সিপলার করোনার ওষুধ, ১০০ মিলি ডোজের দাম হবে ৫ হাজার টাকা

গত রবিবারেই, ভারতীয় বাজারে রেমডেভিসিরের জেনেরিক ভার্সান বিক্রি করার অনুমতি পেয়েছে সিপলা। বেঙ্গালুরুর হেটেরো ল্যাবের সঙ্গে যৌথভাবে এই ওষুধ বানাবে সিপলা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসে সংক্রমিতদের চিকিৎসায় গিলিড সায়েন্সের তৈরি অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভিরের দাম হতে পারে ৫ হাজার টাকা। এর কম রাখারও চেষ্টা হবে বলে জানাল ভারতীয় সংস্থা সিপলা। সংস্থার দাবি, এটাই বিশ্বে সবচেয়ে কম দামের রেমডেসিভির হবে। ওষুধটির নাম সিপরেমি (Cipremi)।

    গত রবিবারেই, ভারতীয় বাজারে রেমডেভিসিরের জেনেরিক ভার্সান বিক্রি করার অনুমতি পেয়েছে সিপলা। বেঙ্গালুরুর হেটেরো ল্যাবের সঙ্গে যৌথভাবে এই ওষুধ বানাবে সিপলা। হেটেরোর জানিয়েছে, ১০০ মিলিগ্রাম ডোজের ওষুধে মূল্য পাঁচ থেকে ৬ হাজারের মধ্যে রাখা হবে। তবে তার থেকে কম দামের কথা বলল সিপলা। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে সিপলার পক্ষে জানানো হয়েছে, “মানুষের কেনার ক্ষমতা মাথায় রেখেই এই ওষুধের দাম ঠিক করা হয়েছে। ১০০ মিলি ডোজের একটি ইঞ্জেকশন ভায়ালের দাম পাঁচ হাজার টাকার নীচে রাখা হবে। এটাই বিশ্বে সবচেয়ে কম দামে রেমডেসিভির হবে।”

    আরও পড়ুন

    রামদেবকে চিটিংবাজ বললেন অধীর, করোনা-ওষুধ প্রশ্নে ‘গেরুয়া ভেকধারীর’ বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি

    এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে জুন মাসের শেষ থেকেই বাজারে পাওয়া যাবে সিপলার তৈরি কোভিড চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক অনুমতি প্রাপ্ত ড্রাগ রেমডেসিভির। এই রেমডেসিভিরকে প্রাথমিক ভাবে কোভিড ১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শুধুমাত্র সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই ভারতেই এই ওষুধ তৈরি শুরু হয়েছে।

    আমেরিকার জিলেড সায়েন্সেস প্রথম এই ড্রাগ নিয়ে গবেষণা শুরু করে। তারপরে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই রেমডেসিভিরকে সংকটজনক করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে ইমারজেন্সি ইউজ অথরাইজেশন বা জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। যদিও এই রেমডেসিভিরের ব্যবহার নিয়ে এখনও ট্রায়াল চালাচ্ছে জিলেড। সব ধরনের করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এই ড্রাগ ব্যবহার করা যেতে পারে কিনা সেই গবেষণা চলছে।

    সম্প্রতি রেমডেসিভিরেরে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে গিলিয়েডে। সেই ট্রায়ালের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এনেছে সংস্থা। বলা হয়েছে, ৬০০ জন কোভিড পজিটিভ রোগী যাঁদের শরীরে সংক্রমণ ছিল মাঝারি মানের, তাদের রেমডেসিভির ইনজেক্ট করে ভাল ফল দেখা গেছে। পাঁচদিনের কোর্সে নির্দিষ্ট ডোজে ওষুধ দিয়ে দেখা গেছে সংক্রমণ কমতির দিকে। এই রোগীদের মধ্যে যাঁদের নিউমোনিয়ার উপসর্গ ছিল, তাঁরা অনেকটাই সুস্থ। গিলিয়েড অবশ্য আগেই জানিয়েছিল, রেমডেসিভির ইনজেক্ট করলে রোগীরা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠছেন। পরীক্ষায় দেখা গেছে আগে যেখানে সুস্থ হওয়ার সময় ছিল ১১ দিনের বেশি, সেই সময়ই কমে ৮-১০ দিনে দাঁড়িয়েছে। গিলিয়েড যদিও দাবি করেছে, মাঝারি লক্ষণযুক্ত রোগী বা মাঝারি মানের উপসর্গ দেখা গেছে যাঁদের, ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি, তাঁদের উপরেই ভাল ফল দেখিয়েছে রেমডেসিভির। অতি সঙ্কটাপন্ন রোগীদের শরীরে এই ওষুধের প্রভাব কতটা পড়বে সেটা এখনও গবেষণার স্তরেই আছে। ট্রায়ালের শেষেই সবিস্তারে সেই রিপোর্ট সামনে আনা হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More