জয় মেহেতার সঙ্গে বিয়ে কেন লুকিয়েছিলেন জুহি, এতদিনে অকপট ‘কিরণ’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডে তখন তাঁর কেরিয়ার তুঙ্গে। একের পর এক হিট ছবি। বক্স অফিসের সাফল্যের পাশাপাশি পর্দায় জুটি বাঁধছেন বিটাউনের তাবড় নায়কদের সঙ্গে। ছবির গল্প থেকে সবই সুপারহিট। যে কাজে হাত দিচ্ছেন সেখানেই যেন সোনায় সোহাগা। রোম্যান্টিক ছবির নায়িকা মানেই তখন দর্শক জানত একজনেরই নাম—-জুহি চাওলা।

কেরিয়ারের এমন শীর্ষে থাকাকালীনই বিয়ে করে নেন জুহি। পাত্র নামজাদা ব্যবসায়ী জয় মেহেতা। ১৯৯৫ সালে জয়ে সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন নায়িকা। তবে প্রথমে প্রকাশ্যে আনেননি বিয়ের খবর। পরিবার-পরিজন আর হাতে গোনা কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ছাড়া কেউই জানত না জুহির বিয়ের খবর। পরে অবশ্য নায়িকার বিয়ের খবর পেয়ে হৃদয় ভেঙেছিল বহু পুরুষের।

প্রায় ২৫ বছর হতে চলল জয় মেহেতার সঙ্গে সংসার করছেন জুহি। তবে ব্যবসায়ী ঘরণী কেন বিয়ের পর সেকথা প্রকাশ্যে আনেননি এবার জানিয়েছেন সেই কথাই। এত বছর পর এক সাক্ষাৎকারে জুহি বলেছেন, “ভয় পেতাম যে কেরিয়ারটা শেষ হয়ে যাবে। সেসময় অবশ্য এত ইন্টারনেটের রমরমা ছিল না। সব ফোনে ক্যামেরা ছিল না। সেই জন্যই বিয়ের ব্যাপারটা গোপন রাখতে পেরেছিলাম।“

তবে জুহির জীবনে জয় যে আশীর্বাদ হয়েই এসেছিলেন সেকথা ওই সাক্ষাৎকারে বারবার বলেছেন অভিনেত্রী। ১৯৯৮ সালে ‘ডুপ্লিকেট’ ছবির শ্যুটিং করছিলেন জুহি চাওলা। সেই সময়ে একটা খবর কার্যত তছনছ করে দিয়েছিল জুহির জীবন। ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান অভিনেত্রীর মা মোনা চাওলা। জুহি জানিয়েছেন, “ওই সময়টা খুব সাংঘাতিক ছিল আমার জীবনে। প্রতিদিন ভাবতাম হয়তো এবার ভালবাসার সব জিনিসগুলো একে একে হারিয়ে ফেলব। খুব ভয়ে-আতঙ্কে থাকতাম সবসময়। তবে সেই সময় জয় আমার পাশে ছিল। ১৯৯০ সালে নিজের প্রথম স্ত্রী সুজাতা বিড়লাকে হারিয়েছিল জয়। প্লেনে ক্র্যাশে মারা গিয়েছিলেন সুজাতা। তাই অ্যাকসিডেন্টের ফলে কাছে মানুষের মুহূর্তে দূর চলে যাওয়ার যন্ত্রণাটা জয় খুব ভাল ভাবে বুঝতে পারত।“

কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির লোক নন জয় মেহেতা। ঝাঁ-চকচকে হিরোর ইমেজও নেই। তাহলে জুহির সঙ্গে আলাপ হল কীভাবে?

বন্ধুদের মাধ্যমেই জয়ের সঙ্গে আলাপ হয় জুহির। প্রথমবার দেখা-সাক্ষাতের পর অবশ্য যে যাঁর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্নও হয়ে যায় তাঁদের। পরে ফের এক বন্ধুর দেওয়া ডিনার পার্টিতেই জয়ের সঙ্গে দেখা হয় তাঁদের। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে বন্ধুত্ব। পরবর্তী সময়ে গাঢ় হয় সম্পর্ক। জুহি জানিয়েছেন, “যেখানেই যেতাম দেখতাম জয় হাজির। কখনও হাতে প্ল্যাকার্ড, কখনও বা ফুলের তোড়া। সবচেয়ে মজার হল আমায় একবার এক ট্রাক ভর্তি লাল গোলাপ পাঠিয়েছিল জয়। আমায় মুগ্ধ করার জন্য যা যা করা সম্ভব সেইসবই করেছিল ও।“

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More