আয়ুষ্মানের থেকে স্বাস্থ্যসাথী অনেক ভাল, বিবৃতি দিয়ে রাজ্যপালকে পাল্টা তোপ চন্দ্রিমার

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

    দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। শুক্রবার তার পাল্টা বিবৃতি দিয়ে দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

    রাজ্যপাল বলেছিলেন, “সারা দুনিয়াতে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু বাংলার মানুষ তার সুবিধে পাচ্ছে না। এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে বাঞ্ছনীয় নয়।” তিনি আরও বলেন, “কোন প্রকল্পের টাকা কোথা থেকে আসছে সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। কিন্তু আমার ভীষণ ভাবে মনে হয়, মানুষের জন্য যে টাকাই আসুক, তার যথাযোগ্য ব্যবহার হওয়া উচিত। এটাই সুষ্ঠু যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর লক্ষণ।” স্বাস্থ্যসাথী বনাম আয়ুষ্মান ভারত শীর্ষক বিবৃতিতে রাজ্য সরকার লিখেছে, “আয়ুষ্মান ভারত ১.১২ কোটি পরিবারকে এই সুবিধে দেবে বলেছে। আর স্বাস্থ্যসাথী ইতিমধ্যেই দেড়কোটি পরিবারকে এই পরিষেবা দিচ্ছে।” ওই বিবৃতিতে এও দাবি করা হয়েছে, যে পরিবারগুলি আয়ুষ্মান ভারতের আওতার মধ্যে পরার কথা ছিল, সেই প্রত্যেকটি পরিবারই স্বাস্থ্যসাথীর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

    আরও পড়ুন: বাংলায় স্বাস্থ্য নিয়েও রাজনীতি হচ্ছে, আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তোপ ধনকড়ের

    এখানেই থামেনি স্বাস্থ্য দফতর। দেড় পাতার বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, আয়ুষ্মানে ৩০ টাকা করে জন প্রতি দিতে হয়। একটি পরিবারে ৫জন সদস্য থাকলে দিতে হবে ১৫০ টাকা। কিন্তু স্বাস্থ্যসাথীতে কোনও তাকাই দিতে হয় না। পুরো পরিষেবাই সরকার দেয় বিনামূল্যে। দুটি প্রকল্পেই পরিবার পিছু বছরে পাঁচ লক্ষ টাকার বিমার আওতায় থাকবে। একই সঙ্গে বাংলার সরকার আরও বলেছে, স্বাস্থ্যসাথীতে স্মার্ট কার্ড আছে এবং সেটা মহিলাদের নামে। এটা মহিলাদের ক্ষমতায়নেরও একটা দিক। আয়ুষ্মানে সে সব কিছুই নেই।

    রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একের পর এক বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন ধনকড়। যার নবতম স্বাস্থ্য বিষয়ক এই বক্তব্য। গতকালই দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে রাজ্যপালের বক্তব্য নিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, “উনি বিজেপির লোক। বিজেপি পার্টির ম্যানের কোনও কথার উত্তর দেব না।” নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পর এদিন স্বাস্থ্য দফতর একেবারে বিবৃতিতে দিয়ে দাবি করল, বাংলার সরকার যা করেছে তা সঠিক কাজই করেছে। এতে মানুষের উপকারই হচ্ছে। আয়ুষ্মানের থেকে অনেক অনেক ভাল!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

You might also like

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More