অনশনের ২৭৫ ঘণ্টা, হাসপাতালে এক ছাত্র, অপেক্ষা ‘নির্দেশ’-এর

0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনশনের ১২তম দিনে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া দেবাশিস বর্মণ। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু এর পরেও তিনি কোনও রকম খাবার খেতে অস্বীকার করেন।

    আন্দোলনকারী ছাত্রেরা জানিয়েছেন, দেবাশিস শনিবার রাতে শৌচালয়ে যাওয়ার সময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। এর আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। রক্তচাপ এবং সুগার লেভেল আশঙ্কাজনক ভাবে নেমে গিয়েছিল। গায়ে র‍্যাশও বেরিয়েছিল, জ্বর এসেছিল। কয়েক দিন ধরেই দেবাশিসের মাথার কাছে বসে থেকেছেন তাঁর মা। উচ্চরক্তচাপ আছে তাঁর। চার দিন ধরে ছেলের সঙ্গেই কিচ্ছুটি খাননি তিনিও। আজ দেবাশিস অসুস্থ হয়ে পড়লে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

    সকলেই তাকিয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য। সমাধান হলে তবেই অনশন ভাঙবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হস্টেলের সিট ম্যাট্রিক্স তৈরি হয়েছে। পুরনো হোস্টেলগুলোতে ৯৪টি শয্যা খালি রয়েছে। প্রথম বর্ষের পড়ুয়া বাদে, আবেদনকারীর সংখ্যা দু’শোরও বেশি। অধ্যক্ষ অশোক ভদ্র শনিবার ছাত্রদের লিখিত জানিয়েছেন, যে নতুন হস্টেলের মোট তিনটে ফ্লোরে এবং পুরনো হোস্টেলের খালি শয্যাগুলিতে সকলকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমেই জায়গা দেওয়া হতে পারে।

    তবে এই কাউন্সেলিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে ডিরেক্টর অফ মেডিক্যাল এডুকেশন দেবাশিস ভট্টাচার্যের কাছ থেকে চূড়ান্ত নির্দেশ আসার পরেই। এই নির্দেশ আশা পর্যন্ত অনশন চলবে বলে জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। সূত্রের খবর, অধ্যক্ষ এবং ডিএমই দু’পক্ষই কার্যত পড়ুয়াদের দাবি মেনে নিয়েছেন৷ কিন্তু সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতি প্রয়োজন। সকলেই সে দিকে তাকিয়ে আছেন।

    অধ্যক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন, কাল রবিবার হলেও তিনি কলেজে আসবেন এই প্রক্রিয়া দ্রুত এগোনোর জন্য। তিনি আজও অনশনকারী ছাত্রদের অনুরোধ করেছেন, চিকিৎসা নেওয়ার জন্যে। দেবাশিসকে এর পরেই ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসা শুরু হলেও, কোনও ভাবেই খাওয়ানো যায়নি তাঁকে।

    রবিবার বিকেল সাড়ে-তিনটেয় মেডিক্যাল কলেজের অ্যাডমিনিসট্রেটিভ ব্লকের সামনে গণ কনভেনশনের ডাক দিয়েছে নাগরিক সমাজ। মেডিক্যাল কলেজের আন্দোলনকে সংহতি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সংগঠন।

    শনিবার রাতেও পুলিশ আসে মেডিক্যাল ক্যাম্পাসে। পড়ুয়াদের অনুরোধ করে অনশন তুলতে। কোনও বলপ্রয়োগ করা হবে না তো, রাত জেগে আশঙ্কার প্রহর গুনছে মেডিক্যাল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More