করোনা বিধি উড়িয়ে তেজস্বীর কপ্টারের চারপাশে বিরাট ভিড়, ধাক্কাধাক্কি, আরজেডি বলল, প্রচার ভণ্ডুল করার চক্রান্ত

৩১৩

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : মাঠের মাঝখানে নামল আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের হেলিকপ্টার। সঙ্গে সঙ্গে কয়েকশ মানুষ দৌড়ে গেল সেদিকে। কপ্টারের চারপাশে ভিড় করল। শুরু হল ধাক্কাধাক্কি। করোনা বিধি উঠল শিকেয়। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

রাষ্ট্রীয় জনতা দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জয় যাদব বলেছেন, এর পিছনে আছে ষড়যন্ত্র। তেজস্বী ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি পান। কিন্তু এখানে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষা করা হয়নি। আরজেডির শত্রুরা চেয়েছিল বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বীর সভা ভণ্ডুল হয়ে যাক। তেজস্বী ও তাঁর কপ্টারের পাইলট বার বার জনতাকে সরে যেতে বলেন। কিন্তু কেউ সরেনি।

আরজেডি-র অপর প্রবীণ নেতা মনোজ কুমার ঝা নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন, তেজস্বীর নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। তাঁর সভায় সমাজবিরোধীরা জড়ো হচ্ছে। তারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

বুধবার বিহারে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তেজস্বীকে ‘জঙ্গল কি যুবরাজ’ বলে’ কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার তার জবাবে তেজস্বী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিহারের মূল সমস্যাগুলি এড়িয়ে যাচ্ছেন। দুর্নীতি, বেকারত্ব বা পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা নিয়ে তিনি একটি কথাও বলেননি।

আরজেডি নেতার কথায়, “মোদী হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি যা খুশি তাই বলতে পারেন। আমি তাঁর কথার জবাব দিতে চাই না। কিন্তু বিহারে এসে তিনি স্পেশাল প্যাকেজ, বেকারত্ব ও অন্যান্য গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নিয়ে বলতে পারতেন।”

পরে তিনি বলেন, “বিজেপি হল বিশ্বের বৃহত্তম দল। তারা ৩০ টি হেলিকপ্টার ব্যবহার করে। যদি সেই দলের প্রধানমন্ত্রী এমন কথা বলেন, মানুষ সব বুঝতে পারে। কিন্তু তিনি দারিদ্র, কারখানা, চাষি, বেকারত্বের বিষয় নিয়ে বললে ভাল হত।”

মুজফফরপুরে এক সভায় মোদী বলেন, তেজস্বী যাদবের বাবা লালুপ্রসাদ যাদব ও মা রাবড়ি দেবী ১৫ বছর বিহার শাসন করেছেন। তাঁদের দল ক্ষমতায় এলে বিহার ফের অন্ধকারের যুগে ফিরে যাবে।

আরজেডি এবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ক্ষমতায় এলে ১০ লক্ষ চাকরি দেবে। মোদী বলেন, “সরকারি চাকরির কথা ভুলে যান। এমনকি যে বেসরকারি সংস্থাগুলি মানুষকে চাকরি দেয়, তারাও রাজ্য থেকে চলে গিয়েছিল।” মোদীর বক্তব্য, তোলাবাজি ও অপহরণের ভয়েই কেউ বিহারে বিনিয়োগ করতে চাইত না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More