মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৭

চিদম্বরমের কেসে পাঁচটি দেশের সাহায্য চাইছে সিবিআই

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ঠিক কীভাবে আইএনএক্স মিডিয়া কেসে কাটমানির লেনদেন হয়েছিল, তা জানার জন্য পাঁচটি দেশে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ভুয়ো কোম্পানি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছে সিবিআই। সেজন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সরকারের থেকে সাহায্য চাওয়া হয়েছে। ওই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম ও তাঁর ছেলে কার্তি। গত বুধবার রাতে চিদম্বরমকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

এই মামলায় যে পাঁচটি দেশের সাহায্য চাওয়া হয়েছে, তারা হল ব্রিটেন, বারমুডা, সুইজারল্যান্ড, মরিশাস ও সিঙ্গাপুর। ওই সব দেশের সরকারকে নিয়ম মাফিক ‘লেটার রোগেটরি’ দেওয়া হয়েছে। কোনও দেশের কাছে আইন সংক্রান্ত সাহায্য চাইলে তাকে ‘লেটার রোগেটরি’ পাঠানো হয়। এর আগে শিল্পপতি বিজয় মাল্য-র কেসেও ব্রিটেনের কাছে ‘লেটার রোগেটরি’ পাঠানো হয়েছিল।

অভিযোগ, ২০০৭ সালে আইএনএক্স মিডিয়াকে বিদেশ থেকে ৩০৫ কোটি টাকা পাইয়ে দিয়েছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। সেজন্য তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ কিকব্যাক হিসাবে নিয়েছিলেন। সিবিআই শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, আইএনএক্স মিডিয়া কেসে বিপুল পরিমাণ অর্থের নয়ছয় হয়েছিল। ইডি যাতে গ্রেফতার না করতে পারে সেজন্য শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছিলেন চিদম্বরম। সেই আবেদনের বিরোধিতা করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, কীভাবে ভুয়ো কোম্পানিগুলিতে কিকব্যাকের অর্থ জমা রাখা হয়েছিল, তা চিদম্বরমকে জেরা করলেই জানা যাবে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট যে প্রমাণপত্র যোগাড় করেছে, তাতে বোঝা যায়, কিকব্যাকের অর্থ দিয়ে অভিযুক্তরা দেশে ও বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন।

Comments are closed.