চিড়িয়াখানার নির্দেশককে কামড় অসুস্থ শিম্পাঞ্জি বাবুর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: গাজর খাওয়াতে গিয়েছিলেন, কিন্তু আলিপুর চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর আশিসকুমার সামন্তের বাঁ হাতের তর্জনীতে দাঁত বসিয়ে দিল অসুস্থ শিম্পাঞ্জি বাবু। কোনওরকমে হাত ছাড়িয়ে নিলেও তাঁর আঙুলে বেশ গভীর ভাবেই ক্ষত হয়ে যায়। তখনই তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে আঙুল সেলাই করা হয়। অ্যান্টি-ব়্যাবিস ইঞ্জেকশনও দেওয়া হয়।

    আশিসকুমার সামন্ত বলেন, “আমি বাবুকে গাজর খাওয়ানোর চেষ্টা করছিলাম। তখন হঠাৎই ওর দাঁত বসে যায় আমার বাঁ হাতের তর্জনীতে। আমি কোনওক্রমে আঙুল বার করে নিই, ক্ষতটা বেশ গভীর হয়ে গিয়েছিল, তাই তখনই চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আমার ভাই এমআর বাঙুরের ডাক্তার, তাই আমি তাড়াতাড়ি সেখানে চলে যাই।”

    গত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ রয়েছে বাবু। তাই তাকে নিজের হাতে খাওয়াতে গিয়েছিলেন আশিসকুমার সামন্ত। তখনই বিপত্তি। খুব কম হলেও পশুদের নিজে দেখভাল করা ও নিজের হাতে খাওয়ানোর অভ্যাস তাঁর রয়েছে। তবে এবারই প্রথম এমন ঘটল, তা নয়। এর আগে একবার তাঁকে আঁচড়ে দিয়েছিল বাবু।  তখনও প্রতিষেধক তাঁকে নিতে হয়েছিল। যাঁরা জীবজন্তু নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের এমন হয়েই থাকে বলে তিনি সেসবে পাত্তা দেননি।  চিড়িয়াখানার এক কর্মী জানান, তাঁদের অনেককেই এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়েছে; এটা এই ধরনের চাকরিতে হয়েই থাকে।

    শীতকাল এলেই আলিপুর চিড়িয়াখানার ভিড় জমে বাবুর খাঁচার বাইরে। ঘন জালের জন্য বানর-প্রজাতির অন্য প্রাণীদের ঠিকমতো দেখা না গেলেও বাবুকে দেখা যায়। মেজাজ ভাল থাকলে সে খেলাও দেখায়। তাই আলিপুর চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ হল বাবু। ১৯৮৯ সালে জার্মানি থেকে আলিপুরে আনা হয়েছিল এই শিম্পাঞ্জিটিকে। এখন তার বয়স ৩৫ বছর।

    http://www.thewall.in/pujomagazine2019/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%9a%e0%a7%87/

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More