ফের যোগীরাজ্যে নাবালিকার দেহ! যৌন নির্যাতন করে, অ্যাসিডে পুড়িয়ে, কিশোরীকে ডোবানো হয় ভাদোহির জলাশয়ে

১৯

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জল থেকে উদ্ধার নাবালিকার দগ্ধ, ধর্ষিত দেহ! উত্তরপ্রদেশের ভাদোহি জেলার এই ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, ডুবে গিয়ে মারা গেছে সে। ময়নাতদন্তে যৌন নির্যাতনেরও প্রমাণ মিলেছে। পাশাপাশি চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অ্যাসিড আক্রমণ করা হয়েছিল নির্যাতিতাকে।

বুধবার পুলিশ জানিয়েছিল, ১৭ বছরের মেয়েটির দেহ উদ্ধারের পরে শরীরে একাধিক পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন মিলেছে। ভাদোহি জেলার পুলিশপ্রধান রামবদন সিং বলেন, “নারকীয় নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে মেয়েটিকে। খুব খারাপ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে দেহটি।”

সূত্রের খবর, সোমবার থেকে খোঁজ মিলছিল না জৌনপুরের ওই কিশোরীর। মোষ চরাতে গিয়ে আর ঘরে ফেরেনি সে। এর পরেই খোঁজ শুরু হয়, পুলিশে খবর দেওয়া হয়। বুধবার বিকেলে জৌনপুর ও ভাদোহি সীমান্তের একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার হয় ক্ষতবিক্ষত দেহ।

এই ঘটনার পরে আরও একবার প্রশ্ন উঠে গেল যোগীরাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই একের পর এক নাবালিকা ধর্ষণ, খুনের ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। কখনও তেরো বছরের মেয়ের চোখ উপড়ানো, জিভ কাটা দেহ উদ্ধার হয়েছে ঝোপের ধার থেকে, আবার কখনও ধর্ষণের পরে নাবালিকার সারা শরীর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সিগারেটের ছ্যাঁকায়।

গতকাল, বুধবারই আগ্রায় এক মেডিক্যাল ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর সারা শরীরে ক্ষতের দাগ। মাথায় ও গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ। আগ্রার মেডিক্যাল কলেজ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে রাস্তার ধারে ওই ছাত্রীর দেহ পড়ে ছিল। য়েটির মাথায় ও গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ বসানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা।

হাপুর, লখিমপুরের, গোরক্ষপুর সহ উত্তরপ্রদেশের একাধিক এলাকায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে এসেছে পরপর। কিছুদিন আগেই, গোরক্ষপুরের একটা ইটভাটার কাছ থেকে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষণের পরে মেয়েটির সারা শরীর সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল অভিযুক্তরা।

এর আগে লখিমপুর জেলায় ১৩ বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে খবর মেলে। পুলিশ জানায়, মেয়েটির উপরে নারকীয় নির্যাতন চালায় অপরাধীরা। কিশোরীর চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছিল, জিভ কেটে নেওয়া হয়েছিল।

হাপুর জেলায় বছর ছয়েকের একটি মেয়েকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে তিনজন। ওই শিশুটির অবস্থাও সঙ্কটজনক। মেরঠের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More