#Breaking: ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দিল কমিশন

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৭ এপ্রিল কোচবিহারের পুলিশ সুপার অভিষেক গুপ্তকে দেখে নেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। কারণ, তাঁর অভিযোগ ছিল পুলিশ সুপার শাসকদলের ‘পেটোয়া।’ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন। তার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ওই পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফায় ১১ এপ্রিল কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার আসনে ভোটগ্রহণ। তার ৪৮ ঘণ্টা আগে কোচবিহারের পুলিশ সুপার পদে দায়িত্বে এলেন অমিত সিং। রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের সুপারিটেনডেন্ট পদে ছিলেন অমিত সিং।

কোচবিহারে পুলিশ সুপারকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয় নরেন্দ্র মোদীর সভার অনুমতি ঘিরে। শহরের রাসমেলা ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার আগের দিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ। দুই মঞ্চ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত মোদীর সমাবেশ অনুমতি পেলেও কোচবিহার শহরে রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয় ওই সংঘাত ঘিরে। এর পরে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চ থেকেই মুকুল রায় বলেন, “এই সভার অনুমতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে কোচবিহার জেলার রিটার্নিং অফিসার কৌশিক সাহা ও পুলিশ সুপার অভিষেক গুপ্ত যে নোংরামি করলেন তা মনে রাখুন।” তারপরেই পুলিশ সুপারের উদ্দেশে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে মুকুলবাবু বলেন, “আমিও ১০ বছর রাজনীতিতে থাকবো। আপনি কত বড় পুলিশ সুপার তা আমি দেখে নেব।”

এখানেই না থেমে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিষেক গুপ্তর নামে শাসকদলের হয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন মুকুল রায়। সেই অভিযোগের পরে এদিন অভিষেক গুপ্তকে সরিয়ে দিল কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যকে সেই নির্দেশ পাঠিয়ে দিয়েছে কমিশন। অভিষেক গুপ্ত নির্বাচনের কোনও কাজেই আর যুক্ত থাকতে পারবেন না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More