মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭

EXCLUSIVE: ইচ্ছাকৃত বিপর্যয় ঘটিয়ে খুন করা হয়েছিল বাচ্চাগুলোকে! দ্য ওয়ালের মুখোমুখি কাফিল খান

তিয়াষ মুখোপাধ্যায়

“এখনও লোকে আমায় খুনি বলে, সন্ত্রাসবাদী বলে। ডক্টর কাফিল খানের সঙ্গে বিখ্যাত নয়, কুখ্যাত তকমাই মানায় ভাল। কিন্তু একই সঙ্গে, এই  ‘খুনি’ বিশেষণটা জুড়ে যাওয়ার পরে যে এত মানুষের ভালবাসা পেয়েছি, এত অনুপ্রেরণা পেয়েছি, এত শক্তি পেয়েছি, সেটা আমার ভাবনার বাইরে ছিল। আমার নতুন জীবন শুরু হয়েছে জেল থেকে বেরিয়ে আসার পরেই। আমার সঙ্গে যেটা ঘটেছে, সেটা না ঘটলে আমি কোনও দিন হয়তো জীবনকে চিনতেই পারতাম না। লড়াইকে জানতেই পারতাম না।”

দ্য ওয়াল‘-এর সঙ্গে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এমনটাই বললেন, দু’বছর আগে গোরক্ষপুরের সরকারি হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর কাণ্ডে সাসপেন্ডেড চিকিৎসক কাফিল খান।

খোলামেলা সাক্ষাৎকারে অকপটে স্বীকার করলেন, রীতিমতো উচ্চবিত্ত পরিবারের আদুরে সন্তান হিসেবে বড় হয়ে ওঠা কাফিল মেধার জোরে চিকিৎসক হয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু কোনও দিনও ভাবতে পারেননি, এই পেশার কাছে দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে গিয়েই জীবনের মোড় ঘুরে যাবে তাঁর। কোনও দিন এভাবে কঠিনতম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেও চাননি তিনি। “কিন্তু ওই একটা লোক, একটা মাত্র লোক… উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আমার গোটা জীবন ওলোটপালোট করে দিল। এখন আমার সামনে দু’টো পথ। হয় হেরে যাওয়া, অথবা লড়াই করা। আমি দ্বিতীয়টা বেছে নিয়েছি।”

বছর দুয়েক আগে, ২০১৭ সালের ১০ অগাস্ট। রাতে আচমকাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের সরকারি হাসাপাতালে শিশুদের জরুরি বিভাগের কৃত্রিম অক্সিজেনের জোগান। ৫৬ ঘণ্টা টানা জোগান বন্ধ থাকার পরে শুরু হয় শিশুমৃত্যুর মিছিল। এই ৫৬ ঘণ্টায় শিশু বিভাগের চিকিৎসক কাফিল খান একার চেষ্টায় ৫০০টিরও বেশি অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করে এনে প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন বহু শিশুর। ওঁর জন্যই মৃত্যুমিছিল থেমেছিল ৭০-এ। কিন্তু চরম আশ্চর্যজনক ভাবে, ভরা হাসপাতালে সকলের চোখের সামনে একের পর এক অক্সিজেন নিয়ে এসে শিশুদের প্রাণ বাঁচানো সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধেই আনা হয় অনিচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ! তার উপরেই দায় চাপানো হয় অক্সিজেনের জোগান বন্ধ হয়ে যাওয়ার। অথচ অক্সিজেন সরবরাহকারী সংস্থা একাধিক চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল, তাদের বকেয়া না মেটালে অক্সিজেনের জোগান বন্ধ হয়ে যাবে। হলও ঠিক তাই।

ডক্টর কাফিল খান বলছিলেন, “এটা মৃত্যু নয়, মানুষের তৈরি করা ম্যাসাকার ছিল। খুন হয়েছিল শিশুগুলো। রাষ্ট্রের গাফিলতিতে খুন হয়েছিল। অথচ অতগুলো মৃত্যুর ঘটনা কিন্তু খুব সহজেই চাপা দিয়ে দেওয়া গেল, কাফিল খানকে অভিযুক্ত হিসেবে সামনে দাঁড় করাতেই। সমস্ত সংবাদমাধ্যম, সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী– সকলের আলোচনার বিষয় হয়ে গেল কাফিল খান। অতগুলো শিশুর মৃত্যুর দিক থেকে সকলের চোখ সরে গেল কত সহজে।”

একের পর এক নথি প্রমাণস্বরূপ সামনে আনছিলেন ডক্টর কাফিল। দেখিয়ে দিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার প্রতিটা তথ্যপ্রমাণ তাঁর পক্ষে গিয়েছে। হাইকোর্ট তাঁকে ক্লিনচিট দিয়েছে। দেখালেন আরটিআই-এর চিঠি, যাতে প্রমাণিত যে বিভাগীয় কোনও দায়িত্বে বা পদে তিনি ছিলেন না। দেখালেন ‘পুষ্পা সেলস’ নামের অক্সিজেন সরবরাহকারী সংস্থার ১৪টি চিঠি, যারা হাসপাতাল ও সরকারকে চার মাস ধরে বারবার জানিয়েছে, তাদের টাকাপয়সা না মেটালে তারা অক্সিজেনের জোগান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। এত কিছুর পরেও আজও সাসপেন্ডেড রয়ে গিয়েছেন কাফিল খান। ফিরতে পারেননি হাসপাতালে।

“আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ না আনলে তো নিজেদের গাফিলতিটা মেনে নিতে বাধ্য হতো ওরা। সেটা এড়ানোর জন্যই সামনে আনা হল আমায়। টার্গেট করা হল আমার কাজ। ফোকাস সরিয়ে দেওয়া হল কায়েমী স্বার্থ বজায় রাখতে।”– সপাট ব্যাখ্যা কাফিল খানের।

কিন্তু এর পরেও হেরে যাননি কাফিল। লড়াইয়ের মাটি ছাড়েননি এক ইঞ্চিও। আর এখানেই হয়তো কাফিল খানের জীবনটা আর পাঁচ জনের চেয়ে অনেকটা অন্য রকম হয়ে যায়। চার পাশে বহু বহু নত হওয়া, মেনে নেওয়া, আপস করা হেরে যাওয়া আহত মুখের ভিড়ে কাফিল খান দৃপ্ত থেকে দৃপ্ততর হয়ে উঠেছেন প্রতি দিন। তাই তো কোনও রাখঢাক না করেই সরাসরি বলতে পারেন, “এ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা কোনও দিনই পর্যাপ্ত এবং উন্নত ছিল না। কিন্তু শেষ পাঁচ বছরের পরিসংখ্যানই দেখিয়ে দিচ্ছে, আরও কতটা খারাপ হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসার অবস্থা।”

কিন্তু এই অবস্থায় পিছনে দায় কার?

কাফিল খানের অভিযোগ, সারা দেশকেই ধর্মের আফিং খাইয়ে ভুলিয়ে রাখা হয়েছে। মানুষ কোনটা নিয়ে প্রতিবাদ করবে, কী চাইবে, কী চাইবে না, হিসেব করতে ভুলে যাচ্ছে। ন্যূনতম শিক্ষা বা স্বাস্থ্য যে প্রতিটা দেশবাসীর অধিকার, তা ভুলেই গেছে তারা। সাম্প্রদায়িকতার বিষ দিয়ে মানুষের বহু চাহিদা মেরে ফেলছে মোদী সরকার।

শুধু তা-ই নয়। এই মোদী সরকারেরই বিভিন্ন প্রতিনিধি বারবার আধুনিকতা ও চিকিৎসা পদ্ধতির পরিপন্থী নানা মন্তব্য করেছেন। কোনও সাংসদ দাবি করেছেন গোমূত্র খেয়ে ক্যানসার সেরে যাওয়ার, কেউ আবার বলেছেন প্রাচীন যুগেও টেস্ট টিউব বেবি বা প্লাস্টিক সার্জারির উদাহরণ রয়েছে ভারতীয় পুরাণে। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এই ধরনের মন্তব্য সাধারণ মানুষকে কতটা প্রভাবিত করে?

“অনেকটাই। আমরা কাজ করতে গিয়ে বুঝতে পারি, সাধারণ গরিব মানুষের কাছে এই কথাগুলো কতটা প্রভাব ফেলে। এ দেশে এখনও দিকে দিকে শোনা যায়, বাচ্চাদের অসুখ হলে ঝাড়ফুঁক করানো হচ্ছে। যে সাধারণ মানুষেরা এ সব করছেন, তাঁদের দোষ কী করে দেওয়া যায়? তাঁরা তো তাঁদের নেতাদের কাছেও এ সবই শুনছেন।”– বললেন কাফিল খান। সেই সঙ্গে জানালেন, এ দেশে চিকিৎসকদের কাজটা শুধু চিকিৎসা করা বা শুশ্রূষা করা নয়, সেই সঙ্গে মানুষকে সচেতন করাও। ডাক্তারি সিলেবাসে এই বিষয়েও একটি চ্যাপ্টার থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি একটি এনজিও তৈরি করে, ৫০০ বেডের হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন চিকিৎসক কাফিল খান। শিশুদের সব রকমের সুযোগ সুবিধা বিনামূল্যে দেওয়া হবে সেখানে। সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চরম গাফিলতির বিরুদ্ধে এটাই হয়তো তাঁর আরও একটা লড়াই। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একা রুখে দাঁড়িয়ে, কেবল সাধারণ মানুষের সাহায্য নিয়ে গড়ে তুলছেন বিকল্প ব্যবস্থা, ‘হেল্থ ফর অল’।

এই সপ্তাহে কলকাতায় এসেও চিকিৎসকদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন কাফিল। পথ বার করার চেষ্টা করেছেন, কী ভাবে চিকিৎসা পরিষেবাকে আরও উন্নত করা যায়। আর সেই প্রসঙ্গেই সাম্প্রতিক এনআরএস কাণ্ডের জের টেনে এনে বললেন, “চিকিৎসকদের নিরাপত্তা খুবই জরুরি একটা বিষয়। আজ থেকে দু’বছর আগে গোরক্ষপুর কাণ্ডে যে দিন আমার বিভাগের শিশু মারা যায়, সে দিনও প্রথমেই এক পরিবার এসে আমার গলা চেপে ধরেছিল। আমি বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম, দোষ আমার নয়, দোষ পরিকাঠামোর। এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে সারা দেশ জুড়ে। সরকারের অনাচারের ঢাল হিসেবে সামনে দাঁড় করানো হচ্ছে চিকিৎসকদের। এটা অনুচিত।”

এই বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে এখানে আসার আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ই-মেলও করেছিলেন কাফিল। কিন্তু জবাব মেলেনি। কাফিল বললেন, “উনি ধর্ম ও চিকিৎসার ব্যাপারে যে মন্তব্য করেছেন বলে শুনেছি, সেটা বড্ড ভুল। যে ধর্মের প্রতি যা-ই মানসিকতা থাকুক যে কোনও কারও, ডাক্তার-রোগীর সম্পর্কে কখনওই ধর্ম আসে না। আমি আমার পরিচিত কট্টর আরএসএস সমর্থক চিকিৎসককেও দেখেছি, মুসলিম রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক চুলও সমস্যা হয়নি।”

তবে চিকিৎসকদের দিক থেকে কি কোনও সমস্যা তৈরি হয় না? তাঁরাও কি কিছু ক্ষেত্রে ভুল করেন না কিছু?

“হ্যাঁ, অনেক বেনোজল মিশে গেছে এই পেশায়, অস্বীকার করছি না। কিন্তু তার জন্যও সরকারের দায় আছে। আজ নানা ক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে, চিকিৎসকেরা শহরের আরাম ছেড়ে গ্রামেগঞ্জে গিয়ে চিকিৎসা করেন না বলে। কিন্তু সরকার কি তাঁদের জীবনযাপন এবং রোজগারের মাপকাঠি সুনিশ্চিত করতে পেরেছে, গ্রামে গিয়ে চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে? উত্তরটা ‘না’। করেনি। যদি পর্যাপ্ত রোজগারের সংস্থান করে দেয় সরকার, যদি চিকিৎসকের বাচ্চাদের পড়াশোনার জন্য ভাল স্কুল থাকে, তা হলেও কি চিকিৎসকেরা গ্রামে গিয়ে চিকিৎসা করতে অস্বীকার করবেন? এর উত্তর কী হবে সেটা সরকারকে জানার চেষ্টা করতে হবে।”– স্পষ্ট ব্যাখ্যা কাফিলের।

সোমবার দ্য ওয়ালকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার ঠিক আগেই তিলজলার বস্তি এলাকা ঘুরে দেখতে গিয়েছিলেন কাফিল খান। ফিরে এসেই প্রথম বললেন, “আমরাও মানুষ, ওরাও মানুষ। কিন্তু কী ভাবে বেঁছে আছে ওরা! মানুষ এত খারাপ থাকে! এ রাজ্যে তো ৩৪ বছর কমিউনিস্ট পার্টির সরকার ছিল। তার পরেও সাধারণ মানুষের এই অবস্থা হয় কী করে, আমি জানি না।”

শুনে নিন, কী বলছেন কাফিল খান।

কাফিলের অভিযোগ, এই পরিস্থিতি দেশের সর্বত্র। “আমি যখন গ্রেফতার হওয়ার ন’মাস পরে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিলাম, তখন সারা দেশের কত কত মানুষের থেকে ফোন পেয়েছি, তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু লড়াই কোথায়? আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও যখন এতগুলো দিন ধরে আমায় জেলের নরক যন্ত্রণা ভোগ করতে হল, তখন তারা কেন প্রতিবাদ করেনি কোনও? কেনই বা এখনও আমি কাজে যোগ দিতে না পারা সত্ত্বেও কোনও হেলদোল নেই কোনও সংগঠনের?”– প্রশ্ন কাফিলের।

কেমন ছিল ন’মাসের জেলের জীবন?

কাফিল খান জানালেন, কহতব্য নয়। মানুষ ও ভাবে থাকতে পারে না। সমাজের কোনও স্তরেই যে মানবাধিকারের কোনও দাম নেই, তা ভীষণ ভাবে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে জেলের জীবনটা দেখার পরে। কাফিল জানিয়েছেন, ৬০ জন থাকার হলঘরে ১৮০ জনকে রাখা হতো। মাঝে মাঝে টানা ১২ ঘণ্টারও বেশি শৌচালয়ে বন্দি করে রাখা হতো তাঁকে। দিনের পর দিন দু’বেলা রুটি ও মুলোর তরকারি।

তবে এর চেয়েও বড় ধাক্কা অপেক্ষা করে ছিল কাফিল জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে। ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল। “যখন জেলে গেছিলাম, আমার কোল থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল ন’মাসের ছোট্ট মেয়েটাকে। জেল থেকে বেরিয়ে দেখলাম, আর কোলে নেই, ও হাঁটতে শিখে গেছে। ওর প্রথম হাঁটা, প্রথম কথা বলা, প্রথম সিঁড়ি ভাঙা– সবটুকু চিরকালের মতো হারিয়ে ফেললাম আমি। এর পরে যখন জেল থেকে এসে প্রথম রাতটা বাড়িতে ঘুমোলাম, পরের দিন সকালে উঠে মেয়ের চিলচিৎকার। অচেনা মানুষের শুয়ে থাকা দেখে ও ভয়ে অস্থির। এই দিন তো আমি কোনও দিন ভুলতে পারব না চাইলেও। সব ক্ষতির তো পূরণ হয় না!”

ঠিক যেমন কাফিল কোনও দিন ভুলতে পারেন না, শুধু তাঁর প্রতি বিদ্বেষের কারণে দুষ্কৃতীদের গুলির মুখে পড়েছেন তাঁর ছোট ভাই! কপালজোরে বেঁচে গেলেও কাটাচ্ছেন অসম্ভব যন্ত্রণার জীবন। কাফিল বললেন, “আদিত্যনাথ যোগীর সভাস্থল থেকে কয়েকশো মিটার দূরে আক্রমণ করা হল আমার ভাইকে। গলায় গুলি খেল ও। ওই অবস্থায় পুলিশের গাড়িতে চাপিয়ে ওকে কয়েক ঘণ্টা ঘোরানো হয়, তার পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ও চিৎকার করে কাঁদছিল, ওর সারা শরীরে রক্ত। কী করে ভুলব আমি! এখনও কেউ গ্রেফতার পর্যন্ত হয়নি ওই ঘটনায়।”

বেলা ফুরিয়ে আসে। প্রেস ক্লাবে বৈঠকের সময় এগিয়ে আসে কাফিল খানের। ঝড়ের গতিতে তৈরি হতে শুরু করেন। জানান, ট্যাক্সি পেতে দেরি হবে তাই হাতে সময় রেখে বেরোতে হবে। কারণ সরকারি নজরদারির কারণে এখনও অ্যাপ ক্যাব ব্যবহার করতে পারেন না তিনি।

শহরে বিকেল নামে। ‘সকলের জন্য স্বাস্থ্য’ ব্যবস্থা তৈরি করার স্বপ্ন চোখে নিয়ে ছুটে চলেন এই সময়ের এক ট্র্যাজিক হিরো। অসংখ্য শিশুর প্রাণ বাঁচানোর গরিমা মাথায় নিয়েও যিনি কাজ থেকে পরিত্যক্ত দু’বছর ধরে।

ভিডিও: শুভজিৎ নস্কর

Comments are closed.