দীপিকার নামে সারাক্ষণ নালিশ করেন রণবীর, তাও আবার ফ্যামিলি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিবারের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নাকি প্রায় সারাক্ষণ দীপিকার ব্যাপারে নালিশ করেন রণবীর। এমনকি মাঝে মাঝে নালিশ নিয়ে রণবীর পৌঁছে যান দীপিকার মা’র কাছেও। সদ্যই একটি সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন দীপিকা। তবে রণবীরের এই আচরণে অবশ্য একটুও বিরক্ত নন তিনি। বরং বেশ হেসে হেসেই বলেছেন, “আমি সারাক্ষণ কিছু না কিছু কাজ করি। আর সেই জন্যই রণবীর ফ্যামিলির সবাইকে আমার নামে নালিশ করে।“

    ব্যাপারটা আসলে কী!

    দীপিকার কথায় তিনি কিছুতেই এক জায়গায় বসে থাকতে পারেন না। বাড়িতে থাকলেই সারাক্ষণ কিছু না কিছু কাজে নিজেকে যুক্ত রাখেন। তা সেটা রান্না হোক বা ঘর গোছানো কিংবা আলমারি পরিষ্কার—–কিছু একটা কাজ করতেই হবে তাঁকে। একজায়গায় বসে থাকাটা ভীষণ আলস্যের লক্ষণ দীপিকার কাছে। তাই সর্বক্ষণ নিজেকে কাজের মধ্যেই রাখতে ভালবাসেন দীপিকা।

    View this post on Instagram

    Season 1:Episode 1 Productivity in the time of COVID-19!😷 #cleaning #wardrobe

    A post shared by Deepika Padukone (@deepikapadukone) on

    আর এতেই নাকি বেজায় ক্ষেপে যান রণবীর। হামেশাই বলেন, “দীপিকা তুমি এক জায়গায় একটু সুস্থির হয়ে বসতে পার না। সারাক্ষণ কীদের এত কাজ থাকে তোমার। চুপ করে বসো একটু।“ দীপিকার এই আচরণ নিয়েই ফ্যামিলি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগও জানান রণবীর।

    ঘরের কাজে দীপিকা যে পারদর্শী সেই নমুনা পাওয়া গিয়েছে সম্প্রতিই। আপাতত লকডাউনের জেরে বাড়িতেই রয়েছেন অভিনেত্রী। তাই এক এক দিন এক একতা নতুন কাজে হাত লাগাচ্ছেন তিনি। শুরুটা করেছিলেন আলমারি গোছানো দিয়ে। ক’দিন আগে আবার রণবীরে জন্য সখ করে রেঁধেছিলেন তিন-চার রকমের পদ।

    তবে ফাঁকা সময়ে কাজ করাটা দীপিকার কাছে অনেকটা নেশার মত। কিছুদিন আগে কোমরে চোট পেয়েছিলেন তিনি। রণবীর পরামর্শ দিয়েছিলেন শুয়ে থেকে বিশ্রাম নেওয়ার। কিন্তু দীপিকা তো বসে বসে অবসর যাপনের বান্দা নন। তাই রণবীর চোখের আড়াল হতেই শেলফ পরিষ্কার করা এবং গোছানোর কাজে নেমে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। কপাল খারাপ থাকায় ধরাও পড়ে যান রণবীরের কাছে। বকাও খান একপ্রস্থ। সঙ্গে বাড়ির বড়দের কাছে দীপিকার নামে নালিশও করেন রণবীর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More