Latest News

উত্তমকুমারকে ইংরেজি শিখিয়েছিলেন এন বিশ্বনাথন, বাংলাকে আপ্রাণ ভালবেসেছিলেন তামিল মানুষটি

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলা ছবিতে চুরুট বা পাইপ মুখে অভিনেতা বললেই যার নাম প্রথমে মনে পড়ে তিনি এন বিশ্বনাথন। যিনি সাহেবি ইংরাজি উচ্চারণ, দৃপ্ত হাঁটাচলা আর আভিজাত্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বে নিজের ক্লাস বুঝিয়ে দিতেন। বেশিরভাগ বাংলা ছবিতেই তাঁর স্বল্প উপস্থিতি। তবু তিনি কত বড় অভিনেতা ও উচ্চশিক্ষিত মানুষ তা দর্শক বুঝে যেত। তাঁর পূর্ববর্তী কমল মিত্র, ছবি বিশ্বাসরাও ভীষণ রাশভারি অভিনেতা ছিলেন। ছবিবাবু বা কমল মিত্রর মতো বড় রোলও খুব একটা করেননি এন বিশ্বনাথন। কারণ তিনি অধ্যাপক ছিলেন। কিন্তু খুব ছোটো রোলেও তাঁকে আমরা চিরকাল দেখেছি চুরুট কিংবা পাইপ মুখে স্পষ্ট সংলাপ বলে যেতে। পর্দায় এন বিশ্বনাথনের উপস্থিতি মানেই পাইপ ঠোঁটে ধূমপায়ী রূপেই তিনি অবতীর্ণ হবেন। এটাই ছিল তাঁর ট্রেডমার্ক,স্টাইল, স্বতন্ত্রতা। যারা তাঁর নামও জানতনা, ঐ ঠোঁটে পাইপ দেখে তাঁকে চিনে ফেলত। কিন্তু মানুষটি এক মহান শিক্ষাব্রতী, শিক্ষাবিদ, ভাষ্যকার, অভিনেতা ও বিরাট মাপের ব্যক্তিত্ব। শুধু বাংলাতেই নয়, দক্ষিণেও তিনি জনপ্রিয় ছিলেন ‘ক্যালকাটা বিশ্বনাথন’ নামে। আদতে বিশ্বনাথন-পরিবার ছিল পুরোদস্তুর দক্ষিণ ভারতের লোক। কিন্তু তাঁরা কলকাতাকে ভালোবেসে পুরোদস্তুর বাঙালি হয়ে উঠেছিলেন। শুধু তামিল বা ইংরাজি উচ্চারণই নয়, স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণেও তিনি ছিলেন বিখ্যাত। দীর্ঘদিন আকাশবাণীতে বিভিন্ন নাটকে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।এন বিশ্বনাথন-এর জন্ম তামিলনাড়ুর ভেলোরে এক তামিল পরিবারে। কিন্তু পড়াশুনো করতে চলে আসা কলকাতাতে। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে অনার্সসহ স্নাতক পাশ করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজিতে এম. এ। পরবর্তীকালে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজেই ইংরাজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক রূপে দীর্ঘবছর কর্মজীবন অতিবাহিত করেন। কিছুদিন সাউথ পয়েন্ট স্কুলেও পড়িয়েছিলেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও গেছিলেন তিনি। অংশ নেন ‘ইন্ডিয়া ইন অক্সফোর্ড’ বক্তৃতায়। কিন্তু বাবার অসুস্থতার কারণে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন।

অধ্যাপনার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন নাটক, চলচ্চিত্র, রেডিও ও টেলিভিশনে। পরিচালনা ও অভিনয় করেছেন বাংলা, ইংরাজি ও তামিল নাটকে।

‘থানা থেকে আসছি’ নাটকে এন বিশ্বনাথন,অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃপ্তি মিত্র

তাঁর ফিল্মজগতে আসা মৃণাল সেনের হাত ধরে। মৃণাল সেনও তখন প্রায় নতুন। ১৯৬১তে মৃণাল সেনের ‘পুনশ্চ’ ছায়াছবির মাধ্যমে এন বিশ্বনাথনের বাংলা ছবিতে আত্মপ্রকাশ। ‘পুনশ্চ’ বাংলা ফিচার ফিল্ম বিভাগে তৃতীয় শ্রেষ্ঠ ছায়াছবি হিসাবে বিবেচিত হয় এবং জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এই ছবিতে নায়ক-নায়িকা ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও কণিকা মজুমদার। তবে বিশ্বনাথনের রোলটিও গুরুত্বপূর্ণ। মৃণাল সেনের এই ছবি পরবর্তীকালে সে অর্থে চর্চিত না হওয়ায় লুপ্তপ্রায় আজ।

‘পুনশ্চ’, কণিকা মজুমদার ও এন বিশ্বনাথন

এরপরের বছর ১৯৬২তে সত্যজিৎ রায়ের প্রথম রঙিন ছবি ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’তে অভিনয়ের সুযোগ পান এন বিশ্বনাথন। এই ছবির পর আর এন বিশ্বনাথনকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গতাও গড়ে ওঠে।

কাঞ্চনজঙ্ঘা’, অলকনন্দা রায় ও এন বিশ্বনাথন

ইংরাজি শব্দোচ্চারণে তাঁর যথেষ্ট দখল ছিল। বক্তা হিসেবে বহু বিতর্ক সভায় প্রশংসা লাভ করেন। আবার এই উচ্চারণগুণেই তাঁর সঙ্গে মহানায়ক উত্তমকুমারের আলাপ, বন্ধুত্ব। উত্তমকুমার এমনি এমনি মহানায়ক হননি। তাঁর অভিনয়ের পেছনে ছিল লড়াই, অধ্যাবসায়, পরিশ্রম ও শেখার আগ্রহ। সেসময় বাংলা ছবিতে ভীষণভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল কোর্টরুম ড্রামা সিন। সেসব দৃশ্যে পারফেক্ট ইংরাজি উচ্চারণ খুব প্রয়োজনীয় ছিল সংলাপে। সেই সঠিক উচ্চারণ শেখার সূত্রেই বিশ্বনাথনের সঙ্গে উত্তমকুমারের অন্তরঙ্গতা শুরু। বলা যায় মহানায়কের শিক্ষক ছিলেন সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের অধ্যাপক এন বিশ্বনাথন। অথচ উত্তমকুমারের থেকে এন বিশ্বনাথন বয়সে ছোটো হওয়ায় উত্তমকুমারকে ‘আপনি’ করে বলতেন। উত্তম একদিন নিজেই বললেন “আমি তো আপনার ছাত্র,আমাকে আপনি আপনি করে কেন বলছেন! তুমি বলুন।” প্রতি সপ্তাহে দুদিন ক্লাস করতে আসতেন উত্তমকুমার বেশ রাতের দিকে। তখন কিন্তু উত্তমকুমার মধ্যগগনে, তবু তাঁর এমন আন্তরিক ব্যবহার! প্রায় অনেকদিনই উত্তমকে ইংরাজি পড়িয়েছিলেন বিশ্বনাথন। পরে উত্তমকুমারের সূত্রেই বহু ছবিতে অভিনয় করেন বিশ্বনাথন। কোনও সময় উকিলের চরিত্র বা কখনও খলচরিত্রে কাজ করেন বিশ্বনাথন। যেমন উত্তম-সুপ্রিয়ার ‘জীবন-মৃত্যু’ ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেন বিশ্বনাথন। কিংবা ‘কলঙ্কিত নায়ক’ বা ‘রোদন ভরা বসন্ত’। সবই উত্তমের রেকমেন্ডে। এভাবে পারস্পরিক সহযোগিতায় খুব সুন্দর বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে গিয়েছিল দুজনের মধ্যে। যদিও সে সম্পর্ক কখনও পারিবারিক সম্পর্কে গড়ায়নি। দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।উত্তমকুমার সম্পর্কে এন.বিশ্বনাথন বলেছিলেন ” Intellectual কথাটা এখন বাংলায় আঁতেল নামেই চলছে। উত্তম intellectual ছিল কিনা, ওসব ফালতু কথা। কারণ অনেক তথাকথিত intellectualকে অভিনয়ের ক্ষেত্রে বেশ ম্রিয়মান দেখেছি। ওসব বিতর্কে না গিয়ে বলছি উত্তম ছিলো instinctive actor ।
মার্কিন অভিনেতা পল মুনি বা ডাস্টিন হফম্যান, ইংল্যান্ডের লরেন্স অলিভার, এছাড়া মাইকেল রেডগ্রেভ অথবা অ্যালেক গিনেস- এঁরা যে ধরনের অভিনয় করতেন, উত্তমেরও সেই রেঞ্জটা ছিল। যে চরিত্রটা দেওয়া হতো সেটা পারফেক্টলি ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা ছিল তাঁর।
নায়ক ছবিতে যখন সে ঘুমের মধ্যে অতীতের কথা ভাবছে, বা টাকার স্তুপে ডুবে যাওয়ার দৃশ্যেও দুঃখে চুল ছিঁড়ছে না। খুব নর্মাল অ্যাক্টিং। অনেকে বলে থাকেন ওঁর ক্যামেরা-ফেস খুব ভালো। কারণটা কিন্তু তাঁরা বলেননি। কারণটা হচ্ছে কোথায় কীভাবে ক্যামেরাটাকে ফেস করতে হয়, সেটা উত্তম জানত। শুধু যে জানত তা নয়, ছবির পক্ষে যাতে সহায়ক হয় সেটাই করত। ওঁর সবচেয়ে বড় ব্যাপার, নিজের অভিনয় ছাড়াও সহশিল্পীরা যাতে ভালো অভিনয় করতে পারে, সেদিকেও প্রখর দৃষ্টি ছিল। উত্তম ছিল রিয়্যাল এবং পারফেক্ট অ্যাক্টর।
আমি উত্তমকে অনেক বই রেকমেন্ড করতাম, বলতাম এটা পড় সেটা পড়। ও বলত, ‘আমার সময় কোথায়! আমি তো সারাদিন খালি শুটিংই করছি। কোনও অবসরই আমার নেই।’ লি স্ট্রাসবার্গের নাম করলে বলত, লি স্ট্রাসবার্গ কে? আইজেনস্টাইনের নাম জানত, কিন্তু ওঁর কোনও বই পড়েনি। থিয়েটারে যাঁরা বড় বড় চাঁই তাঁদের বইও পড়েনি। উত্তম ইন্স্টিংটিভলি কতকগুলো জিনিস করত, যেটা দেবকী বসু বলতেন রিঅ্যাকশনারি অ্যাক্টিং বা রিঅ্যাকশন-ওরিয়েন্টেড। বিদেশি লেখকদের বই পড়ার অভ্যাস উত্তমের তৈরি করে দিয়েছিলাম।”উত্তমকুমার কিন্তু শ্যুটিং থেকে ফিরেও রাতে শুয়ে শুয়ে বই পড়তেন। বিভিন্ন ভাষার বইয়ের কালেকশন ছিল তাঁর। ‘সব্যসাচী’ ছবি করার সময় যে বিভিন্ন দেশের লোক সেজেছিলেন উত্তম, তখন সেসব বিদেশি ভাষাও শিখেছিলেন বই কিনে রীতিমতো। এ তথ্য উত্তমকুমারের নিজের পরিবারের লোকেরাই জানালেন। ইংরাজি চর্চাতে উত্তম গুরু মানতেন উৎপল দত্ত আর এন বিশ্বনাথনকে। বিশ্বনাথন উৎপল দত্তের ‘পিপলস্ লিটিল্ থিয়েটার’ গ্রুপের সদস্য ছিলেন। তারপর তিনি ‘ক্যালকাটা প্লেয়ার্স’ নামে নিজস্ব গ্রুপ গঠন করেন।

এন.বিশ্বনাথন একাধারে বাণিজ্যিক ছবি ও মননশীল ছবিতে কাজ করেছেন। তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিগুলির অন্যতম হল ‘বর্ণালী’, ‘যে যেখানে দাঁড়িয়ে’, ‘সুভাষচন্দ্র’, ‘দৌড়’। এছাড়া বহু বাণিজ্যিক ছবিতেও ছো্টো ছোটো রোলে কাজ করেছেন। যেমন ‘সাহেব’, ‘পাকা দেখা’, ‘প্রিয়তমা’, ‘মোহনার দিকে’, ‘তোমার রক্তে আমার সোহাগ’, ‘কথা দিলাম’, ‘আপন আমার আপন’। কাজ করেন বীরেশ চ্যাটার্জির ‘সীমারেখা’ সহ বেশ কিছু সিরিয়ালে।

‘কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ’ ছবিতে নন্দিনী ও বিশ্বনাথন

আজীবন কলকাতাতে থাকলেও তামিলভাষী মানুষদেরও মনে রেখেছেন। তাই দক্ষিণেও কাজ করেছেন বেশ কিছু। তিনি তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ‘ক্যালকাটা বিশ্বনাথন’ হিসাবে জনপ্রিয় ছিলেন। ১৯৭০ সালে তিনি তামিল চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন এবং ললিতা, মোগম মুপাধু বরুশম ,মুনড্রু মুদিচু ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেন। মুখ্যভূমিকায় অন্য যে তামিল ছবিগুলিতে অভিনয় করেছেন সেগুলির মধ্যে অন্যতম হল- কাভরি মান,বালু মহেন্দ্র, মুডুপানি। রজনীকান্ত অভিনীত ‘বাবা’ ছবিতে কাজ করেন তিনি।এন বিশ্বনাথন বিয়ে করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃ কালিদাস নাগ ও শান্তা দেবীর ছোটো মেয়ে পারমিতা নাগকে।
এন বিশ্বনাথনের ছেলে বিখ্যাত পরিচালক অশোক বিশ্বনাথন। অশোক বিশ্বনাথন পরিচালিত ‘শূন্য থেকে শুরু’, ‘কিছু সংলাপ কিছু প্রলাপ’, ব্যতিক্রমী’, ‘অন্ধকারের শব্দ’ ছবিতে কাজ করেন তাঁর বাবা। তাঁর শেষ অভিনীত ছবি ‘গুমশুদা’, এই ছবির কাহিনীকারও তিনি। পরিচালক ছেলে।

‘গুমশুদা’ ছবিতে শেষ কাজ

১৯৭৫ সালের ৯ অগস্ট কলকাতায় প্রথমবারের জন্য স্থাপিত হল ‘দূরদর্শন কেন্দ্র’। বাঙালির জীবনে বিপ্লব ঘটিয়ে কলকাতায় এসেছিল টেলিভিশন। সাদা-কালো টিভি তখন মহার্ঘ্য। যদিও খুব কম সংখ্যক অভিজাত পরিবারেই তখন টিভির চল ছিল। সেই সময় দূরদর্শনে ভরাট ব্যারিটোন স্বরে এবং নিজস্ব ‘অক্সোনিয়ান’ উচ্চারণে ইংরেজি খবর পড়তেন এন বিশ্বনাথন। নব্বই দশকে এন বিশ্বনাথনের পুত্রবধূ মধুমন্তী মৈত্রও কলকাতা দূরদর্শনের বাংলা সংবাদপাঠিকা রূপে বিখ্যাত নাম। নাইন্টিজে যে কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে সঞ্চালিকা মানেই মধুমন্তী মৈত্র। পাতালরেলে উঠলে যে স্টপেজ ঘোষণা শোনা যেত, সেই নারীকণ্ঠটিও মধুমন্তীর ছিল। অশোক-মধুমন্তী দুজনেই শিক্ষাজগতেও স্কলার। আবার এন. বিশ্বনাথনের নাতনি অশোক-মধুমন্তীর মেয়ে অনুষা বিশ্বনাথন বর্তমানে টলিউডে অভিনেত্রী হিসাবে জনপ্রিয় নাম। অরিন্দম শীলের ‘ধনঞ্জয়’ ছবি দিয়ে টলিউডে অভিষেক হয় অনুষার। বিশ্বনাথন পরিবারের তিন প্রজন্মই চলচ্চিত্র জগতে বেশ বিখ্যাত।এন.বিশ্বনাথন শেষদিকে রোগশয্যায় ছিলেন বেশ কিছুকাল। তবে জীবনের প্রায় শেষভাগ অবধি ফিল্মে অভিনয় ও লেখালেখির কাজ করে গেছেন। কলকাতার শরৎ বসু রোডের বাসভবনে ৮১ বছর বয়সে ২০১০ সালের ১৭ নভেম্বর প্রয়াত হন বিশ্বনাথন।

এন. বিশ্বনাথন এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি জন্মসূত্রে দক্ষিণ ভারতের লোক হয়েও কলকাতাকে ভালোবেসে বাংলা ভাষা, বাংলা ছবি, বাংলা নাটককে ভালোবেসে এখানেই রয়ে গেলেন।

এমন এক শিক্ষাবিদ, অধ্যাপক ও দাপুটে অভিনেতা বাংলা ছবিতে আসায় বাংলা ছবি সমৃদ্ধ হয়েছিল। তাঁর অভিনীত চরিত্রগুলো ছোটো হলেও সেগুলোর পরিপূরক যেন কেউ হতেই পারতনা। এতটাই সুন্দর ছিল তাঁর উচ্চারণ, বাচনভঙ্গী ও ব্যক্তিত্ব।
বাংলা ছবির পাইপ-ম্যান হয়ে তিনি ইতিহাসে আজও উজ্জ্বল।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like