বৃহস্পতিবার, মে ২৩

কংগ্রেসের ২০, জেডি এসের ৮, কর্ণাটকে আসন সমঝোতা দুই দলের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবার জনতা দল সেকুলার-এর নেতা তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া বলেছিলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে আমাদের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। ১৫ মার্চ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলব। তারপরে সিদ্ধান্ত হবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শোনা গেল, দুই দলে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। কংগ্রেস লড়বে কর্ণাটকের ২০টি লোকসভা আসনে। আটটি আসনে লড়বে দেবগৌড়ার দল।

জনতা দল সেকুলার যে আসনগুলিতে লড়বে, সেগুলি হল শিমোগা, টুমকুর, হাসান, মাণ্ড্য, বেঙ্গালুরু উত্তর, উত্তরা কন্নড়, চিকমাগালুরু এবং বিজয়াপুরা। মাইসুরু-কোদাগু আসনটি কংগ্রেস ও জেডি এস, দু’পক্ষই দাবি করেছিল। শেষ পর্যন্ত ওই আসন থেকে লড়ছে কংগ্রেসই। কর্ণাটকের দক্ষিণ অংশে জেডি এস এবং কংগ্রেস, উভয়েরই ভালো সংগঠন আছে। সেখানে এই জোট ভালো ফল করবে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

হাসান ও মাণ্ড্য, দু’টি আসন জেডি এসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত। সেখানে দেবগৌড়ার দুই নাতি প্রাজ্বল এবং নিখিলকে দাঁড় করানো হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তাতে দলের অনেকে অসন্তুষ্ট হয়েছেন। বিজেপির রাজ্য শাখার প্রধান বি এস ইয়েদুরাপ্পা জানিয়েছেন, মাণ্ড্য আসনে নিখিলের বিরুদ্ধে প্রয়াত সুপারস্টার অম্বরীশের স্ত্রী সুমালতাকে প্রার্থী করা হতে পারে। নিখিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর ছেলে। শিমোগা আসনে একসময় জিতেছিলেন ইয়েদুরাপ্পা। পরে তিনি পদত্যাগ করে বিধানসভায় প্রার্থী হন।

বেঙ্গালুরু নর্থ আসনে প্রার্থী হতে পারেন দেবগৌড়া। তিনি হাসান আসনটি ছেড়ে দিতে পারেন মন্ত্রী এইচ এস রেভান্নার ছেলে প্রাজ্বলকে। ২০১৪ সালে বিজেপি কর্ণাটকে পেয়েছিল ১৭ টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছিল ন’টি। জেডি এস পেয়েছিল দু’টি। বিজেপির পেয়েছিল মোট ভোটের ৪৩ শতাংশ। কিন্তু কংগ্রেস ও জেডি এস একযোগে পেয়েছিল ৫২ শতাংশ ভোট।

গতবছর কর্ণাটকে বিধানসভা ভোটের পরে আচমকাই হাত মেলায় কংগ্রেস ও জনতা দল সেকুলার। ফলে বিজেপির পক্ষে সরকার গড়া সম্ভব হয়নি। কংগ্রেস-জেডি এস জোটের পক্ষ থেকে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হন এইচ ডি কুমারস্বামী। এবার লোকসভা ভোটের আগে দুই দলের মধ্যে কীভাবে আসন সমঝোতা হয়, সেদিকে নজর ছিল পর্যবেক্ষকদের। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের পরে দেবগৌড়া ও কুমারস্বামী উভয়েই বলেন, তাঁরা ক’টি আসন পাবেন বড় কথা নয়। গতবারের জেতা আসনগুলি পেলেই তাঁরা খুশি হবেন।

Shares

Comments are closed.