Latest News

অঞ্জন চৌধুরীর প্রশংসা করেন সত্যজিৎ! হালের পরিচালকদের ব্যঙ্গে কী এসে যায়: রিনা চৌধুরী

শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

তিনি বাংলা ছায়াছবির এমন এক গুরু, যাঁকে অকৃতজ্ঞ বাঙালির দল সঠিক গুরুদক্ষিণা দূরের কথা, প্রাপ্য সম্মানটুকুও দেয়নি। অথচ মহানায়ক উত্তমকুমারের মৃত্যুর পর যখন শুনশান স্টুডিওগুলোতে তালা ঝুলে যাচ্ছে, খাঁ খাঁ গলিতে কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে, একের পর এক হল মালিকদের মাথায় হাত পড়ছে, সেই সময় টালিগঞ্জ পাড়ার অন্নদাতা হয়ে সবাইকে সংস্থান দেন অঞ্জন চৌধুরী।

অঞ্জন ছিলেন মহানায়কেরও প্রিয় পরিচালক। উত্তমকুমার অঞ্জন চৌধুরীর ‘হব ইতিহাস’ ছবি করতে করতেই প্রয়াত হন। সেই ছবি পরে হল ‘শত্রু’। আশি-নব্বই দশকে রোববারের বাংলাছবির শেষ নস্ট্যালজিয়া অঞ্জন চৌধুরীর ছবিই।

অথচ হালের ডিরেক্টরদের কাছে অতীতের এই লেজেন্ড অঞ্জন চৌধুরীই হয়ে উঠেছেন ব্যঙ্গ করার পাত্র। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া মৈনাক ভৌমিকের ‘একান্নবর্তী’ ছবিতে একটি সংলাপে রাখা হয়েছে “মেজো বৌ, ছোট বৌয়ের মতো ডায়লগ বোলো না তো!” মেজো বৌ, ছোট বৌ অঞ্জন চৌধুরীরই পারিবারিক ড্রামা নিয়ে ছবি।

কিন্তু সে ছবির নাম এভাবে ব্যবহার করা কেন? সংলাপ লিখতে গিয়ে অতীতের পরিচালককে বিদ্রূপ করা কি খুব দরকার? এ কথা সবার জানা, অঞ্জন চৌধুরীর ‘ছোট বৌ’য়ের সংলাপ একসময়ে মাইকে বাজত, দর্শকরা ক্যাসেট কিনে সংলাপ শুনতেন। এখনকার ‘আধুনিক’ কটা ছবির সেই জনপ্রিয়তা আছে!

একান্নবর্তী পারিবারিক ছবি দিয়ে বক্সঅফিস হিট করার নজির দেখিয়েছিলেন এই অঞ্জন চৌধুরীই। শুধু তাই নয়, স্টার থেকে নবাগত অভিনেতা– সকলেরই ভাগ্য খুলে যেত অঞ্জন চৌধুরীর চিত্রনাট্যে সংলাপ বলে।

সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সুখ-দুঃখের গল্প বলতেন অঞ্জন চৌধুরী, যা ছুঁয়ে যেত সকল স্তরের মানুষকে। তাঁর কলমের জোরেই বক্সঅফিস হাউসফুল। সেখানে রাখতে হয়নি কোনও অবাঞ্ছিত শয্যাদৃশ্য।

ইদানীং কালের চলচ্চিত্র, ওয়েবসিরিজ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায়– সর্বত্রই অঞ্জন চৌধুরীর ছবি ও চরিত্রদের নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ শুরু হয়েছে আধুনিকতা বোঝাতে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির একজন তরুণ পরিচালক যখন অতীতের পরিচালককে ব্যঙ্গ করেন তাঁর ছবিতে, তখন সেটা আর লঘু ব্যাপার থাকে না। এই বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্বয়ং অঞ্জন চৌধুরী কন্যা রিনা চৌধুরী।

‘দ্য ওয়াল’কে রিনা চৌধুরী বললেন, “হালের পরিচালকদের অবস্থা হয়েছে ‘আঙুর ফল টক’। তাঁরা অঞ্জন চৌধুরীর সিনেমা পছন্দও করেন না, আবার অঞ্জন চৌধুরীর মতো সংলাপ লিখতে পারেন না, অঞ্জন চৌধুরীর মতো সিঙ্গেলস্ক্রিনে ম্যাটিনি, ইভনিং, নাইট শো হাউসফুল করার ক্ষমতা রাখেন না। সাধারণ মানুষদের গল্প বলা আজকালকার ছবিতে নেই। অথচ অঞ্জন চৌধুরীর প্লট টুকেই এখনকার ফিল্ম থেকে সিরিয়াল সব হচ্ছে।অঞ্জন চৌধুরীর নাম পোস্টারে থাকলেই সে ছবি দেখতে তিনটে শো হল ভরে যেত। অশোক ধানুকা আমাকে বলেছিলেন, ‘তোর বাবার ছবি করতে কী মজা লাগত বল তো, একটা পোস্টারে শুধু অঞ্জন চৌধুরীর ছবি বলে ছাপিয়ে দিতাম, হল ভরে চলে আসত দর্শক।’ এবার যেসব পরিচালকের ছবি সেই বক্স পায় না, তাঁদের তো রাগ হবেই। তাই তাঁরা অঞ্জন চৌধুরীকে ব্যঙ্গ করেন।

বাবা মারা গেছেন প্রায় চোদ্দো বছর হল। আমরা দুই বোনও বলতে গেলে সিনেমা করা ছেড়েই দিয়েছি। ডাকেনও না আমাদের এখনকার পরিচালকরা। আমি ডিরেকশন দিই এখন। ‘কল্পতরু’ আমার পরিচালিত ছবি, নন্দনে চলেছিল। দিদি সিরিয়ালে মাঝেমধ্যে কাজ করে। কিন্তু এখনও অঞ্জন চৌধুরী এবং আমরা দর্শকের চোখের সামনে রোজ আছি। কালকেও টিভিতে আমাদের পাঁচখানা ছবি চলেছে। টিভি চ্যানেলে রোজ আমাদের ছবি দেয় মানে নিশ্চয়ই অঞ্জন চৌধুরীর গল্প, সংলাপ এখনও লোকে দেখে! চ্যানেল তো বোকা নয়।অঞ্জন চৌধুরীর ছবি সিঙ্গেলস্ক্রিন হলগুলো বাঁচিয়ে রেখেছিল একটা দীর্ঘ সময়। অথচ আজকালকার পরিচালকরা তাঁদের ছবির সংলাপে বা এমনিও প্রকাশ্যে বৌ সিরিজ টেনে এনে অঞ্জন চৌধুরীকে ব্যঙ্গ করছেন। আমি একটা সিনেমা বানালাম আর তাতে অন্য পরিচালককে দুটো গালাগালি দিলাম, সেটাতে তো আমি নিজেকেই ছোট করি। তাতে না ছোট হল আমার বাবা অঞ্জন চৌধুরী না ছোট হল তাঁর বাংলা ছবি।

ছোট বৌ, মেজো বৌ প্রতিটা সিঙ্গেলস্ক্রিনে হীরক জয়ন্তী সপ্তাহ হিট ছিল। লাল দিয়ে লেখা হাউসফুল বোর্ড নামত না। সেইসব হল আজ হয় উঠে গেছে আর নয় পুড়ে গেছে। এখনকার পরিচালকরা তাঁদের ছবি দিয়ে হলগুলোতে লোক টানুন, হল খুলুন আবার!আরও একটা কথা হল, অঞ্জন চৌধুরী মানেই শুধু মেজো বৌ, ছোট বৌ নয়। বাবার ‘শত্রু’ ছবিটা এখনও পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে দেখানো হয়। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী জ্যোতি বসু পুলিশকে অনুরোধ করে, প্রত্যেক পুলিশকে ‘শত্রু’ ছবিটা দেখতে হবে। ১৯৮৪ সালে কাগজের প্রথম পাতায় বেরিয়েছিল সেই খবরটা।

তাই যাঁরা বাবাকে ছোট পরিচালক বলে হেয় করছেন, তাঁদের একটা কথা বলতে চাই। দয়া করে আপনাদের একটা ছবির নাম করুন, যেটা এমন কোনও ট্রেনিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। আমার বাবার পরিচালিত ‘আব্বাজান’ ছবিটা প্রত্যেক ঈদ, মহরম ইত্যাদি নানা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও আমাদের দেশে দেখানো হয় বিভিন্ন চ্যানেলে। ‘আব্বাজান’ ছবির কর মকুব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন সরকার।এই নবীন নামী পরিচালকরা কি তাঁদের একটা ছবির নামও বলতে পারবেন, যেটা একটা জাতির ফেস্টিভাল মুভি হয়েছে? সর্বোপরি তাঁরা কি সেই সব দর্শককে হলমুখো করতে পারবেন, যেই সব দর্শক বলেন, অঞ্জন চৌধুরীর মৃত্যুর পর বাংলা ছবি দেখা ছেড়ে দিয়েছি!

আমি যখন যাত্রা করতে গেছি, তখন বহু মানুষ আমায় ছুটে এসে বলেছেন ‘আপনার বাবা মারা যাবার পর আমরা বাংলা ছবি দেখা ছেড়ে দিয়েছি। আসলে, দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজ পেরোল মানেই এইসব মাল্টিপ্লেক্স পরিচালকরা বাড়ি চলে গেল। ওখান থেকে অঞ্জন চৌধুরী, স্বপন সাহার উন্মাদনা শুরু হল।

আরডি বর্মণের সঙ্গে অঞ্জন চৌধুরী।

আমার বাবা কোনও শ্রেণিবৈষম্য করে চিত্রনাট্য লিখতেন না। সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সুখ দুঃখের গল্প বলতেন। যে বাড়ির মহিলা ঘুঁটে দেন তাঁর বাড়িতেও অঞ্জন চৌধুরীর ছবির পোস্টার মারা থাকে।

যাঁদের অন্যকে ছোট করার প্রবণতা থাকে, তাঁরা তা করবেই। এগুলো আমরা গায়ে মাখি না। একটা গল্প বলি এ প্রসঙ্গে, এটা একদম সত্যি ঘটনা। একবার সত্যজিৎ রায়কে সংবর্ধনা দিয়েছিল একটি সংস্থা। সেখানে সত্যজিৎ রায় উপস্থিতও ছিলেন। উদ্যোক্তারা সত্যজিৎ রায়ের প্রশংসা করতে গিয়ে সমানে বলে যাচ্ছিলেন একজন নব্য পরিচালক কী সব ‘শত্রু’, ‘ছোট বৌ’, ‘গুরুদক্ষিণা’ ছবি বানায়…। অনেক্ষণ ধরে সব শুনছিলেন সত্যজিৎ রায়। তারপর সত্যজিৎ রায় নিজে বলার সময় ওই অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে উদ্যোক্তাদের প্রতি বলেছিলেন, ‘যাঁরা একজন তরুণ পরিচালককে এত ছোট করছেন তাঁরা আগে একটা ‘শত্রু’, ‘গুরুদক্ষিণা’ করে দেখান। অমন হাউসফুল হল করে দেখান।’

লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে সস্ত্রীক অঞ্জন চৌধুরী।

পরে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত কিছু দর্শক ঘটনাটা বাবাকে জানিয়েছিলেন। এছাড়াও যখন সত্যজিৎ রায় ‘শাখা প্রশাখা’ করছিলেন, তখন শিশুশিল্পীর রোলে বিট্টুকে (সোহম চক্রবর্তী) নেওয়ার জন্য অঞ্জন চৌধুরীকে ফোন করেছিলেন। বলেছিলেন ‘আপনার কোনও ছবি কি বিট্টু করছে? আমার একটা ছবিতে ওকে লাগবে।’ বাবা সত্যজিৎ রায়কে বলেছিলেন ‘বিট্টু এখন আমার কোনও কাজ করছে না। আপনি ওকে অবশ্যই নিন।’

আসল ব্যাপার হল, যিনি সত্যিকারের গুণী তিনিই সেই গুণের কদর করেন। তাই ঋতুপর্ণ ঘোষও বলেছিলেন, ‘অঞ্জন চৌধুরীর জন্যই সব প্রোডিউসাররা বাংলা ছবিতে হিটের মুখ দেখতে আসেন। তাই আমরা আর্টফিল্ম মেকাররা প্রোডিউসার পাই।’…”

অঞ্জন চৌধুরীর জন্মদিনে কেক খাওয়াচ্ছেন মেয়ে চুমকি।

শুধু অঞ্জন চৌধুরী নয়, মেনস্ট্রিম কোনও পরিচালককেই ইন্ডাস্ট্রি পরবর্তী কালে আর তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। তাঁদের ছবির টিভিতে, ইউটিউবে মিলিয়ন ভিউ অথচ পরবর্তী পরিচালকরা তাঁদের ছোট করতেই ব্যস্ত। ঠিক যেমন ভাবে স্বর্ণযুগের মূলধারার পরিচালক অগ্রদূত, সরোজ দে, বিজয় বসু, অজয় কররা বিস্মৃতির আড়ালে চলে গেছেন। সত্যজিৎ-মৃণাল-ঋত্বিক তিনজনেই যেন শুধু চলচ্চিত্রের দেবতা। তাই দেবতার আসনে এযুগে স্থান পান না দেবকী কুমার বসুর মতো পরিচালকও।এ প্রসঙ্গেও খোলাখুলি মতামত জানালেন রিনা চৌধুরী। বললেন, “চিরকাল আঁতেল সাজার লোভে কিছু দর্শক ও পরিচালক সমানে অঞ্জন চৌধুরীর ছবিকে ব্যঙ্গ করে চলেছেন। শুধু অঞ্জন চৌধুরী না, স্বপন সাহা, সুজিত গুহ এঁদেরও ভুলে গেছে ইন্ডাস্ট্রি। অথচ একসময় সব অভিনেতা এঁদের ছবিতে কাজ করার জন্য লালায়িত হয়ে থাকতেন। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পাল, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়– সবার বড় বড় হিট এঁদের সঙ্গেই। সুজিত গুহর ‘অমর সঙ্গী’র গানটা আজও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যে মঞ্চেই যান, গাইতে হবেই। এখনকার পরিচালকদের কাজ কি চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর পরে লোকে এমন ভাবে মনে রাখবে?

আমাকে তো আজও দর্শকরা এসে ‘পূজা’ বলে অটোগ্রাফ চায়, সেলফি চায়। এসব বাদেও একটা সত্যি ঘটনা বলি। বাঁকুড়ায় গেছিলাম যাত্রা করতে, একজন ভদ্রলোক এসে আমাকে বলছেন, ‘দিদি, আপনি আমাকে জামার দামটা দেবেন!’ কোন জামার দাম! বাঁকুড়ার একটা সিনেমাহলে আমার ছবি ‘পূজা’ দেখতে গিয়ে নাকি তাঁর জামা ছিঁড়ে গেছিল। এত ভিড় হয়েছিল, এত টিকিট ব্ল্যাক হয়েছিল যে তাঁর টিকিট পেতে জামাই ছিঁড়ে যায় ভিড়ের চাপে।সে ঘটনার কত বছর পর তো আমি ওখানে যাত্রা করতে গেছি, তখনও আমাকে সামনে পেয়ে তিনি আপ্লুত। সেই জামার দামই চাইছেন তিনি মজা করে! ফাংশনে যাই যখন, বাচ্চারা এসে বলে ‘পূজা পিসি, চা খেয়ে চায়ের কাপ ভাঙা দেখাও আমাদের।’ সোহমকে আজও বলে, ‘হরলিক্স দাও চেটে চেটে খাব।’ এমনই হিট আজও বাবার সংলাপ।

এছাড়াও আমি একটা ভিসিডির দোকান থেকে সিনেমার ক্যাসেট নিতাম। সেখানে অনেক ছবিই পেতামনা। এমনকি বাবার ছবি বা আমাদের ছবিও পেতাম না। খুব রেগে যেতাম। তখন ওই দোকানের মালিক একদিন বলছেন আমায়, ‘দিদি কিছু মনে করবেন না। এই এলাকায় অনেক সিরিয়াল, সিনেমার ডিরেক্টর, রাইটার থাকেন, তাঁরা আপনার বাবার ছবিগুলো নিয়ে গিয়ে দেখে প্লটগুলো টোকে।’এদেশে বাবাকে সম্মান না দিলে কী আর বলব।  কিন্তু বাবা যখন বাংলাদেশে গেছিলেন, তখন বাবাকে একদম গ্রিন করিডোর দিয়ে নিয়ে গেছিলেন ওঁরা। এত জনপ্রিয়তা ওখানেও। ওখানে আমার বাবা-মা কে ওঁরা বলেছিলেন, ‘দাদা আপনার ছবি যা এখানে চলে, আমাদের ছবিও তত চলে না।’

বাবা এই জন্য বাংলাদেশে ছবি করতেও পারেননি। কারণ বাংলাদেশের পরিচালকরা বলেছিলেন, ‘আপনি এখানে ছবি করলে আমাদের ছবি চলবে না, আমরা মার খাব।’ অনুরোধ করেছিলেন ওঁরা, তাই বাবার করা হল না বাংলাদেশে ছবি। বাংলাদেশের অভিনেত্রী শাবানা তো বাবার ‘শত্রু’র হিন্দি রিমেকে রাজেশ খান্নার নায়িকা হয়েছিলেন। ‘ছোট বউ’ও হিন্দি রিমেক হয়েছিল। ‘ছোটি বহু’। শিল্পা শিরদকার, বিন্দু ছিলেন। কাদের খান চিত্রনাট্যকার ছিলেন হিন্দিতে। উনি বাবাকে বলেছিলেন, ‘আপনি এত ভাল জমাটি সংলাপ লিখেছেন, আমি শুধু ট্রান্সলেট করছি।’

রবি ঘোষ, রিনা চৌধুরী, দিলীপ রায়, প্রসেনজিৎ ও অঞ্জন চৌধুরী।

কোনও রাজনৈতিক জমানাতেই কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভালে বা কোনও অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে অঞ্জন চৌধুরীকে বা তাঁর পরিবারকে একটা আমন্ত্রণপত্রও পাঠানো হয়নি। আজও হয় না। একসময় টলিউডের অন্নদাতা অঞ্জন চৌধুরীকে মরনোত্তর সম্মান পুরস্কার জানানোর প্রয়োজনও কেউ মনে করেন না।”

ছবি সৌজন্যে: রিনা চৌধুরী

You might also like