লাদাখ নিয়ে মন্তব্য করার অধিকারই নেই চিনের, বলল ভারত

৩৫

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সীমান্তে ৪৪ টি নতুন সেতু উদ্বোধন করেন। সেই প্রেক্ষিতে চিন মন্তব্য করে, তারা লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয় না। তাদের দাবি, ভারত বেআইনিভাবে সেখানে কেন্দ্রের শাসন চালু করেছে। চিনের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রক থেকে বলা হয়েছে, আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার কোনও অধিকারই চিনের নেই।

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ নিয়েও আমাদের অবস্থান আগে একাধিকবার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।” সরকার আগেই জানিয়েছিল, নতুন ব্রিজগুলির মাধ্যমে সীমান্তে দ্রুত সৈন্য চলাচল করতে পারবে। অস্ত্রশস্ত্রও বহন করা যাবে।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, সীমান্তে পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্যই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কোনও দেশেরই এমন কিছু করা উচিত নয় যাতে উত্তেজনা বাড়ে।

ঝাওয়ের কথায়, “প্রথমে আমি একটা কথা পরিষ্কার করে দিতে চাই। চিন লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয় না। সীমান্তে আরও বেশি সেনা মোতায়েন করার জন্য ভারত পরিকাঠামো গড়ে তুলছে। আমরা তার বিরোধিতা করছি।”

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “আমরা সীমান্তে বিশেষ নজর দিচ্ছি। চিনের সঙ্গে সমঝোতা হলেই সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।”

রাজনাথ সিং সোমবার ৪৪টি সেতু উদ্বোধন করে বলেন, সীমান্তে অশান্তি করার জন্য যৌথভাবে চেষ্টা করছে পাকিস্তান ও চিন। তাঁর কথায়, “আপনারা সকলেই জানেন, আমাদের উত্তর ও পূর্ব সীমান্তে এখন কী অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমে পাকিস্তান, তারপর চিন, দুই দেশই সীমান্তে গোলমাল পাকিয়ে চলেছে। মনে হচ্ছে অশান্তি সৃষ্টি করাই তাদের উদ্দেশ্য। এই দেশগুলির সঙ্গে আমাদের ৭ হাজার কিলোমিটার সীমান্ত আছে। সেখানে উত্তেজনা রয়েছে।”

সোমবার সেতুগুলি চালু হয়, সেগুলি তৈরি হয়েছে লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ও পাঞ্জাবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিচক্ষণ নেতৃত্বে ভারত সীমান্তে সংকটের মোকাবিলা করছে কড়া হাতে। সেই সঙ্গে দেশে অনেক ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনেছে।” রাজনাথ সিং এদিন অরুণাচল প্রদেশে নেচিফু টানেলের প্রতীকি উদ্বোধন করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, কেবল সেনাবাহিনী নয়, সাধারণ মানুষও ওই সেতুগুলি তৈরি হওয়ায় লাভবান হবেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More