কর্ণাটকে কংগ্রেসের ট্রাবল শুটার ডি কে শিবকুমারের আগাম জামিনের আর্জি নাকচ, জেরা করল ইডি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গতবছর বিজেপিকে সরিয়ে কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডি ইউ সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। মাস কয়েক আগে যখন কুমারস্বামী সরকারের একের পর এক বিধায়ক ইস্তফাপত্র পাঠাচ্ছেন, তিনি চেষ্টা করেছিলেন যাতে কয়েকজনকে ফের সরকারপক্ষে ফিরিয়ে আনা যায়। তিনি ডি কে শিবকুমার। কর্ণাটকে কংগ্রেসের ট্রাবল শুটার বলে পরিচিত। যে কোনও জটিল পরিস্থিতিতে কংগ্রেসকে বাঁচানোর জন্য তাঁর ডাক পড়ে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে টাকা তছরুপের অভিযোগে মামলা করেছে এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট। তিনি আগাম জামিনের জন্য কর্ণাটক হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই আবেদন নাকচ হয়ে গিয়েছে। তার কয়েক ঘণ্টা বাদে, বৃহস্পতিবার রাতেই ইডি তাঁকে জেরার জন্য দিল্লিতে ডেকে পাঠায়।

শুক্রবার সকালে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে শিবকুমারত বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর কথায়, আমি আইন মেনে চলি। আইনের পথেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করব। ইডির নোটিশ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি গতকাল রাত ৯ টা বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ বাড়ি ফিরেছি। সঙ্গে সঙ্গে ইডি-র কয়েকজন অফিসার বাড়িতে এসে আমাকে নোটিশ ধরিয়ে দিলেন। তাতে বলা হয়েছিল, শুক্রবার বেলা ১ টার সময় আমাকে ইডি-র অফিসে হাজির হতে হবে। আমি অফিসারদের বললাম, অত তাড়াতাড়ি যেতে পারব না। আমার অনেক কাজ আছে।

ইডির অভিযোগ, শিবকুমার কর ফাঁকি দিয়েছেন। বেআইনিভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। শিবকুমার এদিন বলেন, আমার বন্ধু মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা বিধানসভায় বলেছিলেন, তিনি প্রতিশোধের রাজনীতি করেন না। কিন্তু তিনিই এখন প্রতিহিংসার রাজনীতির বীজ বপন করছেন।

পরে শিবকুমার সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা টেনশন নেবেন না। আমি টেনশন নিচ্ছি না। আমি নির্দোষ। পরে তিনি বলেন, আমার মায়ের ব্বয়স ৮৪ বছর। তাঁর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সে সবই নাকি বেনামি সম্পত্তি।

ডি কে শিবকুমার কর্ণাটকের রাজনীতিক মহলে ‘ডি কে শি’ নামে পরিচিত। তাঁর বয়স ৫৭ বছর। তিনি রাজ্যসভা ভোটের আগে গুজরাতের ৪৪ জন কংগ্রেস বিধায়ককে কর্ণাটকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। পাছে বিজেপি তাঁদের টাকার লোভ দেখায়, তাই তাঁদের লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তার কিছুদিন বাদেই তাঁর বাড়িতে আয়কর দফতরের অফিসাররা হানা দেন। তিনি বলেন, গুজরাতের এমএলএ-দের আশ্রয় দেওয়ার জন্যই আমার বিরুদ্ধে আয়কর দফতরকে কাজে লাগানো হয়েছিল।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More