রবিবার, নভেম্বর ১৭

শরীরের কোন সাতটি জায়গায় বারবার হাত দিলে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন, জেনে নিন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারা দিন কাজের ফাঁকে অনেকেই বারবার মুখে, চোখে, কানে হাত দেন, নখের ভিতরে খোঁটাখুঁটি করেন।  কিন্তু এসব করে নিজের স্বাস্থ্যের বারোটা বাজাচ্ছেন, সেটা জানেন কি? আমাদের শরীরের এমন কিছু অংশ আছে, যেখানে বারবার হাত দিলে রোগ হবেই হবে।  কিন্তু সে দিকে নজর নেই আমাদের কারোরই।  জেনে নিন, কোন সেই জায়গাগুলো, যেখানে বারবার হাত দেওয়া ঠিক নয়।

মুখ
আমাদের সকলেরই এই অভ্যাস থাকে।  যে কোনও সময়ে মাথার ভেতর যখন ভাবনা চিন্তা গিজগিজ করছে, তখন অকারণে মুখে গালে হাত দিতে থাকি।  এতে হাতে থাকা খুব ছোট ছোট ব্যাকটিরিয়া আমাদের মুখে গালে লেগে গিয়ে শরীর খারাপ করে।  স্কিন ডিজ়িজ় হয় খুব সহজেই।  তাই বারবার মুখে হাত মোটেও দেওয়া যাবে না।

মুখের ভিতরে হাত দেওয়া
মুখের ভিতরে হাত দেন অনেকেই।  দাঁতে খাবার লেগে আছে কি না, বা এমনিই অভ্যাসে যাঁরা মুখে হাত দেন, তাঁদের সমস্যা কিন্তু বাড়তেই পারে।  কারণ এখানেও গলা, মুখের ভিতরে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়তে পারে হাতে লেগে থাকা বীজানু থেকে।

নখের ভিতরে খোঁটাখুঁটি
কাজের মাঝে, লেখা পড়ার ফাঁকে অনেকেই তো নখের মধ্যে খোঁটাখুঁটি করেন।  কিন্তু ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে এ থেকেই।  এবার খাবেন যখন, যতই হাত ধুয়ে খাবার খান এই ইনফেকশন স্বাভাবিকভাবেই আপনাকে পেটের গোলমালের দিকে টেনে নিয়ে যাবেই।

চোখে হাত দেওয়া

অনেক সময় চোখ কটকট করে, কেউ বলেন চোখ খুব চুলকোচ্ছে।  তাই যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুন, চোখে হাত দেবেনই আপনি।  আর বারবার চোখ কচলে একাকার করবেন।  হাতে থাকা ব্যাকটিরিয়া চোখে চলে যাবে সহজেই।  বাঁধাবেন চোখের অসুখ।  এর চেয়ে চোখে সে সময়ে দিন আই ড্রপ।  আর সুস্থ থাকুন।

কান চুলকোনো
কান চুলকোনোর বাতিক থাকে অনেকেরই।  বারবার আঙুল দিয়ে কানের ভিতরে খোঁচাখুঁচি করেন যাঁরা, তাঁরা সাবধান হোন।  হাতের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ব্যাকটিরিয়া অনেক সময়েই কানের মধ্যে গিয়ে সংক্রমণ বাধায়।  তাই আর কানে অযথা হাত দেবেন না।

নাক খোঁটা
নাক খোঁটা তো এক একজনের সবচেয়ে পছন্দের কাজ।  কিন্তু এটা মারাত্মক বিপদ আনতে পারে জানাচ্ছেন ডাক্তাররা।  নাক পরিষ্কার করতে হলে অবশ্যই পরিষ্কার রুমাল নিন।  নইলে বারবার নাকে হাত দিলে এক্ষেত্রেও নাকে ব্যাকটিরিয়া অ্যাটাক হতে পারে।

পশ্চাদ্দেশে হাত দেওয়া
অকারণে অযথা শরীরের এই অংশে হাত দিতে যাবেন না।  হয় তো অনেকেই জানেন না, তবে এই অংশ যথেষ্ট স্পর্শকাতর।  তাই এখানেও ব্যাকটিরিয়া থেকে সংক্রমণ হতে পারে।

তাই এই অভ্যাসগুলো যাঁদের আছে, তাঁরা সরে আসুন এগুলো থেকে।  সুস্থ থাকুন।

Comments are closed.