গালওয়ানে ভারতের সীমানা পেরিয়ে ৪২৩ মিটার ঢুকে এসেছে চিন, দেখা গেল উপগ্রহ চিত্রে

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তার ১০ দিন বাদে, ২৫ জুন তোলা উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, ভারতের অভ্যন্তরে ৪২৩ মিটার ঢুকে এসেছে চিন। ১৯৬০ সালে চিন ভারতের যে পরিমাণ জমি দাবি করেছিল, এখন তার চেয়েও বেশি জমি দখল করে তারা বসে আছে। গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের জমিতে রয়েছে চিনা বাহিনীর ১৬ টি তাঁবু ও অন্তত ১৪ টি গাড়ি।

    রবিবার রেডিওতে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চিনের নাম না করে বলেন, “লাদাখে ভারতের দিকে যারা খারাপ নজর দিয়েছে, তাদের আমরা উপযুক্ত জবাব দিয়েছি। ভারত বন্ধুত্বের মর্যাদা রাখতে জানে। কিন্তু শত্রুকেও উপযুক্ত জবাব দিতে পারে।” গত ২৭ জুন বেজিং-এ নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিস্ত্রি বলেন, “আমরা মনে করি, সীমান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বের মীমাংসা সহজেই হতে পারে। তার আগে চিনকে ওই অঞ্চলে কাঠামো বানানো বন্ধ করতে হবে। ভারতীয় টহলদার সেনাকে বাধা দিলেও চলবে না।”

    ১৯৬২ সালে ভারত-চিন যুদ্ধের পর থেকে ভারতীয় সেনা গালওয়ান অঞ্চলে পাহারা দিয়ে আসছে। গত ১৫ জুন সেখানে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হন। সেনা সূত্রে খবর, এক কর্নেল সহ ৪৫ জন চিনা সৈনিকও নিহত হয়েছে। এর পরেও চিন যেভাবে গালওয়াল উপত্যকায় ভারতের সীমানার মধ্যে ঢুকে এসেছে, তাতে স্পষ্ট, সহজে ওই এলাকা ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা তাদের নেই। তারা ওই অঞ্চলে ন’কিলোমিটার অন্তর ১৬ টি ক্যাম্প বানিয়েছে। গালওয়ান নদীর ওপরে বানিয়েছে কালভার্ট। সেখানে কয়েকশ ভারী ট্রাক ও আর্থ মুভার এনেছে।

    ভারতীয় সেনাও গালওয়ান উপত্যকা ও লাদাখের অন্যান্য অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে। ভারতীয় সেনা ও ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ চিনাদের গতিবিধি লক্ষ করছে। বায়ুসেনা থেকে জানানো হয়েছে, আকাশ থেকে নজর রাখা হচ্ছে চিনাদের ওপরে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More