Latest News

মিঠুনদার মতো আমার ভাগ্যটা ভাল ছিল না, তাই কোনও পরিচালকের সুনজরে পড়িনি: শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায়

ভারতবর্ষে ঐতিহ্যবাহী ১১৬ বছরের প্রাচীন গৌরবান্বিত প্রযোজনা সংস্থা অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশনের ব্যানারে আবার ৪৫ বছর পর বড় পর্দায় ছবি মুক্তি পেতে চলেছে যা বাংলা ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে সুখবর বটে। অঞ্জন বসু প্রযোজিত ‘কালকক্ষ’ (Kalkokkho) ছবিটি ১৯ অগস্ট কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দিল্লি, মুম্বই, মাদ্রাজ, বেঙ্গালুরুতে মুক্তি পাবে। আর এই ছবির হাত ধরেই বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন তরুণ পরিচালক জুটি রাজদীপ পাল-শর্মিষ্ঠা মাইতি।

এছাড়াও ছবির বড় চমক, দশ বছর পর বড়পর্দায় কামব্যাক করলেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেতা তথা ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের চেয়ারপার্সন শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায় (Sreelekha Mukherji)। ছবি মুক্তির আগেই বর্ষীয়ান অভিনেতা শ্রীলেখার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে উঠে এল অনেক দুঃখ, যন্ত্রণার কথা। কথোপকথনে চৈতালি দত্ত।

আপনার প্রথম ছবি পরিচালক নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের ‘পরশুরামের কুঠার’। আর প্রথম ছবিতেই জাতীয় পুরস্কার-

শ্রীলেখা: (মুখের কথা কেড়ে নিয়ে) হ্যাঁ। এছাড়াও নব্যেন্দুদার ‘শিল্পী’ ছবিতেও আমি অভিনয় করেছি। ওই ছবিও বহু নামিদামি পুরস্কারে ভূষিত হয়।

Sreelekha Mukherjee
‘পরশুরামের কুঠার’ ছবিতে শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায়

এরপর আপনি বেশ কয়েকজন নামিদামি পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন। কিন্তু ২০১২ সালে শেষ বারের মতো অভিনয় করতে দেখা যায় আপনাকে। এত বছর অন্তরালে থাকার পিছনে কারণ কী?

শ্রীলেখা: সত্যি কথা বলতে কি আমাকে নিয়ে টলিপাড়ার কোনও পরিচালকরা ভাবেন নি। খুব দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে এটাই মেনে নিয়েছি আমার কোনও যোগ্যতা নেই। সেই কারণেই তাঁরা হয়তো আমাকে কাস্ট করেন নি। আর ছবিতে অভিনয় করতে চাই এই কথাটা আমার পক্ষে কারও কাছে গিয়ে বলা সম্ভব হয়নি। মিঠুনদা যেমন তাঁর অভিনীত প্রথম ছবি ‘মৃগয়া’তে সেরা অভিনেতার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন। আমিও কিন্তু আমার অভিনীত প্রথম ছবি ‘পরশুরামের কুঠার’ এর জন্য সেরা অভিনেতার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পাই। সেই দিক দিয়ে বিচার করতে গেলে মিঠুনদার মতো আমার ভাগ্যটা ভাল ছিল না, তাই কোনও পরিচালকের সুনজরে পড়িনি। জানেন তো সেই সময় একটা রটনাও রটেছিল যে আমি নাকি কাজ করতে চাই না। সেটা আরও বেশি যন্ত্রণার।

Sreelekha Mukherjee
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে জাতীয় পুরস্কার নিচ্ছেন শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায়

আপনি এর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেন নি?

শ্রীলেখা: কে বা কারা সেই সময় এই ধরনের রটনা করেছিলেন সত্যিই আমার তা জানা নেই। কিন্তু আমি কোনও প্রতিবাদ করতে পারি নি। কোনও সাংবাদিককে কিন্তু কখনও আমি ইন্টারভিউতে বলিনি যে আমি কাজ করব না। সবই আমার দুর্ভাগ্য। যখন মিথ্যা রটনা ছড়িয়ে পড়ে প্রায়ই কানে সেই খবর আসতে শুরু করে সেই সময় এক-দুটো সংবাদমাধ্যমকে আমি বলেছিলাম এই খবরের কোনও সত্যতা নেই।

যখন আসল ঘটনা সংবাদপত্রে প্রকাশিত হল তারপরেও বাংলা পরিচালক প্রযোজকদের তরফ থেকে কোনও সাড়া মেলে নি?

শ্রীলেখা: না। একজন শিল্পীর তো বিরতি হয় না। বড় পর্দার জন্য ডাক না পেলেও সেই সময় পরিচালক ফাল্গুনী সান্যালের কাছ থেকে হঠাৎই ধারাবাহিকের অফার পেয়েছিলাম। ‘মা মনসা’ ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমি অভিনয় করেছি। কাজটা করতে বেশ ভাল লেগেছিল। এছাড়াও সেই সময় কয়েকটা টেলিফিল্মে কাজ করেছি। তবে ২০১২ সালের পর বড় বা ছোট পর্দায় কোনও জায়গা থেকেই আর আমি ডাক পাইনি।

দীর্ঘ ১০ বছর পর ‘কালকক্ষ’ ছবির মাধ্যমে আপনি আবার বড়পর্দায় ফিরলেন। ছবিতে এমন কী রসদ আছে যা আপনাকে আকর্ষিত করেছিল?

শ্রীলেখা: অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশনের প্রযোজক অঞ্জন বসু আমাকে ফোনে যখন এই ছবির অফার দেন আমি ভীষণ আপ্লুত হই। যেখানে ইন্ডাস্ট্রি আমাকে ভুলে গেছে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে উনি একজন বর্ষীয়ান প্রযোজক হয়ে এত বছর পর আমাকে মনে রেখেছেন এটাই বড় ব্যাপার। উনি ফোন করে আমাকে বলেছিলেন, ‘আমি এত বছর পর ছবি করছি। আমি চাই তুমি আমার ছবিতে কাজ করো।’ এটা যে আমার কাছে কত বড় প্রাপ্তি সেটা বোধহয় বলে বোঝাতে পারব না।

Sreelekha Mukherjee
‘কালকক্ষ’ ছবির প্রযোজক ও পরিচালকদ্বয়

আপনি তো স্বনামধন্য পরিচালক নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, মঞ্জু বোরা প্রমুখ জনপ্রিয় পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেক্ষেত্রে ‘কালকক্ষ’ ছবির রাজদীপ পাল-শর্মিষ্ঠা মাইতি নতুন পরিচালক জুটি। তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে আপনি আগ্রহী হলেন কেন?

শ্রীলেখা : এক্ষেত্রে একটা কথা বিশেষভাবে বলা প্রয়োজন যে, আমি কিন্তু খুব বেশি ছবিতে আগে কাজ করি নি। তবে আমি যুব সমাজের ওপর খুবই আস্থাশীল। ওঁদেরকে নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। রাজদীপ এবং শর্মিষ্ঠা তরুণ তুর্কি। প্রত্যেক ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ব্যাপার রয়েছে যে বড়রা অনেক বেশি ডমিনেট করে যাতে নতুনরা উঠে আসতে না পারে। তাই আমি সব সময় নতুনদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। এরপর যখন আমি এই দুই পরিচালকের থেকে গল্প শুনি আমি হতবাক হয়ে যাই। অতিমারি প্রেক্ষাপটে গল্প হলেও ভীষণ নতুনত্ব। ওঁদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং চিন্তাভাবনা এতটা সুদূরপ্রসারী তা সত্যিই আমাকে মোহিত করে। সব গল্পটা তো বলে দেওয়া সম্ভব না। ওঁরা যেভাবে ছবিতে গল্প বলেছে এবং এক্সিকিউশন করেছে তা সত্যিই অভিনব।

এই ছবিতে তো আপনি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন?

শ্রীলেখা: ছবিতে তিনটে চরিত্রই মুখ্য। তার মধ্যে অন্যতম আমার চরিত্র অর্থাৎ বড় মামনি। তিনটে প্রজন্ম রয়েছে। বড় মামনি, মেজ মামনি, ছোট মামনি। এই তিন প্রজন্মের মহিলারা সমাজের তিনটি প্রজন্মের মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

আপনার অভিনীত চরিত্র বড় মামনিকে ছবিতে কিভাবে পোর্ট্রেট করা হয়েছে যদি সংক্ষেপে একটু বলেন-

শ্রীলেখা: তিনজন মহিলা পরস্পরকে মামনি বলে সম্বোধন করেন। এখানে বলা যেতে পারে মামনি হল প্রতীকী। বড় মামনি তাঁর মধ্যে ছেলেমানুষি আছে। কখনও সে আবদার করে, আবার কখনও সে স্মৃতির অতলে ডুব দেয়। খুব অদ্ভুত হ্যালুসিনেশনের মধ্যে সে থাকে। নিজের একটা জগত সে তৈরি করেছে তার মধ্যে আটকা পড়েছে। বড় মামনির একটা সংলাপ আছে- ‘আমাকে বন্দি করে রেখেছ কেন ছেড়ে দাও।’ এই কথার মধ্যে গভীর তাৎপর্য রয়েছে যা ছবি দেখলে বোঝা যাবে।

আপনি যে সময় অভিনয় করেছেন, তার এত বছর পর অভিনয়ে ফিরে কী ধরনের পরিবর্তন চোখে পড়ল?

শ্রীলেখা: কাজের পরিবেশ এঁদের খুবই ভাল। এঁরা অনেক বেশি গোছানো, সুশৃঙ্খল। খুব সাবধানে প্রত্যেকটা জায়গা ধরে অতি যত্ন সহকারে ওঁরা কাজটা করেছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার আমাকে ভীষণ সম্মান দিয়েছে। ওঁদের ওয়ার্কশপেও আমি অংশগ্রহণ করেছি। যেহেতু এটা ওঁদের প্রথম বড়পর্দার কাজ, তাই ওঁরা যখন ওয়ার্কশপ করাচ্ছে, তখন আমারও মনে হয়েছে যে দু’জন ছবির প্রতি খুবই মনোযোগী, নিষ্ঠাবান।

Sreelekha Mukherjee
‘কালকক্ষ’ ছবিতে অভিনেতা শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায়

বহু বছর ধরে ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের জুরি পদে থাকলেও এবার আপনি চেয়ারপার্সন ছিলেন। অনেক ক্ষেত্রেই শোনা যায় যে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড নাকি ম্যানিপুলেট করে পাওয়া যায়। আদৌ কি সেটা সত্যি?

শ্রীলেখা: ২০০০ থেকে আমি ন্যাশনাল ফিল্ম আওয়ার্ডে জুরি পদে ছিলাম। এ বছর অবশ্য আমি ওয়েস্টের চেয়ারপার্সন ছিলাম। আবার কখনও গোয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান প্যানোরমার জুরি হিসাবেও ডাক পাই। তবে যাঁরা বলেন যে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ম্যানিপুলেট করে পাওয়া যায় অত্যন্ত ভুল কথা। ওখানে জুরি হিসাবে নিযুক্ত হবার আগে ভাল করে যাচাই করে দেখে নেওয়া হয়, যেসব ছবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে, কোনওভাবে সেই সব ছবির সঙ্গে জুরিরা জড়িত কিনা কিংবা তাঁর আত্মীয়-স্বজন, পরিচিত কেউ ছবির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কিনা। এছাড়াও আরও অন্যান্য দিকও চুলচেরা বিচার করে তবেই জুরি হিসাবে একজনকে মনোনীত করা হয়।

৪৫ বছর পর অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশন প্রযোজনায় ফিরল। এই সংস্থার সঙ্গে আপনার কোনও পূর্ব স্মৃতি রয়েছে?

শ্রীলেখা: অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশন বাঙালির গর্বের। সেই সময় অঞ্জনদার বাবা অজিত বসুকে দু-তিনবার দেখার সুযোগ হয়েছিল। কিছুদিন পরেই উনি মারা যান যখন ‘পরশুরামের কুঠার’ তৈরি হয় তারপরে একটা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের জন্য অঞ্জনদা একবার আমাদের বাড়িতে আসেন। এরপর অঞ্জনদার সঙ্গে কোনও অনুষ্ঠানে দেখা হলে কুশল বিনিময় হয়েছে।

এখনকার ছবি আপনি দেখেন? কার ছবি দেখতে বেশি ভালো লাগে?

শ্রীলেখা: যখনই সুযোগ পাই আমি তখনই ছবি দেখি। দক্ষিণ ভারতীয় থেকে মারাঠি সব ভাষার ছবি দেখতে ভালবাসি। বাংলায় কোন পরিচালক কী কাজ করছেন সেটা জানার জন্যও আমি ছবি দেখি।

ভাল ছবির নিরিখে বাংলা ছবি এখন কতটা এগিয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

শ্রীলেখা: এক্ষেত্রে দুঃখের সঙ্গে একটা কথা বলছি বাংলা ছবি যেভাবে উঠে এসেছিল এখন যেন একটু কম আমার মনে হচ্ছে। এবার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডের জন্য ভাল বাংলা ছবি খুবই কম ছিল। কোভিড আবহের কারণে কিনা সেটা আমার জানা নেই।

কোন বাঙালি পরিচালকের ছবি দেখতে আপনার ভালো লাগে?

শ্রীলেখা: এবারে আমি ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডে ‘অভিযাত্রিক’ ছবিটা দেখলাম। আগে আমার দেখা হয়নি। নতুন পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্রর কাজ দেখে আমি মুগ্ধ। অল্পবয়সী একটি ছেলে এত যত্ন নিয়ে ছবিটা তৈরি করেছেন বারে বারে ছবি দেখতে বসে মনে হয়েছে সত্যি কি সত্যজিৎ রায়ের ছবি রিপিট হচ্ছে? সব মিলিয়ে ছবিটা অসম্ভব আমার ভাল লেগেছে।

আপনি তো একজন দক্ষ অভিনেত্রীর পাশাপাশি বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী। বহু বছর আগে ‘নৃসিংহ রহস্য’ ধারাবাহিকের টাইটেল সঙ ‘শোনো’ বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। পরবর্তীকালে আপনাকে আর প্লে ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে পাওয়া গেল না কেন?

শ্রীলেখা: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লাসিকাল নিয়ে আমি মাস্টার্স করেছি। আমার গানের স্কুল ‘গীতবাণী’-র বয়স ৫৬ বছর। আমার বাবা ডাক্তার ফণীন্দ্রনাথ মজুমদার এই গানের স্কুল তৈরি করেছিলেন। উনি পুরনো দিনের সুরকার অনিল বাগচীর বহু গানের গীতিকার ছিলেন। এত কিছুর পরেও মনে হয় নিশ্চয়ই আমি ভাল গাইয়ে নই, সে কারণে আমাকে সঙ্গীত পরিচালকেরা ডাকেননি। অনেক না পাওয়ার যন্ত্রণাকে ভুলতে আমি নিজেকে গানে নিমজ্জিত রাখি।

আপনি তো একজন পরিচালকও। জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আপনার পরিচালিত শর্ট ফিল্ম সম্প্রতি দেখানোও হয়েছে। পরিচালনা কতটা উপভোগ করেন?

শ্রীলেখা: চার পাঁচ বছর ধরে শর্ট ফিল্ম তৈরি করছি। সম্প্রতি ক্যামেলিয়া নামে একটি শর্ট ফিল্ম তৈরি করেছি। যেটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখানোও হয়েছে। পরবর্তী শর্ট ফিল্ম তৈরি হয়ে গেছে। এখন পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। মুম্বই ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমি এ বছর জুরি হিসেবে ডাক পাই। ওঁরা দু’বছর অন্তর এই ফেস্টিভ্যাল করেন। এখানে মূলত ডকুমেন্টারি, শর্ট ফিল্ম দেখানো হয়। আমার তৈরি শর্ট ফিল্মও এর আগে এই ফেস্টিভ্যালে দেখানো হয়েছে।

আপনার অবসরযাপন কাটে কীভাবে?

শ্রীলেখা: আমি নিজেকে নানা কাজে ব্যস্ত রাখি। সমাজে ভাল কিছু করার চেষ্টা করি। আমার নিজস্ব বাচ্চা ছেলেদের জন্য একটা হোম আছে। এরা কেউ অনাথ নয়। রিকশাচালক, বাড়ির পরিচারক/পরিচারিকা, দারোয়ান, মুটে মজুরদের বাচ্চা ছেলেদের আমি মানুষ করার চেষ্টা করি। এই কাজ আমি নিরলস ভাবে ২২ বছর ধরে করে যাচ্ছি।

আমিরের পর এবার বয়কটের মুখে আলিয়া! গার্হস্থ্য হিংসা প্রচারের অভিযোগ

You might also like