মাত্র তিন দিনে ভারতে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ল ১ লক্ষ

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতে শুক্রবার করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ৮ লক্ষ ১ হাজার ২৮৬। মাত্র তিনদিনে কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা সাত লক্ষ থেকে পৌঁছেছে আট লক্ষে। মহারাষ্ট্রে রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২ লক্ষ ৩০ হাজার ৫৯৯ জন। তার পরেই আছে তামিলনাড়ু। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৩০ হাজার ২৬১ জন। দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫১ জন। করোনা রোগে যে দু’টি ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হচ্ছে, সেই রেমডেসিভির আর টোসিলিজুমাবের অভাব দেখা দিয়েছে মহারাষ্ট্রে। আমেরিকা ও ব্রাজিলের পরে ভারতে করোনা সংক্রমণ বিশ্বে সর্বাধিক।

মহারাষ্ট্রের পুনে শহরে ও পিম্পরি চিঞ্চওয়াড় অঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে হু হু করে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সেখানে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ওই সময় সেখানে কেবল দুধের দোকান, ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। চালু থাকবে অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা।

তামিলনাড়ুতে যতজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের ৫৮.২ শতাংশ চেন্নাইয়ের বাসিন্দা। চেন্নাইতে অবশ্য গত কয়েকদিনে সংক্রমণ কমেছে। অন্যদিকে গত ১৬ দিনে মাদুরাইতে সংক্রমণ বেড়েছে পাঁচগুণ। উত্তরপ্রদেশে শুক্রবার রাত ১০ টা থেকে শুরু হচ্ছে লকডাউন। তা চলবে সোমবার পর্যন্ত। মে-র পরে এই প্রথম উত্তরপ্রদেশে রাজ্য জুড়ে লকডাউন চালু হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, দেশের ৯০ শতাংশ করোনা সংক্রমণ ঘটেছে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, কর্নাটক এবং তেলঙ্গানা সহ আটটি রাজ্যে। এখনও যাঁরা অসুস্থ অবস্থায় আছেন, তাঁদের ৮০ শতাংশ ৪৯ টি জেলার বাসিন্দা। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা হোম কোয়ারান্টাইনে আছেন। কারণ তাঁর অফিসের কয়েকজন কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার আমেরিকায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৫১ জন। করোনা অতিমহামারীতে বিশ্ব জুড়ে মারা গিয়েছেন ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ২২ লক্ষ।

ভারতে করোনা অতিমহামারী ঠেকাতে গত ২৫ মার্চ জারি হয়েছিল লকডাউন। আড়াই মাসের টানা লকডাউনে দেশ জুড়ে প্রায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল শিল্পোৎপাদন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার জানাল, লকডাউনের মধ্যে মে মাসে কী পরিমাণে শিল্পোৎপাদন হয়েছে, তা প্রকাশ করা হবে না। কারণ ওই সময়কার তথ্য যথেষ্ট পরিমাণে সংগ্রহ করা যায়নি। এদিন তথ্যমন্ত্রক থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, মার্চের পরে বেশিরভাগ সংস্থাই কাজ করতে পারেনি।

এর আগে এপ্রিলের শিল্পোৎপাদন সংক্রান্ত তথ্যও প্রকাশ করেনি সরকার। এপ্রিল ও মে মাসের মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি। আপাতত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা বিশ্লেষণ করে একটি বিদেশি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, মে মাসে ভারতে শিল্পোৎপাদন কমেছিল ৩৪.৭১ শতাংশ। সরকারের বক্তব্য, কোভিড ১৯ অতিমহামারী শুরুর আগের মাসগুলিতে যে শিল্পোৎপাদন হয়েছে তার সঙ্গে অতিমহামারীর সময়কার উৎপাদনের তুলনা করা ঠিক নয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More