সরকারি বিজ্ঞাপনে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশিকা মানা হচ্ছে কিনা তা দেখবে কমিটি

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া নির্দেশিকা মেনেই সরকারি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখবে তিন সদস্যের একটি কমিটি। এর শীর্ষে থাকছেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াত, বিজ্ঞাপন জগতের নামী ব্যক্তিত্ব রমেশ নারায়ণ এবং প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সদস্য একে ট্যান্ডন।

২০১৬ সালে এই সংক্রান্ত একটি কমিটি তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বিবি ট্যান্ডন, ইন্ডিয়া টিভির চেয়ারম্যান ও মুখ্য সম্পাদক রজত শর্মা এবং অগিলভি অ্যান্ড মাথারের কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান কথা ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর (ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়া) পীযূষ পাণ্ডে। তাঁদের দায়িত্ব ছিল সরকারি বিজ্ঞাপনে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা।

২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট একটি নির্দেশে সরকারকে জানায়, তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করতে যে কমিটির প্রত্যেক সদস্যের নিপপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা হবে প্রশ্নাতীত। এই কমিটিই নজর রাখবে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা সেই দিকে। অর্থাৎ এই কমিটিই সরকারি বিজ্ঞাপনের নিয়ামকের ভূমিকা পালন করবে।

নতুন এই কমিটির সদস্যদের মনোনীত করেছেন তিন সদস্যের একটি কমিটি, তাতে ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়্যারম্যান সিকে প্রসাদ, গীতিকার প্রসূন জোশী এবং কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব অমিত খারে।

২০১৬ সালে কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেনের অভিযোগের ভিত্তিতে আম আদমি পার্টির সরকারি বিজ্ঞাপনে রাশ টানে ট্যান্ডনের নেতৃত্বাধীন কমিটি। তারা বলে এই টাকা দিল্লি সরকারকে ফিরিয়ে দিতে।

নতুন কমিটির রমেশ নারায়ণ হলেন ক্যানকো অ্যাডভার্টাইজিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশনের এরিয়া ডিরেক্টর। তিনি প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর মিডিয়া উপদেষ্টা ছিলেন।

এই কমিটি শুধু ছাপানো বিজ্ঞাপনের উপরেই নজর রাখবে না, একই সঙ্গে তারা নজর রাখবে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা সেই দিকেও। কমিটি এ ব্যাপারে প্রতি মাসে রিপোর্ট পাঠাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে। তারা খতিয়ে দেখবে, বৈদ্যুতিন মাধ্যমেও কোথাও কোনও রকম বিচ্যুতি হচ্ছে কিনা।

শাসকদল সরকারি অর্থ ব্যবহার করে সরকারি বিজ্ঞাপনের নামে নিজেদের প্রচার করে থাকে বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাতে রাশ টানতেই নির্দেশিকা দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। জনগণের করের টাকায় রাজনৈতিক দলের প্রচার আটকানো ও বিজ্ঞাপনের নামে অবব্যয় রোখাই এর উদ্দেশ্য।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More