কংগ্রেসের কাছে দেশের স্বার্থের চেয়ে রাজনীতিই আগে, রাফাল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে মন্তব্য অমিত শাহের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: জাতীয় স্বার্থের চেয়ে রাজনীতিই কংগ্রেসের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, রাফাল নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে এ কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বলে কংগ্রেস যে প্রচার করেছিল, তাকে বিদ্বেষপূর্ণ বলে বর্ণনা করে অমিত শাহ বলেন, এ জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত কংগ্রেসের।

    তবে সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়ে টুইট করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। তিনি মনে করেন, তদন্তের দরজা হাট করে খুলে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোশেফ।

    বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ আদালত রাফাল নিয়ে যে রায় দিয়েছে, তা গেছে নরেন্দ্র মোদীর পক্ষেই। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এ নিয়ে সিবিআই তদন্তেরও কোনও প্রয়োজন নেই।

    রাফাল চুক্তির সিবিআই তদন্তের দরকার নেই, রিভিউ পিটিশন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

    সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে ‘বিদ্বেষমূলক ও ভিত্তিহীন’ বলে কংগ্রেসকে বেঁধেন। তিনি বলেন, ওই ‘বিদ্বেষমূলক ও ভিত্তিহীন’ প্রচারের জবাব সর্বোচ্চ আদালতই দিয়ে দিয়েছে।

    টুইট করে অমিত শাহ বলেন, রাফাল চুক্তি নিয়ে হইচই করে সংসদের অধিবেশন ভণ্ডুল করার চেষ্টা ছিল একেবারে সাজানো ব্যাপার।

    সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বৃহস্পতিবার আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল যে, নরেন্দ্র মোদী সরকার যে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত। তাঁর অভিযোগ, জাতীয় স্বার্থের চেয়ে রাজনীতিকেই বড় করে দেখে কংগ্রেস।

    রায়ের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ক্ষমা চাওয়া উচিত রাহল গান্ধীর। ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বলে কংগ্রেস যে প্রচার করেছিল, তার পিছনে কোন শক্তি রয়েছে, তাও জানতে চান প্রসাদ। শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে মিথ্যা ভাবে চোর বলাই নয়, ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি বিকৃত করা ও সুপ্রিম কোর্টকে ভুল ভাবে উদ্ধৃত করা নিয়েও তিনি কংগ্রেসকে বেঁধেন।

    রাহুল গান্ধী যখন ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন, তখন তিনি কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। তখন এনিয়ে তীব্র ভাবে প্রচার করেছিল রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস।

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, রাফায়েল নিয়ে সিবিআই তদন্তের দরকার নেই। বিচারপতিদের বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি বাদে অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি একে কল এবং বিচারপতি কেএম জোশেফ। মূল রায়ের সঙ্গে একমত হলেও পৃথক রায় লেখেন জোশেফ। তার পরেই কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী টুইট করেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোশেফ রাফাল কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্তের বিরাট সুযোগ করে দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবারই অবশ্য রাহুল গান্ধীকে তিরষ্কার করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, তাঁর আরও সতর্ক হয়ে মন্তব্য করা প্রয়োজন। তা সত্ত্বেও কেন এই টুইট করেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি, তা স্পষ্ট নয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More