আমাদের যখন মেরে তাড়িয়েছিল, তখন কোথায় ছিলেন! কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিন কংগ্রেসে তীব্র তোপ সুনন্দা বশিষ্ঠের

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন কংগ্রেসে কাশ্মীরের প্রসঙ্গ উঠল ফের। মুখ খুললেন লেখিকা সুনন্দা বশিষ্ঠ। জানিয়ে দিলেন, পাঞ্জাব এবং উত্তর-পূর্বে বেড়ে ওঠা জঙ্গি গতিবিধি ইতিমধ্যেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে ভারত। এবার নজর দিতে হবে কাশ্মীরের দিকে। জঙ্গি উপদ্রব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সেখানকার সাধারণ মানুষের মানবাধিকার ফিরবে।

    এর আগেও মার্কিন কংগ্রেসের মানবাধিকার বিষয়ক শুনানিতে কাশ্মীরের প্রসঙ্গ উঠেছিল। যদিও ভারত বারবারই সওয়াল করে, কাশ্মীর তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসের মানবাধিকার কমিশন জানায়, ভারত ও পাকিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাসের প্রেক্ষিতে জম্মু-কাশ্মীরে সাম্প্রতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার হবে।

    দ্বিতীয় শুনানিতে সুনন্দা বশিষ্ঠ এদিন বলেন, “ভারত একটি অনন্য গণতান্ত্রিক দেশ। জঙ্গি-সমস্যা সমাধান করতে পারলেই কাশ্মীরের মানুশের জীবন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ পাওয়া জঙ্গিদের নৃশংসতা অকল্পনীয়। আইএস জঙ্গিদের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে তারা। কিন্তু কাশ্মীরে যতই হামলার চেষ্টা করুক, ভারত কখনওই কাশ্মীরকে বাদ দিয়ে হবে না।”

    নয়ের দশকে উপত্যকা থেকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের বিতাড়নের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “এই বিষয়ে যে আজ এখানে কথা হচ্ছে, এতে আমি খুব খুশি। কারণ এক সময়ে আমি, আমার পরিবারের মতে অনেককে ঘর হারাতে হয়েছিল। কিন্তু সারা পৃথিবী সেদিন চুপ করে ছিল। তখন মানবাধিকারের ধ্বজাধারীরা কোথায় ছিল? তখন কেন মানবিকতা বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি কেউ!”

    বশিষ্ঠের বক্তব্যের পরে মার্কিন কংগ্রেসের এক সদস্য, টেক্সাসের শাইলা জ্যাকসন লি প্রশ্ন তোলেন, এখন জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের মানবাধিকার ফেরাতে কী করা হবে? তিনি জানতে চান, মার্কিন কংগ্রেসের তরফে উপত্যকায় ঘুরে দেখা সম্ভব কিনা।

    অগস্ট মাসের গোড়ায় কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর থেকেই অবরুদ্ধ উপত্যকা। বন্ধ করা হয়েছে টেলিফোন পরিষেবা। ল্যান্ডলাইন সাময়িক ভাবে চালু হলেও মোবাইল পরিষেবা এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি উপত্যকায়। নেই ইন্টারনেট। মোতায়েন রয়েছে বিপুল বাহিনী। ৩১ অক্টোবরের পর থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর। কিন্তু সেখানকার মানুষদের মৌলিক অধিকার এখনও ফেরেনি। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটানোরই দাবি উঠেছে মার্কিন কংগ্রেসে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More