সংসদে কাটমানি নিয়ে মমতাকে বিঁধলেন দিলীপ, বললেন ‘বাংলায় জনপ্রিয় সরকার চলছে’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাটমানি নিয়ে যখন উত্তাল রাজ্য, গ্রাম-মফস্বলে শাসক নেতাদের বাড়িতে রোজ চলছে বিক্ষভ, এমনকী জনতার চাপে কোথাও কোথাও টাকা ফেরত দিতেও শুরু করেছেন তৃণমূল নেতারা, ঠিক তখনই লোকসভায় উঠল কাটমানি প্রসঙ্গ। এবং তা তুললেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তুলোধনা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    এ দিন দিলীপ বলেন, “সরকারি প্রকল্প মানুষ পাওয়ার আগে তৃণমূল নেতাদের ভাগ দিতে হয়। তা না হলে মানুষ সেই প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছায় না। আর এটাকেই মুখ্যমন্ত্রী কাটমানি বলছেন। বুঝুন তাহলে বাংলায় কেমন সরকার চলছে!”

    দিলীপবাবুর দীর্ঘ বক্তৃতার বেশিরভাগটা জুড়েই ছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ। উদ্দেশ্য একটাই, জাতীয় স্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের স্বরূপ তুলে ধরা। তা করতে গিয়েই মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “আটবছর ধরে তৃণমূলের নেতারা কাটমানি খেয়েছে। এখন তাদের বাড়ির সামনে মানুষের বিক্ষোভ আছড়ে পড়ছে।” বাংলার শাসক দলের বিরুদ্ধে চদিলীপিএর সরস কটাক্ষ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনপ্রিয় সরকার চালাচ্ছেন। পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। এমন জনপ্রিয় সরকার যে ওঁর দল থেকে রোজ পঞ্চায়েত সদস্য, কাউন্সিলর, বিধায়করা আমাদের দিকে চলে আসছেন।”

    এ দিন সংসদে দাঁড়িয়ে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তোলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “এত দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মের নামে বিভাজন চালাচ্ছিলেন। এ বার শুরু করেছেন ভাষার মাধ্যমে বিভাজনের রাজনীতি। বানালি-বিহারির মধ্যে বিভাজন করছেন। বাংলাদেশের স্লোগান ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গকে পসছিম বাংলাদেশ বানাতে চাইছেন।” সংসদে উপস্থিত সাংসদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাংলায় গিয়ে একবার দেখে আসুন। কী হচ্ছে ওখানে। দেশের ৫৪২য়াটি কেন্দ্রে ভোট হয়েছে। কোথাও হিংসা হয়নি। শুধু বাংলার ৪২টি কেন্দ্রেই খুন-সন্ত্রাস হয়েছে। ভোটের পরেও তা জারি রয়েছে।”

    তাৎপর্যপূর্ণ হল এই, যে তৃণমূল বিরোধিতা শুনলেই রে রে করে ওঠে। এ দিন দিলীপের বক্তৃতার পরও বাংলার শাসক দলের সাংসদরাও তেমন চোচ্চার হননি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More