ভারতে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে, মেনে নিক কেন্দ্র, বললেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লি তথা ভারতের সর্বত্র কোভিড রোগীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের মেনে নেওয়া উচিত, দেশে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মনে হচ্ছে, আমরা পরিভাষা নিয়ে সমস্যায় পড়েছি। শনিবার এমনই মন্তব্য করলেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। এদিন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, দিল্লিতে কি গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে? তিনি বলেন, আমি কী ভাবছি, তাতে কিছু যায় আসে না। গোষ্ঠী সংক্রমণ একটা পরিভাষা। বিজ্ঞানীরাই এসম্পর্কে ভাল বলতে পারবেন।

সারা বিশ্বে এখন করোনা সংক্রমণের নিরিখে ভারত দ্বিতীয় স্থানে। তার আগে আছে শুধু আমেরিকা। সেপ্টেম্বরের প্রতিদিন ৯০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। চলতি মাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ লক্ষের বেশি মানুষ। জুনের শুরু থেকেই দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ হু হু করে বাড়তে থাকে। দিল্লির আপ সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায়, গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে ঘোষণা করা হোক। কারণ যাঁরা ওই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের ৫০ শতাংশের ক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে না, কীভাবে আক্রান্ত হলেন।

কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়নি। আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গব বলেন, “গোষ্ঠী সংক্রমণ একটা পরিভাষা। আমরা এখনও সেই পর্যায়ে আসিনি।”

এদিন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “রাজধানীতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু পজিটিভিটি রেট কমেছে। শুক্রবার শহরে পজিটিভিটি রেট ছিল ৬.৭৫ শতাংশ। গত সপ্তাহে এই রেট ছিল আট শতাংশের বেশি।”

ভারতের কোভিড পরিসংখ্যানে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ পেরিয়েছে। মারাঠা প্রদেশে এযাবৎ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১,২১,২২১ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩০,৮৮৩ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭,৯২,৮৩২ জন। মহারাষ্ট্রে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২,৯৭,৫০৬।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫,৯২,৭৬০। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৫১০৫ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪,৯৭,৩৭৬ জন। অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাকটিভ কেস ৯০,২৭৯।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫,১৯,৮৬০। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৮৫৫৯ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,৬৪,৬৬৮ জন। তামিলনাড়ুতে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪৬,৬৩৩।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে কর্নাটক। এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৮৪,৯৯০ জন। এখনও পর্যন্ত কর্নাটকে কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৭৫৩৬ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৭৫,৮০৯ জন। কর্নাটকে এখন অ্যাকটিভ কেস ১,০১,৬৪৫।

পঞ্চম স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৩০,২৬৫। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৬৯০ জনের। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২,৫৮,৫৭৩ জন। উত্তরপ্রদেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৬৭,০০২।

ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে রাজধানী শহর দিল্লি। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২,৩০,২৬৯। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৩৯ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,৯৪,৫১৬ জন। দিল্লিতে অ্যাকটিভ কেস ৩০,৯১৪।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More