বুধবার, অক্টোবর ১৬

সাতসকালে মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে কংগ্রেস, কর্ণাটকে সরকার বাঁচানোর শেষ চেষ্টা

  • 15
  •  
  •  
    15
    Shares

দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার ইস্তফা দিয়েছেন কর্ণাটকের আট কংগ্রেস ও তিন জেডি এস বিধায়ক। স্পিকার রমেশ কুমার এখনও ইস্তফা গ্রহণ করেননি। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ইস্তফাপত্রগুলি খতিয়ে দেখবেন। তার আগে কংগ্রেস মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে বিক্ষুব্ধরা ইস্তফা ফিরিয়ে নেন। সোমবার সকালেই কংগ্রেসের মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন দলের নেতা তথা উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর। অন্যদিকে আমেরিকা সফর কাটছাঁট করে দেশে ফিরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। তিনি বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস বিধায়ক রামলিঙ্গ রেড্ডির সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন।

উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর এদিন তাঁর দলের বিধায়কদের প্রাতঃরাশে আমন্ত্রণ করেন। সেখানেই বৈঠক হয়। মিটিং-এ উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা কে বেণুগোপাল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ও কংগ্রেসের ট্রাবল শুটার বলে পরিচিত ডি কে শিবকুমার।

কুমারস্বামী আমেরিকা থেকে ফিরেছেন রবিবার সন্ধ্যায়। তারপরেই এক বিলাসবহুল হোটেলে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আলোচনা চলে মাঝরাত পর্যন্ত।

শনিবার যে বিধায়করা ইস্তফা দিয়ে এসেছেন, তাঁরা যদি রেজিগনেশন লেটার ফিরিয়ে না নেন, তাহলে কুমারস্বামী সরকার নিশ্চিতভাবেই বিধানসভায় গরিষ্ঠতা হারাবে। বিদ্রোহী ১১ বিধায়ককে শনিবারই উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মুম্বইতে। সেখানে তাঁরা এক অভিজাত হোটেলে আছেন। কংগ্রেসের অভিযোগ, তাঁদের মুম্বই যাওয়ার জন্য চ্যাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করেছিল বিজেপি। শুধু তাই নয়, হোটেলেও বিজেপি নেতারা গিয়ে বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

কংগ্রেস ও জেডি এস, উভয় দলই আশা করছে, কয়েকজন বিদ্রোহী অন্তত ইস্তফা ফিরিয়ে নেবেন। সোমবারই তাঁরা ফের যোগ দেবেন সরকারে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া নিজের দল জেডিএস এবং জোটসঙ্গী কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, আমরা এখনও বিদ্রোহীদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছি। ১২ জুলাই বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে বোঝা যাবে, পরিস্থিতি কী দাঁড়াল।

২২৪ আসন বিশিষ্ট বিধানসভায় কংগ্রেস ও জেডিএসের যৌথভাবে আছে ১১৮ টি আসন। বিএসপি-র একজন ও এক নির্দল বিধায়ক তাদের সমর্থন করেছেন। কিন্তু ১১ জন ছেড়ে যাওয়ার পরে জোট সরকারের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৫। বিজেপিরও ১০৫ জন বিধায়ক আছেন।

বিজেপি বলেছে, শাসক জোট যদি গরিষ্ঠতা হারায়, তবে তাদের সরকার গড়তে ডাকা উচিত। তবে বিদ্রোহীদের ইস্তফার পিছনে তাদের কোনও হাত থাকার কথা অস্বীকার করেছে গেরুয়া ব্রিগেড। অন্যদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে কর্ণাটকে সরকার ফেলার চেষ্টার অভিযোগ করেছে লোকসভায় মুলতবি প্রস্তাব এনেছে কংগ্রেস।

Comments are closed.