প্রকাশ্যে সন্তানকে স্তন্যপান করাতে গেলেও ‘সরি’ বলতে হয়, ভাবতেই অবাক লাগে: নেহা ধুপিয়া

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রকাশ্যে সন্তানকে স্তন্যপান করাতে গেলে একুশ শতকের সমাজেও নানান সমস্যা ফেস করতে হয় মায়েদের। আশেপাশের লোকজন কী ভাববেন, কী বলবেন সে সব ভাবতে গিয়েই অজান্তে অনেকসময় অবহেলা হয়ে যায় একরত্তি সদ্যোজাতর। আন্তর্জাতিক ব্রেস্টফিডিং উইকে এ বার মাতৃত্ব এবং স্তন্যপান করানো নিয়ে সরব হলেন মডেল-অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া।

    সম্প্রতি মেয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত নিয়ে সুন্দর একটি ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নেহা। আর সেখানেই নেহা বলেছেন সদ্যোজাতকে সন্তানকে স্তন্যপান করানো কতটা প্রয়োজনীয় বিষয়। নেহা বলেছেন, “প্রথম ছ’মাস মেহেরকে অন্য কিছুই খাওয়ানো যেত না। ট্র্যাভেল করার সময় খুব সমস্যায় পড়তাম। বুঝতে পারতাম না কী ভাবে ওকে খাওয়াবো। অনেকসময় প্লেনের বাথরুমে বসেও মেয়েকে ব্রেস্টফিড করিয়েছি। কারণ মেয়ে খিদেয় কষ্ট পাবে এটা সহ্য করা যায় না। এরপর বেশ কিছুক্ষণ বাথরুম আটকে রাখার জন্য বাকি যাত্রীদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছি।” এর সঙ্গেই নেহা এ-ও বলেছেন, যে একটা খুব স্বাভাবিক জিনিস করতে গেলে লোকের কাছে ক্ষমা চাইতে হচ্ছে, সরি বলতে হচ্ছে——এটা ভাবতেই অবাক লাগে।

    View this post on Instagram

    Let’s start a conversation… as mothers we need #freedomtofeed … #internationalbreastfeedingweek … @freedomtofeed #ItsNotAnAd ? @ashishjparmar @mananinmotion

    A post shared by Neha Dhupia (@nehadhupia) on

    তবে সন্তানকে স্তন্যপান করানোর ব্যাপারে কোনও জড়তা থাকা উচিত নয় বলেই মত নেহার। ব্রেস্টফিডিং উইকে তাই সব নতুন মায়েদের উৎসাহ দিতেই এই ভিডিয়ো বার্তা শেয়ার করেছেন নেহা ধুপিয়া। তিনি বলেছেন, “সব মায়েদের উৎসাহ দিয়ে বলব তাঁরা তাঁদের সন্তানকে ব্রেস্টফিড করানোর অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে বাগ করে নিন। কারণ এতে লজ্জার কিছু নেই।” নেহা এ-ও জানিয়েছেন যে তাঁর পরিবারের সকলেই এবং স্পেশ্যালি অঙ্গদের মেহেরকে বড় করার ব্যাপারে ভীষণ সাপোর্ট পান তিনি।

    নেহা ধুপিয়ার পাশাপাশি ব্রেস্টফিডিং উইকে নতুন মায়েদের পাশে বাবারাও যেন ঢাল হয়ে দাঁড়ান, সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বার্তা দিয়েছেন সমীরা রেড্ডিও। নিজের পোস্টে সমীরা লিখেছেন, নতুন বাবারাও যেন নতুন মায়েদের প্রতি সাপোর্টিভ হন। স্তন্য পান করানো নিঃসন্দেহে মায়ের কাজ। তবে সেটা যেন একা মায়েরই দায় না হয়। বরং এই কাজে বাবারাও যেন মায়েদের সব জায়গায় সবরকম পরিস্থিতিতে সাপোর্ট করেন। মায়েদের উৎসাহ দেন। মা হওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। শারীরিক ছাড়াও থাকে নানা রকমের মানসিক প্রেশারও। তাই নতুন মায়েদের পাশে যেন সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়ান নতুন বাবারা। ভালোবাসার সঙ্গে সম্মানটাও দেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More