খুনের পর দেহ টুকরো টুকরো করে রাস্তায়, আট বছর পরে গ্রেফতার মৃতের স্ত্রী ও তার প্রেমিক

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : ২০১১ সালে দিল্লিতে রবি নামে এক ব্যক্তি খুন হন। তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে রাস্তায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। আট বছর ধরে তদন্ত করার পরে দিল্লি পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃতের স্ত্রী শকুন্তলা ও তাঁর প্রেমিক কমল ওই খুনে জড়িত। এক ড্রাইভারের সহায়তায় তাঁরা রবিকে খুন করেছিলেন।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানায়, ২০১১ সালে রবির সঙ্গে শকুন্তলার বিয়ে ঠিক হয়। তখনই শকুন্তলার সঙ্গে কমলের আলাপ ছিল। বিয়ের এক মাস পরে শকুন্তলা ও তাঁর প্রেমিক স্থির করেন, রবিকে খুন করা হবে। পুলিশ খুনের তদন্তে নেমে প্রথমে পলিগ্রাফ টেস্ট করে। কিন্তু তাতে তদন্তের বিশেষ সুবিধা হয়নি। ২০১৭ সালে কমল ও অভিযুক্ত ড্রাইভারের ব্রেন ম্যাপিং করে পুলিশ প্রথমবার নির্দিষ্ট তথ্য পায়। তাঁরা ব্রেন ম্যাপিং-এর সময় খুনের কথা স্বীকার করেন। তারপরেই শকুন্তলা ও কমল আত্মগোপন করেন। পুলিশ পরে আলওয়ার থেকে কমলকে গ্রেফতার করেছে। শকুন্তলাকে এখনও ধরা যায়নি। তিনি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গিয়েছে।

    দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, খুনের আগে শকুন্তলা রবিকে বলেন, তিনি এক বোনের বাড়িতে যাবেন। তিনি কমলকেও তাঁদের সঙ্গে যেতে অনুরোধ করেন। কমল একটি ট্যাক্সি ভাড়া করেন। ট্যাক্সিচালক ছিলেন কমলের পরিচিত। ট্যাক্সি চড়ে যাওয়ার সময়েই রবিকে খুন করা হয়। পরে ড্রাইভারকে দেওয়া হয় ৭০ হাজার টাকা।

    খুনের পরেই রবির বাবা পুলিশে এফআইআর করেন। ধৃত কমল জানিয়েছেন, খুনের পরে প্রথমে রবির দেহ একটি গর্তে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁদের ভয় হয়, কেউ দেহটির সন্ধান পেতে পারে। তখন গর্ত থেকে দেহ তুলে কেটে টুকরো টুকরো করা হয়। টুকরোগুলি ছড়িয়ে দেওয়া হয় আলওয়ার ও রেওয়ারির মধ্যবর্তী রাস্তায়।

    পুলিশ জানিয়েছে, দেহটি মোট ২৫ টুকরো করা হয়েছিল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More