করোনায় আক্রান্ত হলেন বিজেপির পক্ষ থেকে বিহারে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ

৫৫৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ‘ঈশ্বর চান আমি কিছুদিনের জন্য কাজ বন্ধ করি।’ শনিবার বিকালে টুইট করে এমনই জানালেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। বিজেপির পক্ষ থেকে বিহারে ভোটের দায়িত্বে থাকা দেবেন্দ্র এদিন কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। তিনি টুইটারে আর্জি জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁরা যেন কোভিড টেস্ট করিয়ে নেন।

দেবেন্দ্র টুইটারে লিখেছেন, ‘লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে আমি রোজই কাজ করেছি। মনে হচ্ছে, ঈশ্বর চান, এবার আমি কিছুদিনের জন্য কাজ বন্ধ করি। আমি কোভিড টেস্টে পজিটিভ হয়েছি। এখন আইসোলেশনে আছি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাচ্ছি।’

বিহারে এ বার ভোট গ্রহণ হবে ৩ দফায়। প্রথম দফায় ২৮ অক্টোবর ১৬ টি জেলার ৭১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। পরের দফায় ৩ নভেম্বর ভোট হবে ৯৪ টি আসনে। তৃতীয় দফায় ৭ নভেম্বর ১৫ টি জেলার ৭৮টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ১০ নভেম্বর। প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ২৯ নভেম্বর।

অনেকেই মনে করেছিলেন, ভাইরাসের কারণে পিছিয়ে যাবে ভোট। কিন্তু তা হচ্ছে না। ফলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান বড় কোনও অঘটন.না ঘটলে একুশে নির্ধারিত সময়েই হবে বাংলার ভোট। সেক্ষেত্রে আর মাত্র ছ’মাস বাকি থাকবে বাংলায় ভোট হতে।

বেকারত্ব, অতিমহামারী ও পরিযায়ী শ্রমিক, তিনটি ইস্যুতে নীতীশ কুমারের সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা। শনিবার আরজেডির নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন দলের নেতা তেজস্বী যাদব। তাতে বলা হয়েছে, তাঁরা জিতলে বিহারের ১০ লক্ষ তরুণ-তরুণীকে চাকরি দেবেন। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও উন্নত করে তোলা হবে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে এদিন তেজস্বী বলেন, তারা মানুষকে বোকা বানাতে চাইছে।

তেজস্বীর কথায়, “আমরা ১০ লক্ষ চাকরির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তাতে কোনও ফাঁকি নেই। আমরা বিজেপি সরকারের মতো ৫০ লক্ষ চাকরির ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিইনি।” পরে তিনি বলেন, “বিহারের রাজ্য বাজেটের পরিমাণ ২ লক্ষ ১৩ কোটি টাকা। তার মাত্র ৬০ শতাংশ খরচ করেছে নীতীশ কুমার সরকার। তারা ৪০ শতাংশ খরচ করতে পারেনি। ওই ৪০ শতাংশের পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি টাকা।”

পরে তেজস্বী বলেন, “আমরা বিহারের উন্নয়ন চাই। আমরা চাই বিহারে চাকরিতে নিয়োগের হার জাতীয় গড়ের থেকে বেশি হোক। নীতীশ কুমার আর বিহারের প্রশাসনের দায়িত্ব নিতে পারছেন না। তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More