প্রেমিকার ধর্না প্রেমিকের বাড়ির সামনে, দেখেই পলাতক তৃণমূল নেতার ছেলে, মেমারির গ্রামে চাঞ্চল্য

ওই তরুণী আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে নিয়ে গলায় প্লাকার্ড ঝুলিয়ে ধর্নায় বসেন প্রেমিকের বাড়ির সামনে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: এতদিন প্রেম করেছ আর বিয়ে করবে না মানে! এমনই প্রশ্ন তুলে বর্ধমানের গ্রামে এক প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসল প্রেমিকা। ওদিকে বাড়ির সামনে প্রেমিকাকে পোস্টার হাতে বসতে দেখেই পলাতক প্রেমিক।

    বিয়ের দাবিতে প্রেমিকদের ধর্না এই রাজ্যে নতুন নয়। জলপাইগুড়িতে প্রেমিকার পরিবারকে রাজি করাতে এক প্রেমিকের ধর্না তো নজির গড়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বিয়েও হয়েছিল। কিন্তু এবার উল্টো ঘটনা। প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় প্রেমিকা।

    আরও পড়ুন

    হাওয়ায় ভেসে বেড়ায় করোনাভাইরাস, হু-কে স্বাস্থ্যবিধি বদলের পরামর্শ বিজ্ঞানীদের

    ভালবাসার মানুষকে ফিরে পেতে চান তিনি। এমন দাবির সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগও রয়েছে তরুণীর। তিনি এমনটাও দাবি করছেন যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একধিকবার সহবাস করেছেন ওই প্রেমিক। তাঁর আরও দাবি, এক আধ দিন নয়, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে তাঁদের সম্পর্ক রয়েছে। প্রেমিকা থেকে এবার স্ত্রীর মর্যাদা চান তিনি।

    এদিকে রবিবার নাছোড়বান্দা প্রেমিকার হাত থেকে রেহাই পেতে নিজের বাড়ি ছেড়ে নাকি পালিয়েছেন প্রেমিক। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার নওপড়া গ্ৰামেই বাড়ি সৌমেন চৌধুরী নামে ওই যুবকের। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর প্রেমের সম্পর্ক এই তরুণীর সঙ্গে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেলামেশা করছেন বলেই প্রেমিকার দাবি। তরুণীর বক্তব্য, একাধিকবার সহবাসও করেছে সৌমেন। এখন বিয়ে করতে চাইছে না।

    এদিন ওই তরুণী আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে নিয়ে গলায় প্লাকার্ড ঝুলিয়ে ধর্নায় বসেন প্রেমিকের বাড়ির সামনে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। এদিকে সৌমেনের বাবা শামিম চৌধুরী আবার স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস‍্য। এদিন তিনি বলেন, এটা একটা চক্রান্ত। যেহেতু তিনি তৃণমূলের সদস্য তাই এভাবে তাঁর পরিবারকে কালিমালিপ্ত করা চেষ্টা চলছে।

    প্রেমিকের বাবার এমন দাবি শোনার পরেও ওই তরুণী নাছোরবান্দা। তাঁর এক কথা– বিয়ে করতেই হবে। রাজি না হওয়া পর্যন্ত তিনি হাল ছাড়বেন না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More