কুলদীপের সঙ্গে জেলে কারা দেখা করতে আসত? জানতে চাইল সিবিআই

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, জেল থেকেই উন্নাওয়ের ধর্ষিতাকে গাড়ি চাপা দিয়ে মারার ছক কষেছিলেন বিধায়ক কুলদীপ সিং। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কয়েকদিন আগে। তদন্তের শুরুতেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানতে চাইল, বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত কুলদীপের সঙ্গে জেলে কারা দেখা করতে আসত?

কিছুদিন আগেই মোবাইলে তোলা একটি ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, কুলদীপ যেখানে বন্দি আছেন, সেই সীতাপুর জেলের বাইরে জেলেরই এক কর্মী এক ব্যক্তিকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, আইন ভেঙে বিধায়কের সঙ্গে তাঁর দেখা করিয়ে দেবেন।

একবছর আগেই বিধায়কের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই। বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্ট গোয়েন্দা সংস্থাকে বলেছে, গাড়ি দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করতে হবে সাত দিনের মধ্যে। সেইমতো দ্রুত অ্যাকশনে নেমেছেন গোয়েন্দারা। গত রবিবার উন্নাওয়ের ধর্ষিতা পরিবারের অন্যদের সঙ্গে গিয়েছিল রায় বরেলিতে। ফেরার পথে একটি ট্রাক তাদের গাড়িকে ধাক্কা মারে। দু’জন মারা যায়। মেয়েটি নিজেও গুরুতর আহত হয়। আপাতত সে হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে আছে।

দুর্ঘটনার পরে যে পুলিশ অফিসাররা প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের বয়ান রেকর্ড করছে সিবিআই। গোয়েন্দাদের আর একটি টিম ঘাতক ট্রাকটিকে পরীক্ষা করছে। মালবাহী ট্রাকটি আসছিল বান্দা নামে এক জায়গা থেকে। তাতে কী মাল ছিল খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পরে যে এফআইআর হয়, তাতে ধর্ষিতার পরিবার অভিযোগ করে, নিজের কুকর্মের প্রমাণ লোপাট করার জন্য বিধায়কই তাঁদের খুনের ষড়যন্ত্র করেছেন। মেয়েটির পরিবার গত ১২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে চিঠি লিখে জানায়, তাঁরা বিরাট বিপদে পড়েছেন। কুলদীপ সেনগার ও তাঁর সঙ্গীরা তাঁদের মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। গত এক বছর ধরে তাঁরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁদের চাপ দেওয়া হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, কেন্দ্রীয় সরকারকে উন্নাওয়ের ধর্ষিতা ও তার পরিবারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। উন্নাওকাণ্ড সম্পর্কিত পাঁচটি মামলা দিল্লিতে সরিয়ে আনতে বলা হয়। প্রতিটি মামলার নিষ্পত্তির সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়।
চারবারের বিধায়ক কুলদীপ গত বছর এপ্রিল মাস থেকে জেলে আছেন। গ্রেফতার হওয়ার পরেই বিজেপি তাঁকে সাসপেন্ড করে। বৃহস্পতিবার দল তাঁকে বহিষ্কার করেছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More