বেআইনি সম্পত্তি, কর্নাটকের কংগ্রেস প্রধানকে ডেকে পাঠাল সিবিআই

২৭৭

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পদের মামলায় আমাকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। শনিবার নিজেই একথা জানালেন কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ডি কে শিবকুমার। তাঁকে আগামী ২৫ নভেম্বর সিবিআই অফিসে যেতে হবে।

শিবকুমার বলেন, “গত ১৯ নভেম্বর সিবিআই অফিসারররা আমার বাড়িতে এসেছিলেন। সেদিন আমরা বাড়িতে ছিলাম না। পরদিন সকালে ফের তাঁরা আমার বাড়িতে আসেন। আমাকে বলেন, তাঁদের অফিসে যেতে হবে।” সিবিআই প্রথমে বলেছিল, ২৩ নভেম্বর বেলা চারটের সময় শিবকুমারকে তাদের অফিসে উপস্থিত হতে হবে। কিন্তু ওই দিন তিনি কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে মাসকি ও বাসবকল্যাণ অঞ্চলে যাবেন। ওই দু’টি জায়গায় শীঘ্রই উপনির্বাচন হবে।

শিবকুমার বলেন, “রবিবার থেকে আমি হসপেট, মাসকি ও বাসবকল্যাণ সফরে যাব। ফিরব ২৫ নভেম্বর। সিবিআই অফিসারদের ফোনে জানিয়েছি, ওই দিন বিকালে তাঁদের অফিসে যেতে পারি। তাঁরা রাজি হয়েছেন।”

গত ১৯ নভেম্বর শিবকুমারের মেয়ে ঐশ্বর্যের সঙ্গে বিজেপি নেতা এস এম কৃষ্ণর নাতি অমর্ত্যের বাগদান সম্পন্ন হয়। অমর্ত্য ক্যাফে কফি ডে-র প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা ভি জি সিদ্ধার্থর ছেলে।

গত ৫ অক্টোবর সিবিআই দিল্লি, কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের ১৪ টি জায়গায় রেড করে। তার মধ্যে শিবকুমারের অফিসেও হানা দেওয়া হয়েছিল। গোয়েন্দারা জানান, তল্লাশিতে ৫৭ লক্ষ টাকা এবং বেশ কয়েকটি নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে। এরপরে শিবকুমার ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির মামলা করা হয়। সিবিআই জানায়, তাঁর কাছে ৭৪ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকার বেআইনি সম্পদের হদিশ মিলেছে।

গত সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কৃষি আইন ও রাজ্যের জমি অধিগ্রহণ আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন কর্নাটকের কৃষকরা। তাঁদের সমর্থনে বক্তব্য পেশ করেন শিবকুমার। তিনি অভিযোগ করেন, ওই সংশোধনী এনে সরকার কৃষকদের দাস বানাতে চায়। শিবকুমারের কথায়, “জমি অধিগ্রহণ বিলে একটা খুব খারাপ সংশোধনী আনা হয়েছে। চাষিদের থেকে যাতে জমি কিনে নেওয়া যায়, সেজন্য সরকার চেষ্টা করছে। তারা চাষিদের দাস বানিয়ে রাখতে চায়। আমরা সর্বশক্তি দিয়ে এই সংশোধনীর বিরোধিতা করব।”

শিবকুমার পরে বলেন, “কংগ্রেস সব সময় চাষিদের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাষিদের জমি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন আইন করেছি। রাজ্যপাল যেন ওই বিলে সই না করেন।”

মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, চাষিদের সম্ভবত ওই বিল নিয়ে ভুল বোঝানো হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি বার বার বলেছি, মাত্র দুই শতাংশ কৃষিজমি শিল্পের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে চাষিদের কোনও সমস্যা হবে না। তাঁদের ভুল বোঝানো হচ্ছে।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More