মিছিলে নিষেধাজ্ঞা, মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন

৩৬২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত মার্চে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও তাঁর কয়েকজন অনুগামী দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। ফলে রাজ্যের ন’টি জেলায় ২৮ টি বিধানসভা আসন ফাঁকা হয়। সেই আসনগুলিতে উপনির্বাচন হবে শীঘ্রই। গত বুধবার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গোয়ালিয়র বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসকদের নির্দেশ দেয়, কোনও প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল যদি প্রমাণ করতে না পারে যে তাদের পক্ষে ভার্চুয়াল সমাবেশ করা সম্ভব নয়, তাহলে বাস্তবেও তাদের মিছিল-মিটিং করতে দেওয়া হবে না। হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শীর্ষ আদালতে নির্বাচন কমিশন বলেছে, কীভাবে ভোট করানো হবে, তা স্থির করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। হাইকোর্ট সেখানে হস্তক্ষেপ করেছে। তার নির্দেশের ফলে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের সমান সুযোগ পাবেন না। হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশ সরকারও সুপ্রিম কোর্টে যাবে বলে স্থির করেছে। বৃহস্পতিবার এক ভিডিও মেসেজে মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, অশোকনগরের শাদোরা ও ভান্দের অঞ্চলের ভোটারদের কাছে আমি ক্ষমা চাইছি। সেখানে আমার জনসভা করার কথা ছিল। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশের ফলে জনসভা হচ্ছে না।

পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। কিন্তু ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাব। কারণ মনে হচ্ছে একই দেশে এখন দু’রকম আইন চলছে।” বিষয়টি ব্যাখ্যা করে শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “মধ্যপ্রদেশের কোনও কোনও অঞ্চলে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অন্যত্র দেওয়া হচ্ছে না।” বিহারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “সেখানে সভা-সমাবেশ করা যাচ্ছে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের কোনও কোনও জায়গায় তার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এর বিরুদ্ধেই আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাব।”

করোনা সংক্রমণের ভয়েই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট সভা-সমিতির ওপরে কার্যত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুসারে আজ ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭৭,৬১,৩১২। এখনও পর্যন্ত দেশে কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১,১৭,৩০৬ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬৯,৪৮,৪৯৭ জন। ভারতে এখন অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৬,৯৫,৫০৯। দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা এখন ৭ লক্ষের নীচে নেমেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪,৩৬৬ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৬৯০ জনের। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৭৩,৯৭৯ জন। দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার বেশি। দেশে কোভিড সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থতার এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে আশা জাগাচ্ছে। ভারতে এখন সুস্থতার হার ৮৯.৫৩ শতাংশ। আর মৃত্যুহার ১.৫১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৪,৪২,৭২২ জনের কোভিড টেস্ট করা হয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More