নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত মহিলা মনে হতো: বিদ্যা বালান

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিদ্যা বালান। বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের একজন। পোক্ত অভিনয়ের জোড়ে মন জিতেছেন দর্শকদের। সঙ্গে অভিনেত্রীর ইউএসপি ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’-র লুক। সারাক্ষণ মুখে লেগেই রয়েছে চওড়া হাসি। চোখাদুটোও যেন কথা বলে। হাসির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঝকঝক করে। ইতিমধ্যেই বিদ্যার ঝুলিতে জড়ো হয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। হেভিওয়েট সিনেমার তালিকাতেও রয়েছেন তিনি। তাঁর অসামান্য অভিনয় দক্ষতা দেখে বিদ্যার ফ্যান বনেছেন আট থেকে আশি।

কিন্তু আজও কেরিয়ারের শুরু কয়েকটা দিন মনে পড়লে শিউরে ওঠেন বিদ্যা। বয়স ৪০-এর কোঠায় পৌঁছে গেলেও আতঙ্ক কাটেনি। তখন তিনি কেরিয়ারের দোরগোড়ায়। ঘটনাটা আজ থেকে ১৫ বছর আগের। সে সময় একটি দক্ষিণী ছবির জন্য প্রযোজকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন বিদ্যা। দেখা করার কথা ছিল একটা কফিশপে। কিন্তু তাঁকে হোটেলের রুমে ডেকে পাঠান প্রযোজক। একপ্রকার বাধ্য হয়েই যেতেও হয় বিদ্যাকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, “সেদিন হোটেলের রুমের দরজাটা খোলা ছিল। তাই স্বাভাবিক কথাবার্তা বলে ৫ মিনিটের মধ্যেই প্রযোজক বেরিয়ে যান।” কিন্তু ৫ মিনিটই যে মারাত্মক আতঙ্কে কাটাতে হয়েছিল তাঁকে সে কথা স্পষ্ট করেই বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। দীর্ঘ ১৫ বছর আগের ওই মুহূর্ত যে আজও তাঁর মনে ভয়ের জায়গা করে রেখেছে সে কথাও স্বীকার করেন বিদ্যা।

তবে এখানেই শেষ নয়। দক্ষিণী ছবির কেরিয়ারে আরও কয়েকবার হোঁচট খেতে হয়েছে বিদ্যাকে। সব ঠিক হয়ে যাওয়ার পরেও ছবি থেকে বাদ গিয়েছে তাঁর নাম। প্রযোজকের অফিসে ডেকে বলে হয়েছে, “নিজেকে আয়নায় দেখো। কী মনে হয় তুমি হিরোইনদের মতো দেখতে?” বডিশেমিং থেকে শুরু করে তাঁর যোগ্যতা নিয়েও বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বিদ্যা। সে সময়ে মানসিক ভাবে খুব ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। ধীরে ধীরে অবসাদ ঘিরে ধরছিল তাঁকে। বিদ্যার কথায়, “মাসের পর মাস অবসাদে ভুগেছি। মনে হতো আর কোনওদিন ঘুরে দাঁড়াতেই পারব না। নিজেকে আয়নায় দেখতে ভয় লাগত। মনে হতো আমি দুনিয়ার সবচেয়ে কুৎসিত মেয়ে।”

তবে জীবনের এই কঠিন সময়ে বিদ্যা পাশে পেয়েছিলেন তাঁর পরিবারকে। মনের জোর এবং পরিবারের সাহায্যেই আজ তিনি বি-টাউনের দাপুটে অভিনেত্রী। তাঁর সাবলীল অভিনয়ের জন্যই আজ তাঁকে চেনে বিশ্ববাসী।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More