‘ড্রামাবাজি’ করছেন রাহুল গান্ধী! পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে তাঁর কথা বলা নিয়ে তীব্র আক্রমণ নির্মলা সীতারমনের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়ে চলা লকডাউনে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছেন অভিবাসী শ্রমিকরা। গত কয়েক দিন ধরেই সংবাদমাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এমন নানা ঘটনা। বহু শ্রমিক ফিরতে পারছেন দীর্ঘ লড়াই শেষে, অনেকের আবার প্রাণ ফুরিয়ে যাচ্ছে পথের ক্লান্তিতে বা দুর্ঘটনায়। শ্রমিকদের এই দুর্দশার ছবি বারবার প্রশ্নের মুখে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনার অভাবকে। এমনই কিছু শ্রমিকের সঙ্গে পথেই দেখা করে কথা বলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

    শনিবার দেখা যায়, তিনি মুখে মাস্ক পরে কথা বলছেন কয়েক জন শ্রমিকের সঙ্গে। এই ছবি সামনে চলে আসার পরেই ভাইরাল হয়ে যায়। তাঁর এই আচরণকে ‘নাটকবাজি’ বলে আখ্যা দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও আক্রমণ করেন রাহুলকে। অন্যদিকে কংগ্রেসের অভিযোগ, ওই শ্রমিকরা তাঁদের সমস্যার কথা রাহুল গান্ধীকে বলার পরেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁদের। যদিও পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    রবিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সাংবাদিক বৈঠকের শেষে পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নে উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, “আমি হাত জোড় করে বলছি, নম্রভাব বলছি আমাদের সকলকে একযোগে এসে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংকট কাটাতে হবে।”

    এর পরেই সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “আমি জানতে চাই কংগ্রেস পার্টি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কেন কিছু করছে না? কেন কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিতে বা তার শরিক শাসিত রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কিছু করা হচ্ছে না? পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ব্যবস্থাপনা করা উচিত, যেভাবেই হোক সাহায্য করা উচিত। পথের ধারে বসে ওঁদের সঙ্গে গল্প করার চেয়ে ওঁদের জন্য ট্রেনের আবেদন করুন, ওঁদের সঙ্গে হাটুন, ওঁদের স্যুটকেসটা বয়ে দিয়ে সাহায্য করুন।”

    এর পরেই তিনি সকাসরি বলেন, গতকাল অর্থাৎ শনিবার যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে রাহুল গান্ধী পথে বসে কথা বলেছেন, তা একেবারেই ‘নাটক’। তিনি বলেন, “ওঁরা আমাদের ড্রামাবাজ বলেন। কিন্তু কালকের ঘটনাটাও রাহুলের ড্রামাবাজি।”

    সনিয়া গান্ধীকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি নির্মলা সীতারমন। তিনি বলেন, “আমি সনিয়াজিকে আবেদন করছি, আমাদের বিষয়টা দেখতে দিন দায়িত্ব-সহকারে।” পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তোলার আগে কংগ্রেসের আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    এই ঘটনা নিয়ে স্মৃতি ইরানিও এদিন একটি সাক্ষৎকারে বলেন, কারও ৫০ বছর বয়স হয়ে গেলে, আর কোনও কাজ না থাকলে, তাঁর আত্মমর্যাদা থাকে না। রাহুল গান্ধীরও সেই অবস্থা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, রাহুল গান্ধী এখন কংগ্রেসের অস্বস্তির কারণ।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More