মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯

চিংড়িহাটা ফ্লাইওভার খুলতে খুলতে অন্তত বেলা ১১:৩০, সোমবার সকালেও তীব্র যানজটের আশঙ্কা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশের নির্দেশ ছিল, সোমবার সকাল আটটার মধ্যে কাজ শেষ করতেই হবে চিংড়িহাটা উড়ালপুলের। অফিসটাইম শুরু হওয়ার আগে খুলে দিতে হবে পথ। কিন্তু কেএমডিএ-র তরফে জানানো হয় যে, এখনও প্রয়োজনীয় কাজ শেষ হয়নি। সোমবার দুপুরের আগে কোনও ভাবেই ব্রিজ খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। শেষমেশ পুলিশ ও কেএমডিএ-র দীর্ঘ বৈঠকের পরে সিদ্ধান্ত হল, কাল সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে কাজ শেষ করে, খুলে দেওয়া হবে ফ্লাইওভার। ফলে সোমবার সকালের অফিসটাইমের যানজট এড়ানো যাবে না বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শুক্রবার থেকেই বন্ধ রয়েছে চিংড়িঘাটা উড়ালপুল। এর জেরে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সারা দিন ইএম বাইপাসের যানজটে নাকাল হয়েছেন শহরবাসী। অভিযোগ, ১০ মিনিটের রাস্তা পেরোতেও এক ঘণ্টা সময় লেগে গিয়েছে। শনিবার ও রবিবার ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও গোটা এলাকা জুড়ে তীব্র যানজট সামাল দিতে অস্থির হয়ে যায় পুলিশ। কেএমডিএ-কে নির্দেশ দেয়, সোমবার সকালে উড়ালপুল খুলতেই হবে। কেএমডিএ জানায়, কাজ শেষ হয়নি। সোমবার সকালে খোলা সম্ভব নয়। শেষমেশ সিদ্ধান্ত হয়, বেলা সাড়ে এগারোটায় কাজ শেষ করে উড়ালপুল খোলা হবে।

এর ফলে সোমবার, সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন সকালে প্রবল যানজট হতে পারে বাইপাসে।

শুধু চিংড়িহাটা নয়, শহরের একাধিক উড়ালপুলের মেরামতি এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ করছে কেএমডিএ। প্রাথমিক কেএমডিএ বলেছিল, শুক্রবার রাত থেকে সোমবার রাত সাড়ে ন’ টা পর্যন্ত উড়ালপুল বন্ধ রাখা হবে। কিন্তু উড়ালপুল বন্ধ করার জেরে সায়েন্স সিটি থেকে বেলেঘাটা কানেক্টর পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়েছে সপ্তাহান্তের ছুটির দিনেও। যানজট ছড়িয়েছে পরমা উড়ালপুলেও। অন্য দিকে ইএম বাইপাস থেকে শিয়ালদহ বা সেক্টর ফাইভগামী রাস্তাতেও গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে।

ছুটির দিনেই এই অবস্থা হলে সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন উড়ালপুল বন্ধ থাকলে কী অবস্থা হবে, তা ভেবেই তৎপর হয় কলকাতা পুলিশ। কিন্তু শেষমেশ সাড়ে ১১টার সময় উড়ালপুল খোলা হবে বলে ঠিক হয়েছে।

চিংড়িহাটা উড়ালপুলের পরে আগামী সপ্তাহে বালিগঞ্জ স্টেশনের উপরে বিজন সেতুও বন্ধ রেখে কাজ করার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছিল কেএমডিএ। কিন্তু পুজোর কেনাকাটা এবং মহরমের শোভাযাত্রার কথা মাথায় রেখে সেই অনুমতি দেয়নি পুলিশ। ফলে আপাতত খোলাই থাকছে বিজেন সেতু। 

Comments are closed.