শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১

‘লাশ পাচারের’ অভিযোগে হাইকোর্টে সিপিএম

দ্য ওয়াল ব্যুরো:  পুলিশের বিরুদ্ধে ‘লাশ পাচার’ করার অভিযোগ নিয়ে আদালতে গেল সিপিএম।

কাকদ্বীপের সিপিএম সমর্থক দম্পতি দেবু দাস এবং ঊষারানি দাসের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয় ১৪ মে সকালে। সিপিএম অভিযোগ করে স্থানীয় তৃণমূল নেতারা কেরোসিন ঢেলে জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরেছে ওই দম্পতিকে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল জানিয়ে দেয় দেবু এবং ঊষার মৃত্যু হয়েছে শর্ট সার্কিট থেকে। কিন্তু ৭২ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পরও সৎকার করা গেল না ওই দম্পতির দেহ।

নির্বাচনের দিন বিকেলেই কাকদ্বীপের ওই গ্রামে যান সিপিএম নেতা কান্তি গাঙ্গুলী এবং সুজন চক্রবর্তী। দেহ নিয়ে আসতে গেলে আটকে দেয় পুলিশ। বুধবার কলকাতার ভবানী দত্ত লেনে মেডিক্যাল কলেজের মর্গে আনা হয় ওই দম্পতির দেহ। ছেলে দীপঙ্কর জানান, প্রশাসনের তরফে তাঁকে জানানো হয়েছে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় ময়না তদন্তের পর দেহ হাতে পাবেন তিনি। বুধবার বিকেলেই সিপিএম-এর তরফে ‘লাশ পাহাড়া’র জন্য জমায়েতের ডাক দেওয়া হয় মর্গের গেটে। সিপিএম-এর অভিযোগ, প্রশাসন মাঝ রাতে পিছনের দরজা দিয়ে ‘লাশ পাচার’ করে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় মামলা করেন হাইকোর্টে। তিনি জানান শুক্রবার সকালে এই মামলার শুনানি হবে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে। সিপিএম নেতা শমীক লাহিড়ী বলেন, ‘এমন এক উন্নয়নের মধ্যে দিয়ে আমরা চলেছি যেখানে বাবা-মায়ের দেহ সৎকারের জন্য ছেলেকে কোর্টে যেতে হচ্ছে।’ প্রশাসনের তরফে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে ময়না তদন্তের পর আইন-শৃঙ্খলার কারণে ওই দম্পতির দেহ রাখা রয়েছে ডায়মন্ড হারবার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।

Leave A Reply