দীপ্তি নাভালের এই গুণ ছিল অজানা, লকডাউনে চমক দিলেন অভিনেত্রী

৩৬২

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দীপ্তি নাভালের অভিনয়ে তো বারবার মুগ্ধ হয়েছেন, কিন্তু তাঁর কবি, চিত্রশিল্পী সত্ত্বাকে চেনেন কি? ইদানীং তাঁকে আর অভিনয় করতে দেখা যায় না। প্রিয় নায়িকা এখন কীভাবে অবসর যাপন করেন তা বহু মানুষই জানতে চায়। সেই সুযোগ এনে দিল লকডাউন।

অভিনয়ের পাশাপাশি ছবি আর কবিতার প্রতিও যে দীপ্তি নাভালের প্রগাঢ় ভালবাসা আছে তা এর আগে সাধারণ মানুষ জানতেন না। লকডাউনের কারণে নিজের পুরোনো অভ্যাস ফিরিয়ে আনলেন তিনি। কখনও রং তুলি নিয়ে কাটিয়ে দিচ্ছেন সারাদিন, কখনও বা কবিতা লিখে অবসর যাপন করছেন। তাঁর অভিনয়ের ফ্যান অনেকেই। কিন্তু ইদানীং তাঁর আঁকা ছবি আর লেখা কবিতাতেও মুগ্ধ হচ্ছেন বহু মানুষ। এই বয়সেও ধীরে ধীরে বাড়ছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ারস।

ভারতে অমৃতসরে জন্ম গ্রহণ করেন অভিনেত্রী দীপ্তি নাভাল। পরে বেড়ে উঠেছেন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে। পড়াশোনা শেষ করে ভারতে ফিরে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে শুরু করেন তিনি।

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর বেশিরভাগই ছিল ফারুক শেখের সঙ্গে। একের পর এক সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করে তাঁরা ভারতের সবচেয়ে আদর্শ অন স্ক্রিন জুটি হয়ে ওঠে। চশমে বদ্দুর, সাথ সাথ, কিসি সে না কেহনা, কথা। এই সিনেমাগুলোর কথা এখনও মানুষের মুখে মুখে ঘোরে। দীর্ঘদিন কাজে বিরতির পর ২০১১ তে আবার তাদের একসঙ্গে দেখা যায় ‘টেল মি ও খুদা’ সিনেমায়।

বলিউডের তথাকথিত সুন্দরীদের তালিকায় তাঁকে রাখা হয় না। অন্যধারার এই সুন্দরী শাবানা আজমি, স্মিতা পাতিলের মত বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন অভিনয়কে। যে কোনও স্ক্রিপ্টে কাজ করতেন না। বেছে বেছে কিছু সিনেমা করে মানুষের মনে দাগ কেটেছেন।

দীপ্তি নাভাল একজন প্রকৃত শিল্পী। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন ছবি আঁকতে তাঁকে শিখিয়েছেন তাঁর মা। মায়ের আঁকা ছবি তিনি শেয়ার করবেন বলেও জানান। তিনি জানান তাঁর বাবা ভীষণ ভাল কবিতা লিখতেন। আরও জানান বাবার কাছ থেকেই কবিতা লেখার গুণটা তিনি পেয়েছেন। দীপ্তি লেখেন, “…. আই আ্যম হোয়াট আই আ্যম বিকজ অফ হু মাই পেরেন্টস ওয়ার…।”

বেশিরভাগ সময় তাঁকে দেখা যায় কবিতায় ডুবে থাকতে। তাঁর লেখা দু’তিনটে কবিতার বইও বেরিয়েছে। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মধ্যেই নিজের লেখা কবিতা শেয়ার করেন তিনি। তাঁর প্রিয় কবিদের কবিতাও পোস্ট করেন। গতকাল তিনি স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন নিজের কণ্ঠে পাঠ করা তাঁর লেখা কবিতা। বহুদিন পর তাঁর কণ্ঠ শুনতে পেয়ে আবেগে ভেসে যায় মুগ্ধ দর্শকেরা। তিনি লেখেন, “আই উড র‍্যাদার বি রেড ,দ্যান বি সিন…  রাইটিং ইজ ক্লোজার টু মাই হার্ট এনি ডে…।”

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More