মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫

১৪ বছরে একই পরিবারের ছ’জন খুন, বাড়ির একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কেরলের কোঝিকোড়ে সপরিবারে থাকতেন সরকারি কর্মচারী টম থমাস। ২০০২ সালে তাঁর স্ত্রী
আন্নামা রহস্যজনকভাবে মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭। ছ’বছর বাদে একইভাবে মারা যান তাঁর স্বামী থমাস। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬। ২০১১ সালে মারা যান তাঁদের ছেলে রয় থমাস। তাঁর বয়স ছিল ৪০। তিন বছর বাদে আন্নামার ভাই ম্যাথুর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স ছিল ৬৮ বছর। কয়েক মাস পরে ওই পরিবারের এক দু’বছরের শিশু আলফাইন মারা যায়। তার মা ফিজি মারা যায় দু’বছর বাদে।

একের পর এক এমন রহস্যমৃত্যু হওয়ার পরে পুলিশে এফআইআর করেছিলেন রয় থমাসের ভাই রোজো থমাস। পুলিশ তদন্তে নেমে রয় বাদে সকলের দেহ কবর খুঁড়ে তোলে। রয়ের দেহে আগেই পোস্ট মর্টেম করা হয়েছিল। দেহগুলি পরীক্ষা করে দেখা যায়, সকলকেই বিষ প্রয়োগে খুন করা হয়েছে।

গত শনিবার রয়ের স্ত্রী জলি গ্রেফতার হন। পুলিশের ধারণা, তিনি নিজে বিষ দিয়ে স্বামীকে হত্যা করেছিলেন। রবিবার এম এস ম্যাথু এবং প্রাজিকুমার নামে আরও দু’জন গ্রেফতার হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রাজিকুমার জলিকে সায়ানাইড জাতীয় বিষ এনে দিয়েছিলেন। রয় বাদে বাকিদের বিষ দিয়েছিলেন ম্যাথু। প্রতিটি খুনের কথা জলি জানতেন। তাঁরা তিনজন মিলে ছ’টি খুন করেছেন।

কেন তাঁরা পুরো পরিবারটাকে শেষ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিলেন, তা অবশ্য পুলিশ জানায়নি।

Comments are closed.