন, এইবার যা শোনাবেন মেনে নেব। নো সাজেশন। নো ডিসকাশন। আমি লজ্জা পেলাম। যাইহোক স্ক্রিপ্ট ওর পছন্দ হল।

“সুচিত্রা তার মানে আপনার সঙ্গে কাজ করতে চাইছেন?”

হাসলেন গুলজ়ার। উত্তর দিলেন না। “শুটিং এর সময় নতুন বিপত্তি। দেখি উনি আমাকে স্যার বলে ডাকছেন। আমি বললাম একি! আপনি বয়সে কত বড়। উনি আমাকে উত্তর দিলেন, কিন্তু আপনি ডিরেক্টর। আমিও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নই। বললাম, বেশ আমিও আপনাকে স্যার বলব। আমার দেখাদেখি গোটা ইউনিট ওঁকে স্যার বলত।”

“সত্যজিৎ রায়?” হঠাৎ প্রশ্নটা ইচ্ছে করেই বদলে দিলাম আমি।

গুলজ়ার থমকালেন। “হি ইজ আ মাস্টার। ওঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগই পেলাম না। ওর সঙ্গে কাজ করতে পারলে আমি ধন্য হয়ে যেতাম। শোনো রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্য পাওয়ার যদি সুযোগ থাকত, তাহলে আমি ওঁর বাগানের মালিও হয়ে যেতে পারতাম। তেমনই সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে কাজ করার জন্যও আমি সব কিছু করতে পারতাম।”

“একটু এই সময়ে ফিরে আসি। বলিউডের এক জন খুব অন্য রকম পরিচালক। বিশাল ভরদ্বাজ। তিনিও তো আপনার খুব ঘনিষ্ঠ!”

“বিশালের মতোই ট্যালেন্টেড ভার্সেটাইল ডিরেক্টর আজকের ইন্ডাস্ট্রিতে খুব কমই আছে। সিনেমা বানানোর প্রতিটা দিক সম্পর্কে ওর পরিষ্কার ধারণা আছে। দেখ বিশাল প্রায় আমার নিজের ছেলে। আমি ওকে হাতে ধরে সিনেমা বানাতে শেখাতে পারিনি হয়তো। কিন্তু যখন যতটুকু সম্ভব সাহায্য আমি ওকে করেছি। আর ওর প্রতিভা যেমন আছে, তেমনই বিজনেস সেন্স। এত অন্য রকম ছবি বানায়। অথচ যথেষ্ট প্রেস্টিজিয়াস একটা প্রোডাকশন হাউজ বানিয়ে ফেলেছে ও।”

“আর আপনার নিজের মেয়ে? মেঘনা গুলজ়ার?”

“ও! শি হ্যাজ গন মাচ মাচ অ্যাহেড অব মি।” গুলজ়ারের গলায় প্রবল উচ্ছ্বাস। ঠিক এক জন আটপৌরে স্নেহশীল বাবা। সন্তানের সাফল্যে গর্বিত। “না শুধু মেঘনার কথা বলব কেন? ওদের প্রজন্মের অনেকেই আমাদের ছাপিয়ে গিয়েছে। ‘লাঞ্চবক্স’ সিনেমাটা ভাবো। কি বিষয়! কি ট্রিটমেন্ট! উফ!”

“মেঘনার কোন ছবিটা আপনার পছন্দের?” বৃদ্ধকে ইচ্ছে করেই প্রশ্নে ফেরালাম আমি।

“ফিলহাল। মেঘনার ‘ফিলহাল’। এমন বিষয় নিয়ে ছবি করার কথা ভাবতেই পারিনা। এরা এত ম্যাচিওরড। এত রেসপন্সিবল! কি রিসার্চ করে। ভাবাই যায় না। মেঘনা যখন ‘তলওয়ার’ করছিল তখন ওর পুরো টেবিলটার ওপরেই…” সামনে নিজের টেবিলের দিকে তাকালেন গুলজ়ার। “এই আমার টেবিলের থেকেও বেশি কাগজপত্র। সব কোর্ট কেসের কাগজের কপি। ভাবো! প্রতিটা হিয়ারিং, কেসের সব খুঁটিনাটি ওর মুখস্থ। আমার তো মনে হয় স্ক্রিপ্টরাইটারের থেকেও বোধ হয় বেশি রিসার্চ করেছে ও। ‘রাজি’ করার সময়তেও প্রায় তাই। এত পরিশ্রম! আই অ্যাম রিয়ালি প্রাউড অব হার।”

চোখ দুটো উজ্জ্বল হয়ে গিয়েছে। খুশির ঝলক দিচ্ছে যেন। বুঝলাম মেয়েকে নিয়ে গর্ব চেপে রাখতে পারছেন না বৃদ্ধ বাবা।

“মেঘনার ছবিতে আপনার প্রভাব আছে মনে হয়?”

“আরে!” বিস্মিত গুলজ়ার! “আমার প্রভাব থাকবে কেন? বরং আমি এখন ছবি করলে তাতেএই নতুন ডিরেক্টরদের কাজের প্রভাব থাকবে। এই যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, ওরাই তো তার মুখ। ওরা আমাদের অনুসরণ করলে তো পিছনে ফেরা হবে।”

“ ‘আঁধি’, ‘ইজাজ়ত’, ‘মৌসম’, আরও কত সিনেমাই তো করেছেন। মনে হয় না যদি বাণিজ্য করার, জনপ্রিয়তার, প্রোডিউসারের টাকা ফেরত দেওয়ার চাপ না থাকত তাহলে অন্য রকম ভাবে করা যেত?”

“করা তো যেতই। কিন্তু পরিচালক হিসাবে প্রযোজকের টাকা ফেরত দেওয়ার চাপ তো থাকতই। এই যে এই সিনেমাগুলোয় এত গান ব্যবহার করেছি, যদি জনপ্রিয়তার দায় না থাকত, তাহলে হয়ত এত গান রাখতামই না। গানের তো একটা আলাদা বাজার আছে। ‘আঁধি’ বা ‘ইজাজ়তের’ গান তো আজও ব্যবসা করে।”

থমকালের গুলজ়ার। তাকালেন ঘরের এক দিকে, “তবে…”। চুপ করে রইলেন বেশ কিছু ক্ষণ। “তবে এমন প্রোডিউসারও পেয়েছি যাঁরা রিস্ক নিতে চেয়েছেন। বলেছেন আপনি এক্সপেরিমেন্ট করুন। তখন ‘কোশিস’ বানিয়েছি। ‘অচানক’ বানিয়েছি। গান কই ওখানে? একটাও গান রাখিনি। ‘অচানক’ তো শুরুই হত ইন্টারভালের পর থেকে। তার আগে ডকুমেন্টারি দেখাত। রিলিজ়ের সময় কী অসুবিধে। সবাই বলছে চলবেই না। তবু সাহস দেখাতে পেরেছিলাম। কারণ প্রযোজকের সেই সাহসটা ছিল। আঁধিতে যে সুচিত্রার চরিত্রটা ছাড়া একটাও নারী চরিত্র ছিল না সেটা খেয়াল করেছো?”

মাথা নাড়লাম। করিনি।

“ওই সিনেমার শুটিংয়ের পর কারও পছন্দ হয়নি। সবার মনে হয়েছিল লোকে যা খবরের কাগজ পড়ে জানতে পারছে সেটা হলে বসে দেখবে কেন? কিন্তু এডিটের পর সবার ধারণা বদলাল। আর তারপর রিলিজের পর দেখা গেল লোকে দেখছে। ২২-২৩ সপ্তাহ চলেছিল ছবিটা।

“তার পরে তো আঁধি ব্যান হয়ে গেল।”

“হ্যাঁ যখন ভাবছি জুবিলি হবে। ঠিক তখন। আমি মস্কো গেছি। ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। এদিকে হঠাৎ শুনলাম আঁধি ব্যানড!

বলা হল, অন স্ক্রিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তা-ও মহিলা, মদ খাচ্ছে সিগারেট খাচ্ছে এই নিয়ে কারা নাকি বিক্ষোভ করেছে। পরে অবশ্য সেই সময়ের তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী আইকে গুজরাল আমাকে বলেছিলেন, আরও অনেক কিছু নিয়েই অনেকের অসন্তোষ ছিল। সঞ্জয় গান্ধী সেই সবে প্রভাবিত হয়েছিল। তাই ব্যান করা হয় ফিল্মটা। নিউ ইয়র্ক টাইমস সে সময় একটা বড় লেখা লিখেছিল আঁধি নিয়ে।”

“এত অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, লিরিকের জন্য অস্কার। গ্র্যামি। পদ্মবিভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে, সাহিত্য অকাদেমি। ফিল্মফেয়ারই বোধহয় ২০টা…”

এবারও শেষ করতে দিলেন না। “অ্যাচিভমেন্ট একটা রিলেটিভ ব্যাপার। তোমার মনে হচ্ছে বিরাট বিরাট পুরস্কার। অনেকেই তাই ভাববেন। সত্যি বলতে আমারও প্রথমে ভালোই লেগেছিল। আবার অনেকেই আছেন যাঁদের কাছে এইগুলোর কোনও মূল্য নেই। আমিও এইগুলো নিয়ে বিশেষ ভাবি না। কত কিছুই তো করা হল না। রবীন্দ্রসঙ্গীতের হিন্দি অনুবাদ শুনি যখন, তখন বিরক্তি লাগে। বেশির ভাগই খুব খারাপ! গানের মূল ভাব আদৌ ধরা পড়েনি। ভেবেছি গীতবিতান অনুবাদ করব। ইদানিং এমন সব কাজই করছি। আরও করতে চাই।”

“এবার তো রবীন্দ্র জয়ন্তী দু’দিন পড়েছিল। ইংরাজি আর বাংলায় আলাদা। ২৫ বৈশাখ পড়েছিল ইংরাজি ৯ মে-তে। আবার ইংরাজিতে রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন ৮ তারিখ।”

হাসলেন গুলজ়ার। “ভালো তো। দু’দিন ধরে জন্মদিন পালন করা যাচ্ছে। রাখীর যে বছর এমন আলাদা আলাদা দিনে জন্মদিন পড়ে, বাংলায় আলাদা আর ইংরাজিতে আলাদা তখন ছেলেমানুষের মতো খুশি হয়।” হো হো করে হেসে উঠলেন গুলজ়ার। অথচ রাখী গুলজ়ারকে নিয়ে প্রশ্ন করার সাহসই আমার হয়নি।

ঘড়ির কাঁটা সাড়ে পাঁচটা ছুঁই ছুঁই। আমার সময় শেষ প্রায়।

“শেষ প্রশ্ন, আমাকে আপনি বলেছিলেন, বিকেলে নাতির সঙ্গে সময় কাটান। নাতির কথা বলুন না একটু।” আবদার করেই ফেললাম।

“নাতিকে নিয়ে প্রশ্ন তোমার?” অবাক হলেন গুলজ়ার। তার পরেই মুখ ফেরালেন। মুখে প্রসন্নতার ঝলক।

“ওর নাম ‘সময়’। আট বছর বয়স। কিন্তু খুব স্মার্ট। আমাকে সব কিছু শেখায়।” মুখে মুচকি হাসি। গলার স্বরে দাদুর আহ্লাদ। “আমি তো ফোন নিয়ে কোনও সমস্যা হলেই ওকে জিজ্ঞাসা করি। আমার তো মনেই হয় না আমি ওর চেয়ে বয়সে বড়। বা আমি আদৌ কিছু জানি। সে দিন বলল, দাদু তোমার আইপ্যাডের ওয়াল পেপারটা চেঞ্জ করো না কেন? আমি করে দিচ্ছি। তুমি একটা ছবি বেছে দাও। আমি বললাম তোমার একটা ভালো ছবি দাও।” আবার হেসে ফেললেন গুলজ়ার। “নিজের একটা গলফ্ ব্যাট হাতে ছবি লাগিয়ে দিল। আমার মনে হয় এই প্রজন্মের বাচ্চারা খুব অনেস্ট অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্ট। আমরা ওদের হাতেই দেশটা তুলে নিশ্চিন্ত থাকতে পারি। ওরাই বরং আমাদের বিশ্বাস করতে পারে না। আমরাই ওদের বিশ্বাস নষ্ট করেছি। আমাদের হাতে দেশটার যা অবস্থা হয়েছে তাতে কি সত্যিই বিশ্বাস করা যায়?”

উঠে পড়লাম। বেরিয়ে পড়লাম ‘বসকিয়ানা’ থেকে। এই সময় আর বিরক্ত করা ঠিক না। আমাদের কাছে গুলজ়ার যতই কিংবদন্তী হোন না কেন,  নাতি সময়ের কাছে তিনি তো শুধুই এক জন দাদু।

(অর্ঘ্য দত্ত মুম্বাই থেকে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ‘বম্বেDuck’-এর সম্পাদক।বর্হিবঙ্গের কবিদের কবিতা সংকলন, ‘কবিতা পরবাসে’-র প্রথম দুটি সংখ্যা সম্পাদনা করেছেন । তাঁর লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। প্রকাশিত বই ‘বিখণ্ড দর্পণে আমি।)

Leave A Reply